LATEST UPDATE
LifeStyle লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
LifeStyle লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৬

শীত তাড়াতে রং এবং ঘরের সাঁজ!


চারদিকে সবকিছুই শুষ্ক, রুক্ষ। শীতকালের আবহাওয়া তো এমনই, সেটা পাল্টানোর দরকার নেই। তবে অন্দরে সাজসজ্জার কিছু পরিবর্তন করে বাড়াতে পারেন উজ্জ্বলতা, সেই সঙ্গে ঘরও উষ্ণ হয়ে উঠবে৷ এর জন্য অবশ্য দেয়ালের রং পাল্টে ফেলতে হবে না৷ মজার ব্যাপার হলো, ঘরে উষ্ণ ভাব আনতে হিটারের প্রয়োজন নেই। কয়েকটি রং আর বাতির আলো-আঁধারির খেলাতেই ঘরে উষ্ণ একটা ভাব চলে আসবে। অন্দরসজ্জাবিদেরা এমনটাই জানালেন।

ঘরের টুকিটাকি জিনিসপত্র বদলেই অন্দরের সাজসজ্জায় পরিবর্তন আনা যেতে পারে—বললেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার গুলসান নাসরিন চৌধুরী। লাল, কমলা, হলুদ এই তিনটি রঙের উপস্থিতিতেই ঘরের শীতল ভাবটি বিদায় নেবে। পর্দা, বিছানা ও ডিভানের চাদর, সোফার কভার, কুশন, খাবার ঘরের টেবিল ক্লথ, রানার বদলানো তো খুব কঠিন নয়। সব যে একসঙ্গে পাল্টে ফেলতে হবে, তা-ও নয়। শুধু পর্দা, বিছানার চাদর, সোফার ব্যাগ, টেবিলের রানার, চেয়ারের কভার এসব জায়গাতে উজ্জ্বল এই তিনটি রঙের কাপড় ব্যবহার করা যেতে পারে।

গুলসান নাসরিন চৌধুরীর পরামর্শ—এখনকার আবহাওয়ায় একটু ভারী সিনথেটিক কাপড়ের পর্দাই ভালো। কারণ, শীতকালে মোটা কাপড় সহজে শুকাতে চায় না, তবে সিনথেটিক কাপড় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শুকিয়ে যায়। তা ছাড়া ভারী কাপড় ভেদ করে বাইরের হিম বাতাস এবং ধুলাবালিও ভেতরে ঢুকতে পারে না। শীতকালে জানালায় দুই স্তরের পর্দা ব্যবহার করলে ভালো। ভেতরের দিকে নেটের পর্দা দিয়ে, ওপরে ভারী আরেকটি পর্দা রাখতে পারেন। তাহলে দিনের বেলায় ভারী পর্দাটি সরিয়ে নিলেই শীতের মিষ্টি রোদ ঘরে ঢুকে পড়বে।
অন্দরসজ্জাবিদ সাবিহা কুমু জানিয়েছেন, ক্যানভাস, পাহাড়ি সুতি কাপড়, পাট এবং সিনথেটিক উপাদানের পর্দা এ সময় বেশ উপযোগী।
এবার আসা যাক বসার ঘরের সাজে। সোফার কভার যদি হয় চাপা সাদা তাহলে লাল রঙের হতে পারে সোফার ব্যাগগুলো। আবার সোফার কভার একরঙা হলে কুশন হতে পারে ছাপা নকশার। লাল, হলুদ, কমলা এই রংগুলোর সঙ্গে চাপা সাদার সমন্বয় খুব ভালো মানায়। অবশ্য এই তিনটি রঙের মধ্যে থেকে কোনটি বেছে নেবেন, তা আপনার ঘরের দেয়াল ও আসবারের রঙের ওপর নির্ভর করবে। ঋতুভেদে পুরো বাড়ির রং তো আর বদলে ফেলা যায় না, তবে বিশেষজ্ঞরা এমন কিছু রঙের কথা জানিয়েছেন যা সারা বছরই চোখকে আরাম দেবে। যেমন: নীল, সবুজাভ, বাদামি।
মাঝখানের চেয়ারে কভারের ব্যবহারের চল উঠে গিয়েছিল৷ অন্দরসজ্জায় এখন আবার সেটা ফিরে আসছে বলে জানালেন গুলসান নাসরিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘রং মিলিয়ে টেবিল ক্লথ, চেয়ার কভার, ম্যাট ও রানার ব্যবহার করলে ভালো দেখাবে।’

শোয়ার ঘরের জন্য বেড কভার হিসেবে বেছে নিতে পারেন রানি গোলাপি, লাল, সোনালি, হলুদ বা চকলেট রং। এর সঙ্গে থাকতে পারে কালো বা ছাই রঙের মিশেল। অন্য সময় যে রঙের চাদরগুলো বেশি চোখে লাগত তা এখন অনায়াসে বিছিয়ে নিতে পারেন—জানালেন সাবিহা কুমু। শোয়ার ঘরের পর্দাটা হতে পারে গাঢ় নীল এবং চাপা সাদার সমন্বয়ে। হতে পারে সোনালি রঙের ব্যবহার, এই রঙের সুবিধা হলো গরম বা শীত যেকোনো সময়েই মানিয়ে যায়।


বাড়ির কিছু জায়গায় শীতকালে কার্পেটিং করা যেতে পারে। বসার ঘর, শোয়ার ঘর কিংবা বাড়িরযেসব জায়গায় বেশি সময় কাটানো হয় সেই জায়গাগুলোতে পুরো মেঝেজুড়ে বা কিছু অংশে কার্পেট পাততে পারেন।
সন্ধ্যা নেমে এলে হালকা হলদে বাতি বা ওয়ার্ম লাইট জ্বালিয়েও ঘরটাকে উষ্ণ করে তোলা সম্ভব। ঘরের কোনায় তিন স্তরের ল্যাম্প শেড রাখা যেতে পারে। এটি সিলিং থেকে ঝুলন্ত হতে পারে, আবার টেবিল ল্যাম্পও হতে পারে। এটি নির্ভর করছে আপনার ঘরের আকার এবং অন্য আসবাবের ধরনের ওপর।
সাবিহা কুমু বলেন, কেবল বৈদ্যুতিক বাতি দিয়ে নয়, রং-বেরঙের মোম জ্বালিয়েও ঘরের ভেতরে উষ্ণ একটা ভাব নিয়ে আসতে পারেন। স্বচ্ছ কাচের বোল বা মাটির বড় সরায় পানি ভরে তার ওপর ফুল অথবা ফুলের পাপড়ি আর সঙ্গে কয়েকটি মোম জ্বালিয়ে ভাসিয়ে দিন। ঘরের এক কোণে বা মাঝ বরাবর রেখে দিলে তা দেখতেও নান্দনিক হবে আর ঘরও থাকবে খানিকটা গরম।
আর শীতের এই সময়টায় প্রচুর রঙিন ফুল পাওয়া যায়; তা গুচ্ছ করে সাজিয়ে ফুলদানিতে রাখলেও কিন্তু ঘরের উজ্জ্বলতা বাড়ে, অন্দরে ফিরে আসে প্রাণ। শীতের রুক্ষতা কাটিয়ে ঘরে চলে আসবে বসন্ত।

সূত্রঃ প্রথম আলো

মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ঠোঁট থাকুক কোমল!



সূর্যের তাপ, ধূমপান, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ, হরমোনের অসামঞ্জস্যতা ইত্যাদি কারণে ঠোঁট কালচে হয়ে যেতে পারে। রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ঠোঁট কোমল ও গোলাপি করার কিছু টিপস উল্লেখ করা হয়।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট অবলম্বনে সহজলভ্য ও ঘরোয়া উপাদানে ঠোঁটের যত্ন নেওয়ার কিছু পন্থা এখানে দেওয়া হল।

গোলাপ: আর্দ্রতা এনে ত্বকের সাধারণ সমস্যা উপশমের মাধ্যমে শীতলতা জোগায় গোলাপ। তাছাড়া ঠোঁটে গোলাপি আভাযুক্ত করে এই ফুল। তাই গোলাপ দিয়ে ঘরেই লিপবাম তৈরি করা যায়।

কয়েক ফোঁটা মধুর সঙ্গে এক ফোঁটা গোলাপ জল মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। এটি দিনে তিন বার ব্যবহার করা যাবে। এতে ঠোঁট কোমল থাকবে এবং নিয়মিত ব্যবহারে গোলাপি আভা আসবে।

বিট: প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদানে ভরপুর। তাই ঠোঁটের কালচেভাব দূর করতে এটি বেশ উপকারী।

রাতে ঘুমানোর আগে ঠোঁটে খানিকটা তাজা বিটের রস লাগিয়ে নিন। সকালে ধুয়ে ফেলুন। বিটের লালচে রং ঠোঁটের কালচেভাব দূর করে আলাদা গোলাপিভাব যুক্ত করবে।

বেদানা: শুষ্ক ও মলিন ঠোঁটে পুষ্টি জুগিয়ে আর্দ্রতার মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে বেদানা। পাশাপাশি ঠোঁটে গোলাপি আভা যুক্ত করে।

এক টেবিল-চামচ বেদানার দানা থেঁতলে খানিকটা ক্রিম ও গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এই মিশ্রণ স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। আলতো করে ঘষে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

শসা: ত্বকের যত্নে শসা কতটা উপকারী তা নতুন করে বলার কিছু নেই। চোখের কালচে দাগ বা কালি দূর করতে এটি দারুণ উপকারী। তেমনি ঠোঁটের যত্নেও এটি সমানভাবে ব্যবহার উপযোগী।

এক টুকরা শসা ঠোঁটের উপর হালকা করে ঘষতে হবে। রস পুরোপুরি ত্বক শুষে নেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। প্রতিদিন পাঁচ মিনিট সময় ব্যয় করুন এই কাজে, উপকার পাবেন।

কাঠবাদামের তেল: প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি ঠোঁটের কালচে দাগ দূর করতেও এই তেল বেশ উপকারী।

পাঁচ থেকে ছয় ফোঁটা কাঠবাদামের তেলের সঙ্গে এক টেবিল-চামচ মধু মিশিয়ে যখনই ঠোঁট শুষ্ক মনে হবে ত্বকে লাগিয়ে নিন। কয়েক দিন নিয়ম করে ব্যবহারে নিজেই পার্থক্য লক্ষ্য করতে পারবেন।

জানুন কীভাবে কাঁচের মতো চকচকে নখ পাবেন



ওয়েব ডেস্ক: তেল চকচকে নখই এখন নতুন ফ্যাশন। আপনার নখ যদি চকচক না করে, তাহলে আপনি মোটেই ফ্যাশনেবল নন। চুল, ত্বক, ঠোঁট এবং নখ যত বেশি চকচকে হবে, তত আপনাকে সুন্দর দেখতে লাগবে। কিন্তু চকচকে নখ পাওয়া মোটেই সহজ নয়। নেলপলিশ লাগানোর পর তাতে জল লাগলেই তা থেকে চকচকে ভাব উঠে যেতে থাকে। তাহলে কীভাবে রাখবেন নখ চকচকে? জেনে নিন-

চকচকে নখ পাওয়া প্রক্রিয়া শুরু করার আগে জেনে রাখুন, এর জন্য মেটালিক রঙ যেমন, মেটালিক গ্রে, নীল, সবুজ, পার্পল রং বেছে নিন।

১) প্রথমে নখে বেস কোটিং করুন।

২) বেস কোটিং শুকনো হয়ে গেলে কালো রঙের নেলপলিশ পুরো নখে ভালো করে লাগান।

৩) এবার এই নেলপলিশটিকে অল্প শুকনো হতে দিন। অর্ধের শুকিয়ে এলে নখে মেটালিক রঙের নেলপলিশ ব্যবহার করুন। নীল, সবুজ, পার্পল বিভিন্ন রং নখের বিভিন্ন অংশে ব্যবহার করতে পারেন।

৪) এবার ক্রোম পাউডার ব্যবহার করুন নখের উপর।

৫) নখকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে, বিভিন্ন রং মিশিয়ে নখে ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে রামধনু এফেক্ট আসবে।

৬) নখ শুকিয়ে গেলে আর একবার নেলপলিশ ব্যবহার করুন।

বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য ৮ টিপস!



আপনার চারপাশেই রয়েছে অজস্র প্রাকৃতিক উপাদান যা নামমাত্র খরচে, বিনা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় আপনাকে করে তুলতে পারে আরও বেশি ফর্সা ও উজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী। ভাবছেন কীভাবে? চলুন জেনে নিই।

১। ত্বকের রঙ আরও ফর্সা করার জন্য দই লাগান মুখে। মিনিট কুড়ি রাখুন, এরপর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন এরকম লাগাতে হবে।

২। সারা গায়ের রঙ উজ্জ্বল করতে বেসন, দই আর সামান্য হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। গোসলের সময় সাবানের বদলে এটি ব্যবহার করুন নিয়মিত।

৩। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা মুগের ডাল গুঁড়ো করে সামান্য পানিতে মিশিয়ে প্রত্যেক সপ্তাহে একদিন করে মুখে স্ক্রাব করুন। কারণ ত্বকের ওপরে মরা কোষের পরত জমে মুখের ত্বক কালো দেখায়।

৪। আধা টুকরো পাকা কলা নিন। ভালোভাবে চটকে নিয়ে এতে কয়েক ফোঁটা শসার রস মেশান, মুখে গলায় লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৫। সারা গায়ের ত্বক উজ্জ্বল করতে বেসন ও খাঁটি সরিষার তেল একসাথে মিশিয়ে গোসলের আগে সারা গায়ে মেখে নিন। ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৬। শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের জন্য দারুণ একটি টিপস হল ৫০ গ্রাম আমন্ড গুঁড়ো, ২ চামচ দুধের মাঠা, গোটা একটা লেবুর রস, ২ চামচ চায়না ক্লে তারপর সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে মুখ ও গলায় লাগান। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৭। স্বাভাবিক ত্বকের অধিকারীরা আরও একটি উপায়ে ফর্সা হতে পারেন। ১ চামচ চন্দনবাটা , ১ চামচ পাকা পেঁপের শাঁস একসঙ্গে মিশিয়ে সারা মুখে মেখে নিন। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

৮। যদি আপনার ত্বক তৈলাক্ত হয়ে থাকে তাহলে, ৪ চামচ চন্দন গুঁড়ো, ১ চামচ মুলতানি মাটি, ১ চামচ কমলালেবুর খোসার শুকনো গুঁড়ো, দুধ দিয়ে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

৩ মিনিটেই তৈরি করুন মজাদার রেড ভেলভেট কেক



“কেক” খাবারটি খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুব কমই আছে। বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় একটি কেক হল রেড ভেলভেট। বড় বেকারি শপ ছাড়া এই কেকটি পাওয়া যায় না। তাই খেতে ইচ্ছা করলেও সব সময় খাওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না। পছন্দের এই কেকটি আপনি চাইলে যখন তখন খেতে পারেন। ভাবছেন কীভাবে? খুব সহজে, মাত্র ৩ মিনিটে রেড ভেলভেট কেক ঘরে তৈরি করে নেয়া যায়। আসুন তাহলে মজাদের এই কেকের রেসিপিটি জেনে নেওয়া যাক।

উপকরণ:

৪ টেবিল চামচ ময়দা

১/৮ চা চামচ বেকিং পাউডার

৪ টেবিল চামচ চিনি

২ টেবিল চামচ কোকো পাউডার

৩ টেবিল চামচ দুধ

৩ টেবিল চামচ তেল

১টি ডিম

১/২ চা চামচ রেড ফুড কালার

ক্রিমের জন্য:

৪ টেবিল চামচ মাখন

ক্রিম চিজ

১/২ চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স

১ কাপ চিনির গুঁড়ো

প্রণালী:

১। একটি পাত্রে ময়দা, বেকিং পাউডার, কোকো পাউডার, দুধ, তেল, চিনি এবং ডিম দিয়ে ভাল করে ফেটুন।

২। এরপর এতে লাল ফুড কালার দিয়ে ভাল করে মেশান।

৩। মিশ্রণটি মগে ঢালুন।

৪। এবার মাইক্রোওয়েভে ৭০ পাওয়ারে ২-৩ মিনিট বেক করতে দিন।

৫। আরেকটি পাত্রে মাখন এবং ক্রিম চিজ ভাল করে বিট করুন। এরসাথে ভ্যানিলা এসেন্স এবং চিনির গুঁড়ো দিয়ে দিন।

৬। মগ কেকের উপর এই ক্রিম দিয়ে দিন।

৭। ব্যস তৈরি হয়ে গেল দোকানের মত রেড ভেলভেট মগ কেক।

সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

রান্না করা মাংস খাওয়ার পর বেঁচে গিয়েছে! তাহলে তৈরি করে নিন এই মজাদার মাংস ঝুরি!


একে আবার মাংস ভর্তা কিংবা মাংসের শুটকিও বলা হয়। রেসিপি দিয়েছেন আনার সোহেল।
উপকরণ: মসলা ছাড়া ভুনা মাংস ১ কাপ (থেতলে নেওয়া)। শুকনা মরিচ ৪ টি (সরিষার তেলে ভেজে নিতে হবে)। পেঁয়াজকুচি বড় ১টি। লবণ স্বাদ মতো। ধনেপাতা-কুচি ১ মুঠো। সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ।
পদ্ধতি: কাবাব দিয়েও করা যায় এটা।
প্রথমে মাংস হাত দিয়ে ঝুরি করে নিন। এবার একটি বাটিতে পেঁয়াজ কুচি, শুকনা টালা বা ভাজা মরিচ ভেঙে নিন এবং ধনেপাতা, লবণ দিয়ে ভালো করে মাখান।
সঙ্গে মাংসের ঝুরি মিশিয়ে সরিষার তেল দিয়ে মাখান। ব্যস হয়ে গেল মজাদার মাংসের ভর্তা।
গরম ভাত কিংবা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন।

ঈদ রাঙাতে নানা আয়োজন আর বাহারি ঢঙে সেজে উঠেছে ঢাকার বিনোদন কেন্দ্রগুলো!

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে টানা ছয়দিনের ছুটিতে কর্মজীবীদের একটা বড় অংশ ইতোমধ্যে গ্রামের বাড়িতে চলে গেলেও যেসব নগরবাসী রাজধানীতেই থাকছেন তাদের ঈদ রাঙাতে নানা আয়োজন আর বাহারি ঢঙে সেজে উঠেছে ঢাকার বিনোদন কেন্দ্রগুলো।

ঈদুল আজহায় কোরবানির ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় দিনের প্রায় অর্ধেকের বেশি সময় কেটে গেলেও এরপর ঈদের দিন বিকাল থেকেই এসব বিনোদন কেন্দ্রে সব বয়স আর শ্রেণি পেশার মানুষের ঢল নামবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।
উপচে পড়া ভিড় সামলে নগরবাসীকে ‘নিরাপদ বিনোদন সেবা’ দিতে প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছে বিনোদনকেন্দ্রগুলো। জঙ্গি হামলার আশঙ্কাকে মাথায় রেখে বেশ কয়েকটি স্তরে নিরাপত্তা বলয় তৈরির কথাও জানিয়েছে কেউ কেউ।



ঈদ উপলক্ষে বরাবরের মতো শাহবাগের শিশুপার্ক ও জাতীয় জাদুঘরে এবং জাতীয় চিড়িয়াখানায় শিশু-কিশোরদের ঢল নামবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
শাহবাগ শিশুপার্কের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সহকারী ইঞ্জিনিয়ার মো. নূরুজ্জামান বলেন, ঈদে বরাবরই বাড়তি চাপ থাকে। তবে শিশু-কিশোরদের বিনোদনের বিষয়টি মাথায় রেখে শিশু পার্ক নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।
বাড়তি চাপ সামলাতে কর্মচারীরাও সব সময় তৎপর থাকবে বলে জানান তিনি।

 ঈদ উপলক্ষে সকাল ৮টা থেকেই দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানার ফটক।
ঈদের বাড়তি ভিড় সামলাতে এবং দর্শনার্থীদের ঈদ আনন্দ ‘শান্তিপূর্ণ’ করতে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ ‘বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা’ নিয়েছে বলে জানান কিউরেটর নজরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “নিরাপত্তার ইস্যুটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি আমরা। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট চিহ্নিত করে আমরা সেখানে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাদের পাশাপাশি থাকবে আনসার বাহিনী।
“এবার বাড়তি ভিড়ে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আমরা খুব তৎপর থাকছি,” বলেন চিড়িয়াখানার কিউরেটর নজরুল।

জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ঈদ উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য প্রদর্শিত হবে তিনটি শিশুতোষ সিনেমা।
১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৩টায় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে প্রদর্শিত হবে আফজাল হোসেন পরিচালিত ‘ছোট কাকু’ সিরিজের ‘রাতবিরাতে সাতক্ষীরাতে’।
১৪ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৩টা ও ১৬ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৩টায় আশরাফ শিশিরের ‘গাড়িওয়ালা’ সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে।
মোরশেদুল ইসলামের ‘দুরত্ব’ সিনেমাটি দেখানো হবে ১৪ ও ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টায়।



রাজধানী ছেড়ে খানিক দূরে বিনোদনকেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডম ও নন্দন পার্ক। ঈদ উপলক্ষে তরুণ প্রজন্মের বিনোদন পিয়াসীদের কথা মাথায় রেখে এই দুই কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি।
ফ্যান্টাসি কিংডমের গণযোগাযোগ কর্মকর্তা মাহফুজ আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, পার্কের কনকর্ড, ওয়াটার কিংডম কনকর্ড, হেরিটেজ পার্ক কনকর্ডের নিয়মিত রাইডের সবগুলোই খোলা থাকবে ঈদ উপলক্ষে।
 তিনি বলেন, ‘ফেস্টিভ মুডে’ সাজানো ফ্যান্টাসি কিংডমের নিয়মিত আয়োজনগুলোর পাশাপাশি থাকছে ডিজে শো, অ্যাক্রোবেটিক শো ও ড্যান্স শো। তবে ঈদ উপলক্ষে কোনো ‘স্পেশাল প্যাকেজ’ বা ‘ছাড়’ থাকছে না।
সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা অবধি খোলা থাকবে ফ্যান্টাসি কিংডম। দর্শকের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে নন্দন পার্ক খোলা থাকবে ঈদের দিন দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে রাত ৮টা অবধি এবং পরের দিন থেকে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা অবধি।
নন্দন পার্কের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা জুবায়েদ আল হাফিজ জানান, এবার ঈদ উপলক্ষে পার্কের সবগুলো রাইডই খোলা থাকবে। খোলা থাকবে ওয়াটার ওয়ার্ল্ডও।
যমুনা ফিউচার পার্কে ঈদুল আযহা উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ‘ঈদ ফিয়েস্তা’।




যমুনা ফিউচার পার্ক কর্তৃপক্ষ আয়োজন করেছে ‘যত শপিং তত উপহার’ ক্যাম্পেইন। পার্কের সেন্ট্রাল কোর্টে ফ্যাশন শোর পাশাপাশি বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত থাকছে ডি জে শো।
ইস্ট কোর্টে বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত আয়োজিত মিউজিক্যাল শোতে পারফর্ম করবেন মিলা, হাসান, পথিক নবী, কণা, ন্যান্সি, শাওন, লেমিসসহ দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা।
ঈদের দিন বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা অবধি থাকছে ফায়ার ড্যান্স শো, দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা অবধি বাচ্চাদের জন্য কিডস শো, ম্যাজিক শোর পাশাপাশি ফিউচার পার্কে থাকবে ফায়ার ওয়ার্কস শো।
যমুনা ফিউচার পার্কের মার্কেটিং, সেলস অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আলমগীর আলম বলেন, “ঈদের আনন্দকে দ্বিগুণ করতে এবার আয়োজনের কমতি নেই আমাদের। নিরাপত্তার বিষয়টিও বিবেচনা করে আমরা সিকিউরিটি ফোর্সদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে বলেছি।”

চলচ্চিত্রমোদী দর্শকের জন্য স্টার সিনেপ্লেক্স ১২ অগাস্ট মুক্তি দিচ্ছে হলিউডের সিনেমা ‘ব্যাড মমস’। জন লুকাস ও স্কট মুরের যৌথ পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন মিলা কুনিস, ক্রিস্টেন বেল, ক্যাথরিন হ্যানসহ আরও অনেকে।
প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে রাজধানীর অন্যতম প্রেক্ষাগৃহ যমুনা ব্লকবাস্টারস সিনেমাস, বলাকা সিনেওয়ার্ল্ড, মধুমিতা ও শ্যামলী সিনেপ্লেক্স।
ঈদুল আযহা উপলক্ষে নির্মিত ঢাকাই সিনেমা ‘শুটার’ প্রদর্শন করবে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী প্রেক্ষাগৃহ মধুমিতা। সিনেমাটিতে শাকিব খান জুটি বেঁধেছেন নবাগত নায়িকা শবনম বুবলির সঙ্গে।

শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ঈদে ঘুরে আসুন তৌকীর আহমেদ ও বিপাশা হায়াতের স্বপ্নের নক্ষত্রবাড়িতে!


এবার ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন থাকছে তারকা দম্পতি তৌকীর আহমেদ ও বিপাশা হায়াতের স্বপ্নের নক্ষত্রবাড়িতে। কর্মব্যস্ত নাগরিক জীবনে হাঁপিয়ে ওঠে অনেকেই খোঁজেন প্রশান্তির ছোঁয়া। একেবারে নিরিবিলি, মনোরম ও স্নিগ্ধ পরিবেশে ঈদের ছুটিতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে দু-দণ্ড প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে ঘুরে আসতে পারেন  নক্ষত্রবাড়ি।
নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট এন্ড কনফারেন্স সেন্টার এর সহকারি বিক্রয় –বিপণন ও জনসংযোগ কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আল সুমন বলেন, ঈদে অতিথিদের স্বাগত জানাতে নক্ষত্রবাড়ি প্রস্তুত।
সুমন বলেন, আধুনিক স্থাপত্যশিল্প আর নয়নাভিরাম প্রকৃতির মাঝে অতিথিদের সময়কে উপভোগ্য করে তুলতে চমৎকার সব ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। রয়েছে রেস্তোরাঁ, ওয়াটার বাংলো, সুইমিং পুল, জুস বার ,বিলিয়ার্ড ও  বোটিং এর ব্যবস্থা।
এছাড়া অতিথিদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে থাকবে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ভাড়া: পানির ওপর কটেজগুলো ২৪ ঘণ্টার ভাড়া ১০ হাজার ৭৫২ টাকা। বিল্ডিং কটেজের ভাড়া কাপলবেড ৮ হাজার ২২২ টাকা এবং টু-ইন বেড ৬ হাজার ৯৫৮ টাকা। দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশ মূল্য ৫০০ টাকা। এছাডা সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত থাকতে চাইলে ব্যয় করতে হবে মাত্র ২ হাজার পাঁচশত টাকা। যেখানে সকালের নাস্তা , দুপুরের বুফে লাঞ্চ ও বিকেলের নাস্তা থাকছে।
যোগাযোগ: ০১৫৫১ ২২২২১১, ০১৭৭২২২৪২৮১-৮৪।
 

এবার ঈদের ছুটিতে টেকনাফ ঘুরে আসতে পারেন!


কক্সবাজার কিংবা সেন্ট মার্টিনে সারা বছরই পর্যটকদের ঢল থাকে। তবে এমন অনেকে আছেন, যারা কক্সবাজার গিয়েও টেকনাফ না বেড়িয়েই চলে আসেন। অথচ নাফ নদী, জলিলের দিয়া, নেটং পাহাড়, কুদুম গুহা আর সাদা বালুর নিরিবিলি সৈকতের হাতছানি এড়ানো ভ্রমণপিপাসুদের জন্য সত্যি কঠিন। এবার ঈদের ছুটিতে তাই টেকনাফ ঘুরে আসতেই পারেন।
সমুদ্রসৈকত টেকনাফ: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শেষ সীমানা হচ্ছে টেকনাফ। এবার সৈকতে হাজার হাজার পর্যটকের সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখানে সেন্ট্রাল রিসোর্ট হোটেলে চাইলে রাত যাপন করা যায়। হোটেল লবি থেকে দেখা যাবে সাগরসৈকত। টেকনাফ পুরোনো বাসস্টেশন থেকে রিকশা, অটোরিকশা ও চাঁদের গাড়িযোগে (জিপ) সমুদ্রসৈকতে যাওয়া যায়। জিরো পয়েন্ট থেকে চার কিলোমিটার দূরে টেকনাফ সমুদ্রসৈকত। সেখানে গিয়ে দেখতে পাবেন সারিবদ্ধ লাল কাঁকড়া, শামুক, ঝিনুক, জেলেদের মাছ ধরার অপরূপ দৃশ্য। টেকনাফ সৈকত পাড় থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার উত্তরে শীলখালী নামের স্থানে গেলে দেখতে পাবেন বিশাল আকৃতির সব পাথর। টেকনাফ থেকে নয় কিলোমিটার দক্ষিণ শাহপরীর দ্বীপের ঘোলাপাড়ায় ডোবাচরও দেখে আসা যায়। শীত মৌসুমে এখানে বিপুলসংখ্যক অতিথি পাখির সমাগম ঘটে।

 মথিনের কূপ:
টেকনাফ বাস টার্মিনাল থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে পুলিশ কোয়ার্টার প্রাঙ্গণে অবস্থিত ঐতিহাসিক মাথিনের কূপ। কলকাতার পুলিশ কর্মকর্তা ধীরাজ ভট্টাচার্যের সঙ্গে টেকনাফের জমিদার ওয়ানথিনের একমাত্র কন্যা মাথিনের নিবিড় প্রেমের সাক্ষী এই কূপ। এই কূপ থেকেই পানি সংগ্রহ করতে গিয়ে ধীরাজের সঙ্গে দেখা হয় মাথিনের।
নেটং পাহাড়: শহর থেকে দুই কিলোমিটার দূরে নেটং পাহাড়ে গিয়ে বন্য সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। এই পাহাড়ে হাতি, হরিণ, বানর, ভুতুম প্যাঁচা, পাহাড়ি মুরগি, ময়ূর, মেছো বাঘসহ কয়েক প্রজাতির পশুপাখির বসবাস। নেটং পাহাড়ে যাওয়ার পথে পড়বে পাহাড়ের গা বেয়ে নামা ঝিরি-ঝরনা। পাহাড়ের চূড়ায় উঠলে দেখা যায় পাহাড় সারি আর নাফ নদীর অপরূপ দৃশ্য। এই পাহাড়ের খুব কাছেই রয়েছে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় তৈরি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বাংকার ও ব্রিটিশ স্থাপনা টি অ্যান্ড টি ভবন। এখানে সরু পাহাড়ি পথ ধরে হেঁটে প্রাচীন বৌদ্ধমন্দিরও দেখে আসতে পারেন। নেটং পাহাড়ের প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে মোছনী নামক স্থানে প্রান্তিক লেক ও ন্যাচারাল পার্ক অবস্থিত। হাতে সময় থাকলে একই যাত্রায় প্রান্তিক লেক ও ন্যাচারাল পার্ক ঘুরে আসতে পারেন। পার্কের পাশেই একটি নিরিবিলি হ্রদের তীরে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে চলে আসতে পারেন। তবে এ জায়গায় দল বেঁধে যাওয়াই ভালো। পার্কে প্রবেশ ফি ১০ টাকা।


নাফ নদী ও জলিলের দিয়া:
যেকোনো এক বিকেলে বেরিয়ে পড়ুন নাফ নদীতে সময় কাটাতে। এ সময় নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকা দিয়ে হাঁটতে বেশ ভালোই লাগবে। নাফ নদীর মাঝখানে টেকনাফ স্থলবন্দরের পূর্ব পাশে জলিলের দিয়ার অবস্থান। যুগ যুগ ধরে টেকনাফের কিছু লোক ওই দ্বীপে চিংড়ি ও লবণের চাষাবাদ করে আসছিল। বর্তমানে সেখানে গড়ে তোলা হচ্ছে বিশেষ পর্যটন এলাকা। টেকনাফ সদর থেকে নাফ নদীর দূরত্ব প্রায় দেড় কিলোমিটার। অনেকে শহরের দিকে না গিয়ে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত পর্যটন হোটেল নেটং, সড়ক ও জনপথ বিভাগের ডাকবাংলো ও বন বিভাগের বাংলোয় রাতযাপন করেন।


কুদুম গুহা:
কক্সবাজার থেকে টেকনাফ আসার পথে হোয়াইক্যং। হোয়াংক্যংয়ের পাহাড়ে কুদুম গুহার অবস্থান। হোয়াইক্যং স্টেশন থেকে পশ্চিম দিকে শামলাপুর যাওয়ার পথেই পড়বে এটি। সেখানে যেতে হলে সহযোগিতা নিতে পারেন হোয়াইক্যং বন বিভাগের বন প্রহরীদের। যেতে হবে হেঁটে। সময় লাগবে প্রায় এক ঘণ্টা।
কীভাবে যাবেন টেকনাফ: চট্টগ্রামের দামপাড়া পুলিশ লাইন, বহদ্দারহাট ও সিনেমা প্যালেস থেকে সকাল ছয়টা থেকে রাত তিনটা পর্যন্ত সৌদিয়া, এস আলম বাস চলাচল করে। কক্সবাজার এসে লিংক রোড ও জেলা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে সকাল ছয়টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত টেকনাফের বাস চলাচল করে। কক্সবাজার থেকে টেকনাফ আসতে সময় লাগে আড়াই ঘণ্টা।

এবার ঈদের ছুটিতে জুমঘরে কিছুক্ষণ সময় কাটাতে পারেন!

এবার ঈদের ছুটিতে যারা পাহাড়ে, বিশেষ করে বান্দরবানে আসবেন, তাঁরা শহরের বাইরে গিয়ে জুমঘরে কিছুক্ষণ সময় কাটাতে পারেন। সেখানে দেখতে পাবেন সবুজ পাহাড়ে সোনালি ধানে ভরে ওঠা জুমখেত। তার পাশেই পেয়ে যাবেন ছায়াচ্ছন্ন জুমঘর। সেখানে জিরোতে জিরোতে পাকা ধানের ম–ম গন্ধে অন্য রকম আবেশ তৈরি হবে। শুনতে পাবেন জুমিয়াদের ফসল কাটার রেং গীত (হুই-উ-উ ধ্বনিযুক্ত জুমচাষিদের ফসল কাটার গান)।
জুমঘরে বসে পাহাড়ের অপূর্ব নিসর্গশোভা দেখতে দেখতে জুমিয়া জীবন ও জুম সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ মিলবে। বান্দরবানে ভ্রমণকারীরা চিম্বুক পাহাড়, নীলগিরি, রুমার বগা লেক, কেওক্রাডং, তাজিংডং পাহাড়ে ও রাইনক্ষ্যং পুকুর, থানচির তিন্দু, রেমাক্রি, ডিম পাহাড়ে বেড়াতে গেলে এমন জুমঘরের দেখা মিলবে। ওই এলাকাগুলোতেই মূলত জুমচাষি পাহাড়িরা বসবাস করেন। প্রতিটি জুমখেতে ছোট-বড় একটি জুমঘর থাকে। ওই জুমঘরকে কেন্দ্র করে জুম চাষের ধান ও অন্যান্য ফসলের বীজ বপন, খেতের পরিচর্যা, ফসল আহরণসহ সবকিছু করা হয়। এখন জুমখেতের ধান পেকেছে। জুম চাষের এ ভরা মৌসুমে জুমঘরও জমজমাট হয়ে উঠেছে।
চিম্বুক পাহাড়ের জুমচাষি রেংরাং¤ম্রো বলেন, জুমিয়াদের এখন ব্যস্ততার সময় এবং একই সঙ্গে আনন্দেরও। নারী-পুরুষ সবাই মিলে সকাল থেকে ধান কাটেন। দুপুরে খাওয়াদাওয়ার জন্য অথবা বিকেলে জুমঘরে আসেন। জুমচাষ গবেষক জিরকুং সাহু বম বলেন, বান্দরবানের ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠী সবাই জুমচাষি ছিল। এ জন্য ভাদ্র-আশ্বিনের জুমখেত ও জুমঘর যাওয়ার জন্য গ্রাম-শহর সব পাহাড়িকে আন্দোলিত করে। বমেরা জুমঘরকে টলাম, মারমারা বহ্কচাং, চাকমারা মৌনোঘর বলে থাকে।
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা চথুইপ্রু মারমা বলেন, জুমঘর পাহাড়ে জুমিয়া ও জুম সংস্কৃতির ঐতিহ্যের প্রতীক। জুমঘর ছাড়া জুম সংস্কৃতি বোঝা সম্ভব নয়। ভাদ্র-আশ্বিন মাসে জুমের ধান পাকলে জুমঘরেরও আনন্দ উল্লাস বয়ে যায়। জুমিয়ারা সবাই আনন্দ-উল্লাসে ধান কাটে। নবান্ন উৎসব পালন করে। কোনো কোনো জুমচাষি কয়েক মাসের জন্য পরিবার নিয়ে জুমঘরে থাকেন। এ জন্য জুমঘরে কয়েক ঘণ্টা জুমিয়াদের সঙ্গে কাটাতে পারলে জুম সংস্কৃতি সহজে জানা ও বোঝা সম্ভব হবে।

শুধু বরফ পরিষ্কার না করে পুরো ফ্রিজ ছকচকে করে নিতে পারেন!


যে কোনো উৎসবের আগে ফ্রিজ বা রেফ্রিজারেটর পরিষ্কার করা দরকার পরে। জীবনযাপনবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট থেকে ফ্রিজ বা রেফ্রিজারেটরের বাইরের ময়লা ও ভেতরের গন্ধ দূর করতে রয়েছে নানান উপায়।

নতুন দেখাতে: ব্যবহারের কারণে সব আসবাবেই পুরানো ভাব আসে। ফ্রিজ থেকে পুরানো ভাব দূর করতে এক টুকরা মসলিন কাপড়ে অলিভ অয়েল কিংবা বেবি অয়েল নিয়ে ফ্রিজের গায়ে মাখাতে হবে। পাঁচ মিনিট রেখে আলতোভাবে তেল মুছে ফেলতে হবে।
বাজে গন্ধ: মাছ, মাংস ও অন্যান্য গন্ধ দূর করতে প্রতি সপ্তাহে একবার বেইকিং সোডা ব্যবহার করতে পারেন। স্পঞ্জ বা কাপড়ে বেইকিং সোডা নিয়ে ফ্রিজের ভেতরের অংশ মুছতে হবে।
সুন্দর গন্ধের জন্য: ভেতরে যাতে দুর্গন্ধ না হয় এজন্য তুলার বলে ভ্যানিলা এসেন্সে ডুবিয়ে ফ্রিজের মধ্যে রেখে দিতে পারেন।
ভালো মতো পরিষ্কার: ফ্রিজের ভেতরের অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে লবণ-গরম পানির মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। এক লিটার গরম পানিতে পাঁচ টেবিল-চামচ লবণ মিশিয়ে মিশ্রণটি তৈরি করতে হবে।
পঁচা খাবারের গন্ধ: পঁচা ফল ও সবজির গন্ধ দূর করতে ফ্রিজের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করতে পারেন টমেটোর জুস দিয়ে। পরে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।
দাগ দূর: ফ্রিজের ভেতরে ও বাইরের দাগ দূর করার জন্য এক টুকরা কাপড় ক্লাব সোডায় ডুবিয়ে দাগ লেগে থাকা অংশটি মুছে নিতে হবে।
ময়লা থেকে বাঁচাতে: ফ্রিজের ভেতরের তাকগুলোকে নোংরা হওয়া থেকে বাঁচাতে পুরানো টেবিল ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন। এতে ফ্রিজ পরিষ্কার করাও সহজ হবে। বাজারে ফ্রিজ ম্যাটও পাওয়া যায়।
টাটকা রাখতে: ফ্রিজের ট্রেগুলো ফল-সবজি রাখার কারণে যাতে নষ্ট না হয় এজন্য ট্রেগুলোতে বাবল র‌্যাপ বিছিয়ে দিতে পারেন।
ছত্রাক থেকে রক্ষা: ফ্রিজের গায়ের কালো ছাপ এবং কোনায় জমে থাকা ময়লা দূর করতে সমপরিমাণ হোয়াইট ভিনিগার ও পানির মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন।
নিচের অংশ ভালো রাখতে: ফ্রিজের নিচের অংশ পরিষ্কার করতে ‘মপ' ব্যবহার করতে পারেন। পুরানো পায়জামা, লেগিংস ইত্যাদি কেটে হ্যাঙারে জুড়ে দিয়ে ঘরেই বানিয়ে ফেলতে পারেন এমন ‘মপ’।

এবারের ঈদের কেনাকাটায় যেসব ফ্যাশন হাউসে ছাড় দেওয়া হচ্ছে-

ঈদ সামনে রেখে বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসে চলছে মূল্যছাড়। ছাড় দেওয়া হচ্ছে নানা ধরনের পোশাক ও ফ্যাশন অনুষঙ্গে। তবে ছাড় নিয়ে অনেকেরই অভিযোগ, ছাড়ের পণ্যে দাম বাড়িয়ে তারপর ছাড় দেওয়া হয়। কতটুকু সত্য সেটা?
ফ্যাশন ব্র্যান্ড ওটুর স্বত্বাধিকারী ও ডিজাইনার জাফর ইকবাল বলেন, ‘এমন ঘটনা কোনো ব্র্যান্ডের দোকানে হওয়ার কথা নয়। কারণ, যেসব দোকানে বারকোড দিয়ে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করা হয়, সেখানে আবার দাম বাড়িয়ে নতুন দাম সেট করা বেশ কষ্টকর। এ ছাড়া ব্র্যান্ডের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে মূল্যছাড়ে দাম বাড়িয়ে দেওয়া তো বোকামি।


ইনফিনিটি

২০ থেকে ৬০ শতাংশ ছাড়ে ইনফিনিটির আউটলেট থেকে কিনতে পারেন ছেলে, মেয়ে ও শিশুদের পোশাক। তবে বসুন্ধরা সিটির ইনফিনিটির আউটলেট এখন বন্ধ আছে। ইনফিনিটির পরিচালক মুনিরুল ইসলাম খান বলেন, ‘সম্প্রতি বসুন্ধরা সিটিতে আগুন লাগার কারণে আউটলেটটি সাময়িকভাবে বন্ধ আছে। তাই সেখানে গেলে ক্রেতারা কোনো পোশাক পাবেন না।’ রিচম্যান
ছেলেদের পোশাকের জনপ্রিয় ব্যান্ড রিচম্যানের বিভিন্ন শাখায় নির্দিষ্ট পোশাকে ২০ থেকে ৬০ শতাংশ মূল্যছাড়ে কেনাকাটা করা যাবে। আছে ছেলেদের ফরমাল শার্ট, ক্যাজুয়াল শার্ট, টি-শার্ট, পোলো শার্ট, ফরমাল ও গ্যাবার্ডিন প্যান্ট ইত্যাদি।
আড়ং
ঈদ উপলক্ষে ফ্যাশন ব্র্যান্ড আড়ং ক্রেতাদের জন্য বেশ কয়েক ধরনের সুবিধা দিচ্ছে। কেনাকাটার পর বিকাশে মূল্য পরিশোধ করলে ১০ শতাংশ টাকা ফেরত পাওয়া যাবে। ইস্টার্ন ব্যাংকের ডাইনারস ক্রেডিট কার্ডে কেনাকাটা করলে ১০ শতাংশ ছাড় আর লংকা বাংলার গ্রাহকেরা পাবেন ১২ শতাংশ ছাড়।
ওটু
তিনটি ধাপে পোশাকের ওপর ছাড় দিচ্ছে ফ্যাশন হাউস ওটু। ৩০, ৫০ ও ৭০ শতাংশ ছাড়ে এখানে কেনা যাবে পণ্য। তবে শুধু ঈদুল আজহার জন্য তৈরি নতুন পোশাকে এই ছাড় পাওয়া যাবে না।
ক্যাটস আই
ঈদ উপলক্ষে ক্যাটস আই থেকে কমপক্ষে ২টি পোশাক কিনলেই মিলবে ছাড়। একটি পোশাক কেনার পর দ্বিতীয় পোশাকে ২০ শতাংশ মূল্যছাড় দেবে ক্যাটস আই।
বিশ্বরঙ
বিশ্বরঙের মেম্বারশিপ কার্ডধারীরা কেনাকাটায় ১০ শতাংশ মূল্যছাড় পান তাদের যেকোনো পণ্যে। তবে এই মেম্বারশিপ কার্ড পেতে হলে গ্রাহককে আগে একসঙ্গে ২০ হাজার টাকার কেনাকাটা করতে হতো। ঈদ ও পূজা উপলক্ষে সেই সুবিধা ক্রেতাদের হাতের নাগালে নিয়ে এসেছে বিশ্বরঙ। এখন মাত্র দুই হাজার টাকার কেনাকাটা করেই সেই মেম্বারশিপ কার্ড পাওয়া যাবে। এই সুবিধা মিলবে দুর্গাপূজা পর্যন্ত।
মেনজ ক্লাব
নির্দিষ্ট মূল্যে মেনজ ক্লাব থেকে কেনাকাটার পর বিকাশে সেই টাকা পরিশোধ করলে বিকাশ অ্যাকাউন্টে ১৫ শতাংশ ক্যাশ ব্যাক পাওয়া যাবে। এই সুবিধা পাওয়া যাবে মেনজ ক্লাবের সব শো রুমে।
একস্ট্যাসি
একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কেনাকাটায় গিফট ভাউচার দিচ্ছে একস্ট্যাসি। ৫ হাজার টাকার কেনাকাটা করলে সঙ্গে সঙ্গে ৫০০ টাকার একটি গিফট ভাউচার দেবে তারা। যে ভাউচার দিয়ে একস্ট্যাসিতেই পরের কেনাকাটায় ব্যবহার করতে পারবেন।
দেশাল
দেশালের নির্দিষ্ট পণ্যে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় চলছে। তবে এই সুবিধা দেশী দশ বাদে দেশালের একক শো রুমগুলোতে পাওয়া যাবে।
রঙ বাংলাদেশ
ইবিএলের যেকোনো কার্ডধারী রঙ বাংলাদেশ থেকে কেনাকাটায় পাচ্ছেন ১০ শতাংশ ছাড়। এই সুবিধা মিলবে দেশী দশ ছাড়া তাদের অন্য সব শো রুমে। এ ছাড়া বিকাশে পেমেন্ট করলে এখানে মিলবে ১০ শতাংশ ক্যাশব্যাক।
জেন্টল পার্ক
ঈদ পর্যন্ত ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কেনাকাটার সুবিধা দিচ্ছে জেন্টল পার্ক।
সেইলর
ঈদে সেইলরের নতুন পোশাক ছাড়া বাকি সব পণ্যে ছাড় চলছে। এখানে পোশাক থেকে জুতা বা ব্যাগ যেকোনো পণ্যেই মিলবে ছাড়। ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় পাবেন সেইলরের আউটলেটে।
অঞ্জনস
অঞ্জনসের পণ্য অনলাইন শপ বাগডুম ডটকম থেকে কেনার ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক কার্ডধারীরা পাবেন ১৫ শতাংশ ছাড়।
ইয়েলো
ঈদ উপলক্ষে পোশাক কেনাকাটায় ইয়েলোতেও মিলবে ক্যাশ ব্যাক। বিকাশ ও আইএফআইসি মোবাইল ব্যাংকিং থেকে টাকা পরিশোধ করলে ১০ শতাংশ ক্যাশ ব্যাক পাওয়া যাবে।
আর্টিস্টি
ফ্যাশন হাউস আর্টিস্টির সব পণ্যে পাওয়া যাবে মূল্যছাড়। সব পোশাকেই ৩০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে তারা।
স্মার্টেক্স
স্মার্টেক্স ছেলে ও মেয়েদের নির্দিষ্ট পণ্যে ছাড় দিচ্ছে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত। এর মধ্যে থ্রি পিস, পাঞ্জাবি, টি-শার্ট ও টপস পাওয়া যাবে।
বাটা
জুতা ও ব্যাগে ছাড় চলছে বাটায়। এখানে বাংলালিংক গ্রাহকেরা পাচ্ছেন ১০ শতাংশ ছাড়। এ ছাড়া বিকাশে কেনাকাটায় ছাড় মিলবে।
অ্যাপেক্স
ঈদ উপলক্ষে অ্যাপেক্সের জুতায় চলছে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়। ছেলে, মেয়ে ও শিশুদের জুতা মিলবে এখানে।

জেনে নিন ঈদের দিন হালকা সাজেই উজ্জ্বল হয়ে ওঠার কিছু উপায়!


এই ঈদে আনন্দ তো আছেই, সঙ্গে আছে ভীষণ ব্যস্ততা—কোন দিক দিয়ে যে সারা দিন পার হয়ে যায়, খেয়ালই থাকে না৷ তারপরও বিশেষ একটা দিন বলে কথা৷ এই দিনে সাজপোশাকে উৎসবের ছোঁয়া না থাকলেও চলে না। তাহলে এত ব্যস্ততা সামলে কী করে নিজেকে ঝকঝকে রাখবেন? হেয়ারোবিক্সের রূপবিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমীন জানালেন হালকা সাজেই উজ্জ্বল হয়ে ওঠার কিছু উপায়।
১. দিনে খুব বেশি মেকআপ না নেওয়াই ভালো। এ জন্য মেকআপের বেস খুব হালকা করে নিতে হবে৷
২. সকালের দিকে মুখের সাজ হালকা রেখে চোখজোড়া আকর্ষণীয় করে সাজাতে পারেন। এ জন্য দুই রঙের কাজলের রেখা টানতে পারেন। চোখে কাজল খুব ভালো করে চোখের সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে৷ আর কাজলের রং দুটি পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে নিলেই ভালো।
৩. কাজল ব্যবহার করতে না চাইলে মাসকারা অথবা আইলাইনার ব্যবহার করতে পারেন। দিনের সাজে মাসকারা ঘন আর আইলাইনার হালকা হতে হবে৷
৪. লিপস্টিক হতে হবে ঠোঁটের রঙের তুলনায় এক শেড গাঢ়। এ জন্য ম্যাট লিপস্টিক বেছে নিতে পারেন। সকাল বা দুপরের দিকে লিপগ্লস ব্যবহার করবেন না৷
৫. দিনে ফাউন্ডেশন ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। ব্লাশনের ক্ষেত্রে হালকা গোলাপি ছাড়া অন্য রং ব্যবহার না করাই ভালো।
৬. সাজ যেহেতু হালকা, তাই গয়না ভারী হলে চেহারায় ছড়িয়ে পড়বে উৎসবের আমেজ৷ সকালের দিকে শাড়ি পরলে তার সঙ্গে সোনার গয়না ভালো মানাবে। সালোয়ার-কামিজ বা অন্য পোশাকের সঙ্গে সোনার গয়না না পরাই ভালো। এর পরিবর্তে রুপা বা মুক্তার গয়না পরতে পারেন।
৭. চুল সাজাতে পারেন নতুন সাজে। যাঁদের সোজা চুল, তাঁরা চুল কার্লার দিয়ে কার্ল করে নিন৷ আবার হালকা কোঁকড়ানো চুল করে নিতে পারেন সোজা৷ যাঁদের চুল একটু লম্বা, তাঁরা একটা মেসি বান করে নিতে পারেন।

ঈদের ছুটিকে আরও আনন্দময় করে তুলতে ঘুরে আসতে পারেন দেশের কিছু জায়গায়!

যাব যাব করেও যাওয়া হচ্ছিল না। এবার যেহেতু ছুটি পেয়েছেন, বেড়িয়ে আসুন না। দেশের মধ্যেই রয়েছে আয়েশ করে বেড়ানোর মতো অনেক হোটেল ও রিসোর্ট। আশপাশের এলাকা দেখার পাশাপাশি হোটেল বা রিসোর্টগুলোতেও পাবেন ভরপুর বিনোদন। ছবি দেখা, পুল খেলা, গলফ খেলা, সাঁতার, কেব্‌ল কার, কায়াকে রাইড, স্পিডবোট—কী নেই। আপনার ঈদের ছুটিকে আরও আনন্দময় করে তুলতে ঘুরে আসতে পারেন দেশের এমনই কিছু জায়গায়। দেশের বিভিন্ন স্থানের কিছু হোটেল ও রিসোর্টের খোঁজ রইল এখানে।
দ্য প্যালেস রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা

হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলায় গড়ে উঠেছে এক আধুনিক পাঁচ তারকা রিসোর্ট—দ্য প্যালেস। পাহাড়চূড়ায় ঘুমিয়ে মেঘের সঙ্গে মিতালি করে আসতে পারেন এই রিসোর্টে গিয়ে। থাকা-খাওয়ার সব সুবিধা থাকছে রিসোর্টেই। আছে বেড়ানো ও খেলাধুলা করে সময় কাটানোর ব্যবস্থাও। যাওয়ার আগে আরও ভালো করে জানতে চাইলে কথা বলে নিতে পারেন। ফোন: ০১৯১০০০১০০০

 
গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় গ্র্যান্ড সুলতান রিসোর্টের ঠিকানা। পাহাড়ি টিলার আঁকেবাঁকে থাকার মজা নিতে পারবেন এখানে। পুলে সাঁতার কাটা, মুভি দেখা বা গলফ খেলার মতো নানা সুবিধা মিলবে এখানে। খেতে পারবেন দেশি-বিদেশি নানা পদের খাবার। ফোন: ০১৭৩০৭৯৩৫৯৬-৭

সায়মন বিচ রিসোর্ট

কক্সবাজারের কলাতলীর মেরিন ড্রাইভে অবস্থিত পাঁচ তারকা হোটেল সায়মন। হোটেলের সুইমিং পুলটি বিশেষভাবে দৃষ্টি কাড়বে আপনার। সমুদ্র সমতলে পুল হওয়ায় মনে হবে আপনি সমুদ্রের একাংশেই সাঁতার কাটছেন। এখানে সম্প্রতি চালু হয়েছে স্টার সিনেপ্লেক্সের একটি হল। তাই নতুন চলচ্চিত্র দেখতে হলেও এখানে ঘুরে আসতে পারেন। ফোন: ০১৭৫৫৬৯১৯১১
দুসাই রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা

মৌলভীবাজার-শ্রীমঙ্গল রোডের নাইটেশ্বরে অবস্থিত এই রিসোর্ট। দুসাইতে পৌঁছানোর পর আপনার মন ভালো হতে সময় লাগবে না। ফোনে রুম বুক করে বেরিয়ে পড়তে পারেন পাহাড়ি এই রিসোর্টের উদ্দেশ্যে। ফোন: ০১৭৩০৭৯৩৫৯৬

হোটেল সিগাল

কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্টে অবস্থিত। এটিও পাঁচ তারকা হোটেল। কেনাকাটা করার জন্য হোটেলের মধ্যেই দারুণ সুবিধা রয়েছে। এ ছাড়া হোটেলের সবুজ ঘাসে বারবিকিউ আয়োজন করতে পারেন। ফোন: ০১৭৬৬৬৬৬৫৩০

 মারমেইড বিচ রিসোর্ট

হিমছড়ি আর ইনানি বিচের মাঝামাঝি পথের ধারেই ইশারা দেবে মারমেইড। ভেতরে ঢুকলেই দেখবেন এক নতুন জগৎ! ঈদের ছুটিতে সমুদ্রে পা দুলিয়ে বসা, খাওয়া বা ঘুমানোর মতো নানা ধরনের সুবিধা মিলবে মারমেইডে। তাদের আরও একটি ইকো রিসোর্ট রয়েছে এই রোডের প্যাঁচার দ্বীপে। থাকতে পারেন সেখানেও। ফোন: ০১৮৪১৪১৬৪৬৮৬৯
রয়েল টিউলিপ সি পার্ল বিচ রিসোর্ট

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানিতে সমুদ্রের পাশ ঘেঁষে এই পাঁচ তারকা রিসোর্ট গড়ে উঠেছে। এখানে আধুনিক সেবার রুম ও সুইমিং পুল মিলবে। আছে খেলাধুলা ও বিনোদনের নানা সুবিধা। সমুদ্রের ঢেউ দেখতে দেখতে আপনার সময়টা মন্দ কাটবে না। ফোন: ০১৯৭০৬৬০০৬৬

সাজেক ভ্যালি

খাগড়াছড়ির সাজেক ভ্যালিতে গেলেও পাবেন মেঘের দেখা। হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজিয়ে দিতে পারে আপনার শরীর। মনও ভিজবে। এখানে সেনাবাহিনীর পরিচালনায় বিশেষ একটি রিসোর্ট রয়েছে। তবে যাওয়ার আগে রুম বুক করে না গেলে বোকামি হবে। কারণ, এখানে সব সময় মানুষের ভিড় থাকে।

সাইরু হিল রিসোর্ট

বান্দরবান শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে চিম্বক রোডে পড়বে নতুন এই রিসোর্টটি। মোট ২৪টা রুম আছে এখানে। থাকার পুরো বন্দোবস্ত পাহাড়ের ওপরে। সমুদ্র উপকূল থেকে ১ হাজার ৮০০ ফুট উঁচুতে কোমল মেঘ আপনার গা ছুঁয়ে যাবে ক্ষণে ক্ষণে। ঈদ উপলক্ষে বিশেষ ছাড় চলছে সাইরুতে। ফোন: ০১৭২০৯৮২৮৩৭

নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ি এলাকায় এই রিসোর্টের অবস্থান। শালবন, দোলনা, ঝরনা, সুইমিং পুল, শানবাঁধানো ঘাট আর কটেজ—সবই পাবেন এখানে। ফোন: ০১১৯৫৩৫৬১৬৫

অরুণিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাব

নড়াইলের পানিপাড়া গ্রামের মধ্যে গড়ে উঠেছে চমৎকার এই রিসোর্ট। এখানে কটেজ ছাড়াও আছে বোট হাউস। জলে আর স্থলে সময়টা ভালো কাটবে এখানেও। আছে গলফ খেলার ব্যবস্থাও। ফোন: ০১৭১১৬৯৩৭৮৮


 গ্রিনটেক রিসোর্ট

এই রিসোর্টটাও গাজীপুরে। জেলার ভবানীপুরে শালবনের মধ্যে থাকার ব্যবস্থা আছে গ্রিনটেক রিসোর্টে। আছে সুইমিং পুল ও আধুনিক সেবাসহ কক্ষ। ফোন: ০১৭৭৭৭৩৭৩৫১
পাকশী রিসোর্ট

পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে এই রিসোর্ট। পদ্মা নাদীর পাড়ে গড়ে ওঠা এই রিসোর্টে থেকে দেখতে পারেন পদ্মার ঢেউ। ফোন: ০১৭৩০৭০৬২৫৩
এবার আর দেরি কেন? বেরিয়ে পড়ুন ব্যাগ গুছিয়ে। আর ঈদের ছুটিকে আরও আনন্দময় করে চাঙা হয়ে ফিরুন।


সূত্রঃ প্রথম আলো

সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ঈদের আগে আগে নতুন পোশাক এসেছে ফ্যাশন হাউসগুলোয়!



আবারও নতুন পোশাক। তবে সেটা রমজানের ঈদের মতো খুব বড় পরিসরে না। যেহেতু এই ঈদে পোশাক কেনাকাটায় মানুষের ঝোঁক কম থাকে, তাই স্বল্প পরিমাণে নতুন পোশাক তোলে দোকানগুলো। অনেক দোকানে আবার মূল্যছাড়ের ছড়াছড়ি।

ড্রেসিডেলের স্বত্বাধিকারী ডিজাইনার মায়া রহমান বলেন, ‘এবারও নতুন পোশাক থাকছে ছেলে ও মেয়েদের জন্য। বেশ কিছু কামিজ, পশ্চিমা ধাঁচের পোশাক, শাড়ি ও পাঞ্জাবিতে নতুন নকশা করা হয়েছে ঈদের কথা ভেবেই। এখনো যেহেতু বাইরে ভ্যাপসা গরম তাই সুতি কাপড় বেছে নেওয়া হয়েছে।’


ঈদুল আজহায় সাধারণত বিকেল পর্যন্ত পশু কোরবানি, মাংসের ভাগ-বাঁটোয়ারা আর রান্না নিয়েই থাকে ব্যস্ততা। তবে সকালে ঈদগাহে যাওয়া বা দুপুরে মেহমান এলে তো আর পুরোনো পোশাক পরে থাকলে চলে না। কিছুটা পরিপাটি দেখানো চাই। আর সে জন্যই একটা নতুন পাঞ্জাবি, শার্ট, কামিজ বা শাড়ি কিনতেই পারেন। বাজারে সুতি কাপড়ের হালকা ও ভারী দুই ধরনের নকশা করা পোশাকই মিলবে। মেনজ ক্লাবের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদুল হেলাল জানান, ছেলেদের পোশাকে নানা ধরনের ওয়াশের কাপড় হলো চলতি ধারা। যার মধ্যে অ্যাসিড ওয়াশ, ডিপ ডাইং, কুল ডাইং, টাওয়েল ওয়াশ বা সিলিকন ওয়াশ বেশি দেখা যাচ্ছে। পাঞ্জাবি, শার্ট বা টি-শার্ট সব ধরনের পোশাকেই এই ওয়াশ চলছে। এ ছাড়া নানা ধরনের প্রিন্ট দেখা যাচ্ছে ছেলেদের শার্টে। রয়েছে ছোট-বড় চেকের নকশা।মেয়েদের কামিজে নিচের দিকের কাটেই থাকছে বেশি বৈচিত্র্য। ‘দুই দিকে ঝুল বাড়ানোর ধারাটা এই ঈদেও সমান জনপ্রিয় থাকবে’ বলে জানালেন ডিজাইনার লিপি খন্দকার। এ ছাড়া স্কার্টের সঙ্গে হালকা কাজের কামিজ বা ফতুয়া পরলেও ঈদের দিন ভালো দেখাবে। মেয়েদের ঈদের পোশাক কামিজ প্লেইন হলে পালাজ্জো দিয়ে পরলে ভালো দেখাবে। তবে ঝুলে নকশা করে কাটা বিভিন্ন প্যাটার্নের হলে সেটার সঙ্গে মানাবে লেগিংস।


মেয়েদের পোশাকে কামিজে জ্যাকেট ছাড়াও কয়েক ধাপে করা নকশার চল দেখা যাচ্ছে। ফ্যাশন হাউস সেইলরের এবার পোশাকের থিম মরক্কো। সেখানকার নানা ধরনের স্থাপত্যশৈলী ও নকশাকে উপজীব্য করে তৈরি হয়েছে ছেলে ও মেয়েদের পোশাক। সেইলরের জ্যেষ্ঠ ফ্যাশন ডিজাইনার সাদিয়া আফরোজ বলেন, ‘কেউ কেউ ঈদের পরেই বিয়ের মতো বিশেষ আয়োজন করেন। তাই ভারী কাজের কিছু পোশাকও ডিজাইন করতে হয়। এ ছাড়া ঈদের দিন সন্ধ্যার দাওয়াতে গেলেও একটু ভারী সাজ ভালো দেখাবে।’


ফলে কারচুপি, অ্যামব্রয়ডারি বা লেইসের ব্যবহারে পোশাকে আনা হচ্ছে জমকালো ভাব। শাড়ির ক্ষেত্রেও একই। আঁচল বা পাড়ই নয়, শাড়ির জমিনেও থাকছে নানা ধরনের কাজ বা প্রিন্ট। তবে সব ধরনের পোশাকেই হালকা রং বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন ডিজাইনাররা।

দরদাম
মেয়েদের কামিজ ৬০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা, শাড়ি ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা। এ ছাড়া শুধু স্কার্ট কিনতে চাইলে দাম শুরু হবে ৫০০ টাকা থেকে। নানা ধরনের টপ মিলবে ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত। পালাজ্জো বা লেগিংস কিনতে চাইলে ২৫০ থেকে ১ হাজার টাকায় পাবেন।
ছেলেদের পোশাকের মধ্যে পাঞ্জাবি ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা, শার্ট ৬০০ থেকে ২ হাজার টাকা আর টি-শার্ট ৩০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা। এ ছাড়া ছেলেদের প্যান্ট ৭০০ থেকে ২ হাজার টাকা আর পায়জামা ৩০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা।

যেখানে কিনবেন
রাজধানীর নিউমার্কেট, আজিজ সুপার মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি, দেশী দশ, রাপা প্লাজা, চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট, নূরজাহান মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, পিংক সিটি, পুলিশ প্লাজা, হকার্স মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণিবিতানে পাওয়া যাবে এগুলো। এ ছাড়া মনমতো পোশাক পাবেন আড়ং, মায়াসির, সেইলর, ড্রেসিডেল, বিশ্বরঙ, লা রিভ, যাত্রাসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসে।

 
Copyright © 2014 VIGOROUS MEDIA. Designed by NaYeM | Distributed By Gooyaabi Templates