LATEST UPDATE
International লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
International লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

সৌদি আরবে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ-উল আজহা!


বিপুল উৎসাহ, উদ্দীপনা আর যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্বীর্যের মধ্য দিয়ে সৌদি আরবে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ-উল আজহা।
সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) ফজরের পর মুসলমানরা দলবেঁধে রওনা হন মসজিদে ঈদের জামাত আদায়ের উদ্দেশ্যে।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে জাতীয় মসজিদ ধিরায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৫টা ৫৫ মিনিটে।
রীতি অনুযায়ী নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলির মাধ্যমে কুশল বিনিময় করেন।
ঈদের নামাজ আদায়ের পর দোয়া, খুতবায় বিশ্ব মুসলিম উম্মার সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
এদিকে ঈদ ঘিরে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নেওয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এছাড়াও মক্কার হারাম শরীফ, মদীনার মসজিদে নববীসহ বেশ কয়েকটি স্থানে বড় বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

আজ পবিত্র হজ, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখর হবে আরাফার ময়দান!

‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক। ইন্নাল হামদা ওয়ান নিয়মাতা লাকা ওয়াল মুলক। লা শারিকা লাক্’- লাখো কণ্ঠের এই ধ্বনিতে আজ মুখরিত হয়ে উঠবে আরাফার ময়দান। বিঘোষিত হবে আল্লাহতায়ালার একত্ব ও মহত্ত্বের কথা। কাফনের কাপড়ের মতো সাদা দু’টুকরো ইহরামের কাপড় পড়ে আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি ও সান্নিধ্য লাভের জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়বে সৌদি আরবে অবস্থানরত হজপালনকারীরা। আল্লাহতায়ালা এবং বান্দার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের অনন্য আবহে বিরাজ করবে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্বের এক অনুপম দৃশ্য।
হজের সব আনুষ্ঠানিকতা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সৌদি সরকার। সৌদি আরবের গ্র্যান্ড ইমাম হাজিদের উদ্দেশে খুতবা প্রদান করবেন। রেওয়াজ অনুযায়ী জোহরের নামাজের আগেই হজের খুতবা প্রদান করা হবে। বাংলাদেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল হজের খুতবা সরাসরি সম্প্রচার করবে। হজের খুতবা শোনা হজের অন্যতম বিধান।
১৯৮১ সাল থেকে দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবুদল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল শায়খ হজের খুতবা দিয়ে আসছিলেন। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি পদত্যাগ করেছেন। এখনও ঠিক হয়নি কে হজের খুতবা প্রদান করবেন।
গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম মুফতি সালিহ বিন হুমাইদ গ্র্যান্ড মুফতি আবদুল আজিজের স্থালাভিষিক্ত হতে পারেন। অনেকে অবশ্য ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স মিনিস্টার শায়খ সালিহ আল আশ শায়খ ও দুই পবিত্র মসজিদের প্রেসিডেন্সি চেয়ারম্যান গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম শায়খ আবদুর রহমান আস সুদাইসের নামও বলছেন।
আরাফার ময়দানে অবস্থান প্রসঙ্গে হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবদুর রহমান বিন ইয়ামার আদ-দায়লি (রা.) হতে বর্ণিত আছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আরাফাই তো হজ।’ ইমাম শাওকানি (রহ.) এ কথার ব্যাখ্যায় বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আরাফাতে অবস্থানের জন্য নির্দিষ্ট দিনে উক্ত ময়দানে উপস্থিত থাকার সৌভাগ্য অর্জন করল তার হজ হয়ে গেল।’


এএফপিসহ বিভিন্ন বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, নির্বিঘ্নে হজ সম্পন্ন করতে সৌদি কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। মক্কা ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশসহ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। অস্ত্রসজ্জিত যান নিয়ে রাস্তায় টহল দিচ্ছে পুলিশ। আকাশে চক্কর দিচ্ছে সামরিক হেলিকপ্টার। ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হওয়াসহ যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মোকাবেলায় নিয়োজিত রাখা হয়েছে হাজার হাজার কর্মী। প্রস্তুত রয়েছে হাসপাতালগুলো।
আরাফার ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে দুপুরে হজের খুতবা দেওয়া হবে। এখানে খুতবার পর এক আজানে দুই ইকামতে জোহর ও আসরের কসরের (দুই রাকাত করে) নামাজ আদায় করবেন হজযাত্রীরা।
এরপর হাজিরা আরাফাত থেকে মুজদালিফায় যাবেন। সেখানে গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ একত্রে আদায় করবেন। মুজদালিফাতেও খোলা আকাশের নিচে রাত যাপন করবেন। সেখান থেকে জামারায় শয়তানকে মারার জন্য পাথর (কংকর) সংগ্রহ করে নেবেন। ১০ জিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে মুজদালিফা থেকে হাজিরা আবার মিনায় ফিরবেন।
মিনায় হাজিরা পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন, শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ ও ইহরাম ছাড়ার কাজগুলো সম্পন্ন করবেন। হজের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে হাজিরা মিনায় গিয়ে ১০ জিলহজে কোরবানি করবেন এবং মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটাবেন। এরপর মক্কায় পবিত্র কাবাঘর তাওয়াফ করবেন। এই তাওয়াফের নাম তওয়াফে জিয়ারাহ। এর আগে সৌদি আরব গিয়েই হজযাত্রীরা প্রথমে একবার অবশ্যই পবিত্র কাবা ঘর তওয়াফ করেন।
বিদায়ী তওয়াফ সেরে আবার মিনায় ফিরে ১১ ও ১২ জিলহজ সেখানে অবস্থান করে প্রতিদিন তিন শয়তানকে পাথর মারবেন। এভাবে সম্পন্ন হবে হজের পুরো আনুষ্ঠানিকতা।
ইসলাম ধর্মের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি হচ্ছে হজ পালন। জীবনে অন্তত একবার হজ পালন করতে হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।

শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সলবার্গের একটি পোস্ট মুছে দিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক!


নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সলবার্গের একটি পোস্ট মুছে দিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক। প্রধানমন্ত্রী সলবার্গ ভিয়েতনাম যুদ্ধের একটি ছবি ফেসবুকে শেয়ার দিয়েছিলেন। নগ্নতার অভিযোগে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ওই ছবি মুছে দেয়।
যুদ্ধ-বাস্তবতার অনন্য উদাহরণ ওই ছবিটি মুছে দেওয়ায় ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক চলছে। পুলিৎ​জার পুরস্কার পাওয়া ওই ছবিটি ভিয়েতনাম যুদ্ধের। যুদ্ধের সময় নাপলাম হামলা থেকে বাঁচতে পালাচ্ছিল নয় বছরের একটি মেয়েশিশু। বলা হয়, পরনের কাপড়ে আগুন ধরে যাওয়ায় প্রাণ বাঁচাতে কাপড় ফেলে দিয়ে খালি গায়ে দৌড়াচ্ছিল সে। সেই ছবি ফেসবুকে দিয়েছিলেন লেখক টম এগল্যান্ড। নগ্নতার অভিযোগ তুলে সেই ছবি সরিয়ে দেয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে দেশটির দৈনিক আফটেনপোস্টেন। ওই প্রতিবেদনের সঙ্গে সেই ছবিটি যুক্ত করা হয়, যা ফেসবুকেও দেওয়া হয়। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সেই পত্রিকাকে ছবিটি সরিয়ে নিতে চাপ দেয়। শুধু তাই নয়, ওই পত্রিকার প্রতিবেদকের অ্যাকাউন্টও স্থগিত করে।
ফেসবুকের এই পদক্ষেপে অসন্তোষ জানিয়ে নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সলবার্গ বলেন, ফেসবুক ও অন্যান্য গণমাধ্যম নেতিবাচক ছবি প্রকাশ থেকে বিরত থাকে—এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করি আমি। কিন্তু এই ছবিটি মুছে ফেলার ক্ষেত্রে ফেসবুক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সমালোচকেরা বলছেন, এই ছবি মুছে ফেলা ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গের ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’। তবে ফেসবুক বলছে, সাংস্কৃতিক কারণেই তারা নগ্নতা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
সূত্র: গার্ডিয়ান, এএফপি ও বিবিসি।

সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

হাজিদের সেবা দেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা



পবিত্র হজের সময় সৌদি আরবে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকে। এ সময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি ছাত্রদের অনেকেই হাজিদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা ও সেবা করেন। তাঁদের একজন চট্টগ্রামের বাঁশখালীর মোহাম্মদ শোয়াইব উদ্দিন। শিক্ষা বৃত্তি নিয়ে তিনি মক্কার উম্মুল কোরা বিশ্ববিদ্যালয়ে হাদিস বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘হাজিদের খেদমত করার সুযোগ পাচ্ছি, এটাই বড় কথা।’
শোয়াইব, আতিকুর রহমান, কাউসার খলিল এবং আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষার্থীরা পবিত্র হজের সময় পড়াশোনার পাশাপাশি হজ মন্ত্রণালয়, হজ মিশন ও আইটি সার্ভিসের মাধ্যমে হাজিদের নানা রকম সহযোগিতা করেন। দোভাষীর কাজও করেন কেউ কেউ। তাঁরা মূলত স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করেন। তবে কেউ কেউ পারিশ্রমিকও পান।
মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মহিউদ্দিন ও মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কাজের পাশাপাশি হাজিদের ইসলামি বইপুস্তক, খেজুর, পোশাক উপহার দেন। আরেক শিক্ষার্থী সৈয়দ ইসমাঈল হোসেন বলেন, ‘আমাদের ক্যাম্পাসে গবেষণা কেন্দ্র আছে। হাজিদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে জরিপ করা হয়, যা ভবিষ্যতে হাজিদের জন্য সহায়ক হয়।’
উম্মুল কোরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস মক্কার আরাফাত এলাকায়। এখানে ২৮টি বিভাগ রয়েছে। সব বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দেওয়া হয়। পাশাপাশি এমফিল, পিএইচডি ও উচ্চতর গবেষণার সুযোগও রয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বের ১১০টি দেশের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন। এখানকার শিক্ষার্থী সগির উদ্দিন বলেন, ‘মসজিদুল হারামের (কাবা শরিফ) বেশির ভাগ ইমাম এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।
আবদুর রহমান সুদাইস, সুরাইম, ফয়সাল গাজাওই, খালেদ গামিদির মতো শিক্ষকদের সান্নিধ্য পাচ্ছি আমরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশও চমৎকার।’ তিনি বলেন, এখানে শিক্ষার্থীদের মাসিক বৃত্তি হিসেবে ৮৫০ সৌদি রিয়াল দেওয়া হয়। বিদেশি ছাত্ররা ভালো ফল করলে বছর শেষে বৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে। ছাত্রদের বছরে তিন মাসের ছুটি ও বিমানের টিকিট দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসাসুবিধা, যাতায়াত ভাড়ার সুবিধাও দেওয়া হয়। বাংলাদেশি ছাত্ররা ভালো ফল করছেন। ৩৭ জন বাংলাদেশি ছাত্র মক্কা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।



সূত্রঃ প্রথম আলো

মেসির ছেলে ফুটবল পছন্দ করে না

বাপকা বেটা হতেই হবে এ রকম কোনো কথা নেই। লিওনেল মেসির ছেলে যে ফুটবলারই হবে, সেটাও তো দিব্যি দিয়ে বলা যায় না। সেই সিদ্ধান্ত তো সে বড় হয়েই নেবে। তবু যদি সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলারের ছেলের মধ্যেও আগামীর তারকার স্বপ্ন দেখে থাকেন, মেসি নিজেই আপনাকে জানাচ্ছে দুঃসংবাদ। তাঁর তিন বছরের শিশুপুত্রর থিয়াগোর নাকি ফুটবলের প্রতি তেমন কোনো আগ্রহ নেই!
বাবার হাত ধরে বেশ কয়েক বারই মাঠে গেছে থিয়াগো। মায়ের সঙ্গে তো গ্যালারিতে তাকে অনেক বার দেখা গেছে। কিন্তু আর্জেন্টাইন টিভি চ্যানেল টেলেফেকে মেসি জানাচ্ছেন, ফুটবল খুব একটা টানে না বড় ছেলেকে, ‘আমি ওকে খুব বেশি বল কিনে দেইনি, অন্যদের সঙ্গে খেলতেও খুব একটা জোরাজুরি করিনি। আসলে সে ফুটবল অতটা ভালোবাসে না।’
তবে বার্সার খেলোয়াড়দের শিশুসন্তানদের জন্য খুব শিগগির ক্লাব কর্তৃপক্ষ একটা উদ্যোগ শুরু করেছে। ছেলের ফুটবলপ্রীতি জাগিয়ে তুলতে এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন মেসি, ‘এই উদ্যোগটা তো ভালোই মনে হচ্ছে, দেখা যাক কী হয়।’
বড় হলে আগ্রহের জায়গাটা বদলে যেতেও পারে। অবশ্য বিখ্যাত বাবার সন্তানরা খুব কমই পদাঙ্ক অনুসরণ করতে পেরেছে। পেলের ছেলেও যেমন খুব একটা নাম করতে পারেননি। ডিয়েগো ম্যারাডোনার ছেলেও নয়। তবে কেউ পারেনি জন্য কেউ পারবে না, তাও তো নয়।
এখনো সময় আছে। থিয়াগোর আগ্রহ বদলাতেও পারে। আর তা ছাড়া মেসির তো আরও একটা পুত্র সন্তান আছে। মাতেও অবশ্য এখনো ঠিকমতো হাঁটাই শেখেনি।


সূত্রঃ প্রথম আলো 

রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

কফির সাথে কি ফ্রী দিচ্ছে জেনেভার ফ্যালাত্তিও ক্যাফে??




সুইজারল্যান্ডের চকলেট বা ছুড়ি অনেক আগেই নজর কেড়েছে সমগ্র বিশ্বের। এবার সেই তালিকায় সম্ভবত যোগ হতে যাচ্ছে কফির নামও।
তবে ভালো কফি উৎপাদন করে নয়, কফির সঙ্গে দেওয়া ফ্রি জিনিসটির জন্যই সারা বিশ্বের মানুষের নজর কাড়বে দেশটি। কারণ সেখানের একটি ক্যাফেতে কফি খেলে বিনামূল্যে যৌনসঙ্গী সরবরাহের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
জেনেভায় ফ্যালাত্তিও ক্যাফে থেকে কেনা কফিতে চুমুক দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার কাছে যৌনতার পসরা নিয়ে হাজির হবে সুন্দরী রমণীরা।
ক্রেতার মনোরঞ্জনের জন্য নিজের শরীরের মাধ্যমে তারা সবকিছুই করতে রাজি। এজন্য তাদের দিতে হবে না আলাদা কোনো চার্জ।
এই কাজে আইনগত কোনো ঝামেলাও নেই। কারণ যৌনতাকে ওই দেশের সংবিধানে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষ এই ক্যাফের কফিতে চুমুক দিতে হলে আপনাকে খরচ করতে হবে ৪০ পাউন্ড।
 
Copyright © 2014 VIGOROUS MEDIA. Designed by NaYeM | Distributed By Gooyaabi Templates