LATEST UPDATE
National লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
National লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৬

ঢাকা আন্তর্জাতিক লোকসংগীত উৎসব ২০১৬।


‘ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফোক ফেস্ট’ আমাদের, আপনাদের, বাংলাদেশের ইভেন্ট। সহযোগিতা, সমর্থন এবং দিক নির্দেশনার মাধ্যমেই আন্তর্জাতিক লোকসংগীত উৎসব ধীরে ধীরে বিশ্বের দরবারে সুপরিচিত হয়ে উঠবে। তাই আসুন শেকড়ের টানে, সুরের টানে আবার সবাই এক হয়ে যাই।
দর্শকদের জন্য অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের শর্তসমূহ:
* অনুষ্ঠানে প্রবেশের জন্য অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর বা স্কুল/কলেজের আইডি কার্ড প্রয়োজন হবে। রেজিস্ট্রেশন সফল হলে পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী প্রবেশপত্র প্রিন্ট বা সংগ্রহ করতে হবে। তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রতিদিন ভেন্যুতে প্রবেশের সময় ই-টিকেট দেখাতে হবে।
* কোন ধরনের ব্যাগ নিয়ে অনুষ্ঠান স্থলে প্রবেশ করা যাবেনা। শুধু মেয়েরা (৮''x৬'') মাপের ছোট পার্স ব্যবহারের জন্য রাখতে পারবেন। মাঠে ব্যাগ রাখার কোনো ব্যবস্থা থাকবে না।
* অনুষ্ঠানস্থল থেকে একবার বের হলে আর ভেতরে প্রবেশ করা যাবেনা।
* বাইরে থেকে আনা খাবার এবং পানীয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। খাবারের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা থাকবে যেখানে অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে দর্শকরা খাবার কিনতে পারবে। ভেন্যুতে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যাবে।
* রাত ১০টার পর অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করা যাবেনা।
* অনুষ্ঠান স্থলে ক্যামেরা, চিত্রগ্রহণ এবং সাউন্ড রেকর্ডিং এর কোন উপকরণ এর ব্যবহার নিষেধ। দর্শকদের অসুবিধা হয় এবং মনযোগে ব্যাঘাত ঘটায় এমন কোন বস্তু পেলে আয়োজকরা তা বাজেয়াপ্ত করা এবং সরিয়ে নেবার অধিকার রাখে।
* যে কোন ধরনের তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ে প্রবেশ নিষেধ। অনুষ্ঠান স্থলে ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
* পার্কিং এর কোন ব্যবস্থা থাকবে না।

বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

এবার পিতৃহীন কন্যা শিশুরা পাবে সরকারি ভাতা




মাতৃ-পিতৃহীন কন্যা শিশুদের আর্থিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখে তাদের স্বাবলম্বী হওয়া পর্যন্ত সরকারী ভাতা প্রদান করবে সরকার।

বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে দশম জাতীয় সংসদের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ২৭তম বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে মাতৃ-পিতৃহীন কন্যা শিশুদের আর্থিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখে তাদের স্বাবলম্বী হওয়া পর্যন্ত কোন কর্মসূচি বা প্রকল্পের আওতায় নির্ধারিত হারে সরকারী ভাতা প্রদান করা যায় কিনা তা যাচাই করা হচ্ছে বলে জাননো হয়।

কমিটি মহিলা ও শিশুদের জন্য গৃহীত প্রকল্পগুলো পর্যায়ক্রমে সমগ্র বাংলাদেশে বিশেষ করে দূরবর্তী/সীমান্তবর্তী যে সব জেলা ও উপজেলাগুলো আছে সে সব এলাকায় সম্প্রসারণে জন্য সুপারিশ করে।

বৈঠকে বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর সমস্যাবলী ও কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়াও বাংলাদেশ শিশু একাডেমী অবহিত করে যে, শিশু উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় ৬৪টি জেলা অফিস ও ৬টি উপজেলা অফিসের মাধ্যমে প্রতিবছর ৪২টি কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয় এবং এ কর্মসূচির মাধ্যমে বিগত ৩ বছর ৪০ লক্ষ শিশু অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে।

কমিটির সভাপতি বেগম রেবেকা মমিন-এর সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ ও নাসরিন জাহান রত্না বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

শোলাকিয়ায় এবার নিরাপত্তায় থাকছে বিজিবি! নেওয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ঈদুল ফিতরের দিন জঙ্গি হামলার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদগাহ কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ার নিরাপত্তায় এবার পুলিশ ও র‌্যাবের পাশাপাশি বিজিবিও মোতায়েন করা হয়েছে।


মুসল্লির নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্নে জামাত নিশ্চিত করার লক্ষে প্রথমবারের মতো বিজিবি মোতায়েন করা হল বলে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন খান জানান।
এবার ঈদুল আজহার জামাত শুরু হবে সকাল ৯টায়। শোলাকিয়ার জামাতে ইমামতি করবেন মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।
গত ৭ জুলাই ঈদুল ফিতরের দিন সকালে শোলাকিয়ার ঈদ জামাতের আড়াইশ মিটারের মধ্যে এক পুলিশ চেকপোস্টে কয়েকজন হামলাকারী বোমা বিস্ফোরণ ঘটালে দুই পুলিশ নিহত হন।
এরপর গোলাগুলি শুরু হলে এক হামলাকারী নিহত হন; পরে পুলিশ ও হামলাকারীদের গোলাগুলিতে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়।
এসপি জানান, গত ঈদুল ফিতরের দিনে সন্ত্রাসী হামলার পর এবারের জামাতকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ রাখাকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।
“তাই শোলাকিয়া মাঠের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে এবারেই প্রথমবারের মতো নামানো হচ্ছে তিন প্লাটুন বিজিবি।”
এছাড়া সহস্রাধিক পুলিশ মাঠ ও এর আশ-পাশে বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করবে। তাছাড়া র‌্যাব ও এপিবিএন সদস্যরাও বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে দায়িত্ব পালন করবে বলে জানান তিনি।
র‌্যাব-১৪ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর নাজমুল আরেফিন জানান, ঈদগাহ মাঠ ঘিরে রাখাসহ বিভিন্ন প্রবেশ পথে র‌্যাব দায়িত্ব পালন করবে এবং মাঠের আশ-পাশে বিভিন্ন উঁচু ভবনের ছাদে অবস্থান নিয়েও নজরদারি করবে।
“মাঠে পাহারার পাশাপাশি বিস্ফোরকের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে নিয়মিতভাবে সুইপিং করা হচ্ছে। এছাড়া আশ-পাশের বাড়ি-ঘর তল্লাশিসহ লোকজনের চলাফেরার উপরও নজরদারি করা হচ্ছে।”
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাতলা জায়নামাজ ছাড়া সব ধরনের ব্যাগ বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও শোলাকিয়া ঈদগাহ কমিটির সভাপতি মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস বলেন, গত ঈদে অপ্রত্যাশিত জঙ্গি হামলার বিষয়টি মাথায় রেখেই এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সম্ভব সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
এর ফলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বিঘ্নে ঈদের জামাত সম্পন্নের আশা করছেন তিনি।

শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

তিন সড়ক-মহাসড়কে তীব্র যানজট!


ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এবং কালিয়াকৈর-নবীনগর সড়কে আজ রোববারও তীব্র যানজট দেখা গেছে। যানজটের কারণে যাত্রীরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাজীপুরের ভোগড়া থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার যানজট দেখা গেছে। একই সময় ভোগড়া বাইপাস থেকে বোর্ডবাজার পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজট ছিল। কালিয়াকৈর-নবীনগর সড়কে প্রায় সাত কিলোমিটার এলাকায় যানজট দেখা যায়।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে আজ ভোরের দিকে যানজট কিছুটা কম ছিল। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কের বাঐখোলা এলাকায় একটি বাস ও প্রাইভেটকারের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যানজট বাড়ে। সকাল আটটার দিকে এই মহাসড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহনের চাপ বেড়ে যানজট পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মির্জাপুর এলাকায় টাঙ্গাইলগামী যানবাহন থমকে থাকতে দেখা গেছে।
রংপুরগামী কাভার্ডভ্যানচালক মো. রানা বলেন, চন্দ্রা থেকে মির্জাপুর ২০ মিনিটের পথ। কিন্তু এটুকু আসতে তাঁর দেড় ঘণ্টা লেগেছে। মির্জাপুরে এসে দীর্ঘ সময় ধরে তাঁকে বসে থাকতে হয়েছে।
কোনাবাড়ী হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হোসেন সরকার বলেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যানজট নিরসনে তাঁরা কাজ করে যাচ্ছেন।
নাওজোড় হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সালাম বলেন, সকাল থেকেই ভোগড়া বাইপাস থেকে বোর্ডবাজার পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বলেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সকাল আটটার পর হঠাৎ যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। এ কারণে যানজট তীব্র হয়েছে। যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করছে।

সূত্রঃ প্রথম আলো

বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ঈদের ছুটি শুরুর প্রথম দিন শুক্রবার (০৯ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকেই চলছে মানুষের বাড়ি যাওয়ার ছুটাছুটি। প্ল্যাটফর্ম ভর্তি, ট্রেন বোঝাই!


ঈদের বাড়ি যাত্রায় এমন ঝুঁকির মুখে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছাড়ছে রংপুর এক্সপ্রেস। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে প্রতি বছর রেলে যে ভিড় হয় তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না এবারও। যাত্রী ভিড়ে ভরপুর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন। 
রংপুর এক্সপ্রেস ছাড়বে সকাল ৯টায়। কিন্তু তার আধঘণ্টা আগে ট্রেনে যাত্রীবোঝাই। ভেতরে ঠাসা যাত্রী। তিল ধারণের ঠাঁই নেই। চলছে ধাক্কাধাক্কি। ট্রেনের ছাদে অবস্থান নিয়েছেন কয়েক’শ যাত্রী।
ঈদের বাড়ি যাত্রায় এমন ঝুঁকির মুখে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছাড়ছে রংপুর এক্সপ্রেস। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে প্রতি বছর রেলে যে ভিড় হয় তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না এবারও। যাত্রী ভিড়ে ভরপুর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন।
ঈদের ছুটি শুরুর প্রথম দিন শুক্রবার (০৯ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকেই চলছে মানুষের বাড়ি যাওয়ার ছুটাছুটি।  সকাল থেকে যে’কটি ট্রেন ছেড়ে গেছে এর একটিতেও তিল ধারণের ঠাঁই নেই।
ভেঙে পড়েছে ট্রেনের শিডউলও। ৬‍ নম্বর প্লাটফর্ম থেকে চট্টগ্রামগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ছাড়ার কথা ৮টা ৩০ মিনিটে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ছাড়ছে না ট্রেনটি।
দেওয়ানগঞ্জগামী ঈদ স্পেশাল ২ নম্বর প্লাটফর্ম থেকে পৌনে ৯টায় ছাড়ার কথা থাকলেও ছাড়েনি নির্ধারিত সময়ে।
তিতাস কমিউটার ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে আখাউড়ার উদ্দেশ্যে সাড়ে ৯ টায় ছেড়ে যাবার কথা। তারাকান্দির উদ্দেশ্যে ৩ নম্বর প্লাটফর্ম থেকে অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ছেড়ে যাবার কথা।
এছাড়া প্ল্যাটফর্মে এখনও আসেনি একতা এক্সপ্রেস, কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, রাজশাহী এক্সপ্রেস ও ইশা খা এক্সপ্রেস ট্রেন।
এসব ট্রেনের যাত্রীরা ট্রেন ছাড়ার অনেক আগেই স্টেশনে এসে অপেক্ষা করছেন। স্ত্রী সন্তান নিয়ে এসে অনেকেই প্লাটফমে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ঠিকমতো বসার আসন পাচ্ছেন না তারা।
অপেক্ষমান ট্রেন যাত্রীরা জানান, ছুটির দিন হওয়ায় ট্রেন ছাড়ার সময়ের অনেক আগেই পৌঁছেছেন স্টেশনে।

স্টেশন সূত্র জানায়, সময় কাছাকাছি এসে গেলেও প্লাটফর্মে আসতে পারছেনা ট্রেনগুলো। অপেক্ষমান যাত্রী ভিড়ে প্লাটফর্মে বসার আর কোনো খালি জায়গা না থাকায় অনেকেই মেঝেতে বসে পড়ছেন।

প্রতিদিন ৩১টি আন্তঃনগরসহ ৬৯টি ট্রেন ঢাকা থেকে প্রায় অর্ধলাখ লোক নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। তবে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনগুলোর ভেতরে ও ছাদে ও নিচে দাঁড়িয়ে থাক মানুষ দেখে আরো ভিড় বাড়তে পারে বলে ধারনা করেছে স্টেশন সূত্র।
এদিকে ৬ জোড়া ঈদ স্পেশাল ট্রেন চলাচলও শুরু করেছে কমলাপুর স্টেশন থেকে। এবারের ঈদুল আজহায় নতুন কোচ নিয়ে চলছে সিলেট রুটের পারাবত এক্সপ্রেস, দেওয়ানগঞ্জ রুটের তিস্তা এক্সপ্রেস এবং দিনাজপুর রুটের ব্রডগেজ একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস। গতকাল বৃহস্পতিবার চালু হয়েছে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস।

মহাসড়কে গাড়ি নিয়ে উল্টোপথে চললেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের!


এমপি-মন্ত্রী, ভিআইপি যেই হোক না কেন মহাসড়কে গাড়ি নিয়ে উল্টোপথে চললেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে গাজীপুরে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতাল সংলগ্ন চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে আন্ডারপাসের উদ্ধোধন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের দেশে সবচেয়ে বড় সমস্যা রাস্তা-ঘাটে শৃঙ্খলার অভাব। কারও ধৈর্য নেই। উল্টো পাশ দিয়ে গাড়ি নিয়ে চলার কারণে মহাসড়কে যানজট আরও বেশি হয়। এবার ঈদে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক করতে পারবো- এমন আশ্বাস দিচ্ছি না। তবে তাদের যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো।
এবার ঈদে যানজট নিরসনে মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করতে আনসার, স্কাউট ও কমিউনিটি পুলিশ রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। কারণ সড়কের পাশে কোরবানির পশুর হাট বসে। এছাড়া মহাসড়ক দিয়ে ফিটনেসবিহীন পশুবাহী ট্রাক চলাচল করে। এতে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এ কারণে এবার হাইওয়ের পাশে পশুর হাট যেন না বসে তার জন্য জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, আন্ডারপাস নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ৫০ লাখ ৯৩ হাজার ২১৭ টাকা। এর দৈর্ঘ্য ৩৪ মিটার ও প্রস্থ ৩.৫ মিটার। এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২৬ জানুয়ারি ২০১৬। আন্ডরপাসটি দিয়ে হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গার্মেন্টস শ্রমিকসহ সবাই নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।

এ সময় সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শাহাবউদ্দীন খান, ঢাকা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, সড়ক ও জনপথের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

বরাবরের মতো এবারও রাজধানী ঢাকায় ঈদুল আজহার প্রধান জামাত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে, সকাল ৮টায়।

ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৮টায়

তবে আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে হবে বলে বৃহস্পতিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের জ্যেষ্ঠ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান ইমামতি করবেন। বিকল্প ইমাম হিসেবে থাকবেন একই মসজিদের ইমাম মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেম।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পাঁচটি ঈদ জামাত যথাক্রমে সকাল ৭টা, সকাল ৮টা, সকাল ৯টা, সকাল ১০টা এবং সকাল পৌনে ১১টায় হবে।
সুষ্ঠুভাবে ঈদুল আজহার নামায আদায় ও মুসল্লির সুবিধায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যাপ্ত পানি ও নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে কোরবানির ঈদ হবে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভের আশায় এই ঈদে পশু কোরবানি দেন মুসলিমরা।

বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

বাংলাদেশ-চীন একপ্রাণ পদ্মাপারে!


পদ্মা সেতু প্রকল্পে বাংলাদেশি আর চীনা কর্মীরা মিলেমিশে কাজ করছেন। বাংলাদেশি কর্মীরা যেমন বাংলা কথা বলছেন, চীনারা বলে যাচ্ছেন তাঁদের নিজের ভাষা। কিন্তু পারস্পরিক সম্প্রীতি ও কাজের প্রতি একাগ্রতা এই ভাষার ব্যবধার দূর করেছে। দেখা যাচ্ছে, চীনা প্রকৌশলী বা কারিগর নিজ ভাষায় কিছু বললে বুঝে নিচ্ছেন বাংলাদেশিরা। আবার বাংলাদেশি কর্মীদের কথাও বুঝতে পারছেন চীনারা। কাজে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না।
পদ্মা নদীর দুই পারে সেতু প্রকল্পে কর্মরত বাংলাদেশ ও চীনের নাগরিকদের সঙ্গে সম্প্রতি কথা হয়। তাঁরা জানান, প্রথম দিকে পরস্পরের ভাষা ও ভাব বুঝতে অসুবিধা হতো। এখন অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে। বাংলাদেশিরা চীনা ভাষা বুঝতে পারছেন। টুকটাক বলছেনও। আর চীনারাও কম যাচ্ছেন না।
মো. হাসিব নামের এক বাংলাদেশি শ্রমিক বলেন, ‘আমাদের প্রয়োজনেই আমরা চীনা ভাষা কিছুটা শিখে ফেলেছি।’
শাকিল নামে আরেক শ্রমিক বলেন, চীনারা কাজ ছাড়া কিছু বোঝেন না। কাজের ক্ষেত্রে কিছু না বুঝলে দোভাষীরা তো আছেনই।
বাংলাদেশি শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপকালে দারুণ উৎসাহে তাঁরা চীনা ভাষায় নিজ নিজ কারিশমা দেখান।
এক শ্রমিকের ভাষ্য, তার কাটার বা জোড়া দেওয়ার প্লাসকে চীনারা ‘সেনজে’ বলেন। এই শব্দের সঙ্গে এখন বাংলাদেশিরা খুবই পরিচিত।
চীনাদের কাছ থেকে শিখে খেতে যাওয়ার সময় বাংলাদেশি শ্রমিকেরা হরহামেশা বলেন, ‘সো ফান’। চীনারা বুঝে যান, শ্রমিকদের খেতে যাওয়ার সময় হয়েছে।
শাকিল জানালেন, আগামীকাল কোনো নতুন কাজ করতে হলে চীনারা বলেন ‘মিন ফেন’। বাংলাদেশি শ্রমিকেরা মুহূর্তেই এই শব্দের অর্থ বুঝে নেন।
পদ্মা সেতু প্রকল্পের মাওয়া ঘাটে কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে দোভাষীর কাজ করেন এস এম মনির হোসেন। মধ্যবয়সী মনির চীনা ভাষায় বেশ পটু। তিনি বলেন, চীনা ভাষার সঙ্গে বাংলার কোনো মিল নেই। তবে একটু চেষ্টা করলে অল্প সময়ে এই ভাষায় কথা বলা সম্ভব।
চীনা ভাষা বেশ মজার উল্লেখ করে মনির জানালেন, ‘কোকা-কোলা’ একটি কোমল পানীয়। ‘কোকা’ বাদ দিয়ে চীনারা ‘কোলা কোলা’ বললে তার অর্থ হয় ‘বড় ভাই’। বাংলাদেশে মুরগিকে অনেকে ‘তিতি’ বলে। চীনা ভাষায় ‘তিতি’ মানে ‘ছোট ভাই’। চীনা ‘সাম পান’ মানে ‘কাজ কর’।
পদ্মার শরীয়তপুরের জাজিরা পয়েন্টে চীনা প্রকৌশলী ছেন মিংঝির সঙ্গে দেখা। অল্প বয়সী এই মানুষটি বেশ চটপটে। কাজের সময় গম্ভীর থাকেন। অবসর পেলে একেবারে বদলে যান। হাসিমুখে গল্প করেন।
ছেন মিংঝি জানালেন, বাংলাদেশিদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তাঁদের ভাব-ভাষা কিছুটা হলেও রপ্ত করেছেন তিনি। বাংলা মোটামুটি বুঝতে পারেন। কিছু কিছু বলতেও পারেন।
 
Copyright © 2014 VIGOROUS MEDIA. Designed by NaYeM | Distributed By Gooyaabi Templates