LATEST UPDATE
Sports লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Sports লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৬

বিপিএলের সূচিতে রদবদল: যেভাবে হবে খেলা




পূর্বের ঘোষণা মত শেষ হতে পারছে না বিপিএল। সূচিতে রদবদল। এবারের বিপিএলের শুরুতেই অবশ্য ছিলো পরিবর্তন। সবাই অপেক্ষায় ছিলো কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের লড়াই হবে। কিন্তু বৃষ্টি ভাসিয়ে নেয় ম্যাচ।

শুরুটা পিছিয়ে যায় ৫দিন। কিছু কারণে অবশ্য এবারের বিপিএল দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না। স্লো উইকেট আর লো স্কোরিং ম্যাচ- পুরো বিপিএলেরই যেন বিজ্ঞাপন হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধুমাত্র শনিবার বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে সাকিব আল হাসানের দল ঢাকা ডায়নামাইটস ১৭০ রানের বড় স্কোর গড়তে সক্ষম হয়েছিল। এই একটি ম্যাচ ছাড়া আর প্রায় সব ম্যাচই লো স্কোরিং ছিলো।

মূলতঃ সন্ধ্যার পর শিশিরে মাঠ ভিজে একাকার হয়ে যাওয়ার কারণে স্পিনাররা বল গ্রিপ করতে পারছে না, উইকেটের ওপর বল পড়ে স্লথ হয়ে যাচ্ছে। ব্যাটসম্যানের ব্যাটে ঠিকভাবে বল আসছে না। যে কারণে তাদের ব্যাটের


দৃষ্টিনন্দন শট দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দর্শকরা। সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ শিশির। স্পিনাররা বল গ্রিপ করতে সমস্যাই নয় শুধু, মাঠে ফিল্ডিং করাই তখন কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। শিশির পড়ে পুরো মাঠ ভিজে যায়।

এই সমস্যা থেকে কাটিয়ে ওঠার জন্য বিপিএলের ম্যাচগুলো এক ঘণ্টা এগিয়ে আনার চিন্তা-ভাবনা করছে বিপিএল কর্তৃপক্ষ। এর আগে প্রকাশ হয়েছে, শিশিরের কারণে এক ঘণ্টা এগিয়ে আনা হচ্ছে বিপিএলের সময়সূচি- এই শিরোনামে। তবে, তখন শোনা গিয়েছিল, বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্ব শেষ করে আসার পর ঢাকায় দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে নতুন সময় সূচিতে।

ঢাকায় দ্বিতীয় পর্ব নয়, চট্টগ্রাম পর্ব থেকেই বিপিএল অনুষ্ঠিত হবে নতুন সময়সূচিতে। মূলতঃ বিপিএলের সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ চ্যানেল নাইনের পীড়াপীড়িতেই বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, চট্টগ্রাম পর্ব থেকেই বিপিএল অনুষ্ঠিত হবে নতুন সময়সূচিতে। এর কারণ হচ্ছে, ঢাকায় এসে যদি এক ঘণ্টা খেলা এগিয়ে আনা হয়, তাহলে নতুন সূচিতে দর্শকদের খাপ খাওয়াতে সময় লাগবে। এ কারণে চট্টগ্রাম থেকেই নতুন সময়ের সঙ্গে অভ্যস্ততা তৈরি করতে চায় বিপিএল সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ।

চ্যানেল নাইন সূত্রে জানা গেছে, নতুন সময়সূচি অনুযায়ী সপ্তাহের ৬ দিন দিনের প্রথম খেলা দুপুর ২টার পরিবর্তে শুরু হবে দুপুর ১ টায়। আর শুক্রবারের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে দুপুর আড়াইটার পরিবর্তে দুপুর দেড়টায়। সন্ধ্যার প্রথম ম্যাচটি সপ্তাহের ৬দিন অনুষ্ঠিত হবে ৭টার পরিবর্তে পৌনে ৬টায়। আর শুক্রবারের সন্ধ্যারর ম্যাচটি সোয়া ৭টার পরিবর্তে শুরু হবে সোয়া ৬টায়।

বিপিএল কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, এক ঘণ্টা করে সময় এগিয়ে আনা হলে সন্ধ্যার পর শিশিরের সমস্যা অনেকটা কমে আসবে। তাতে বিপিএল হয়ে উঠবে আরও উপভোগ্য।

রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৬

মোস্তাফিজের সঠিক যত্ন চান ওয়ালশ


মোস্তাফিজুর রহমানের জন্য অধীর অপেক্ষায় সবাই। কবে তিনি ফিরবেন। আপাতত নিউজিল্যান্ড সফরের প্রাথমিক দলে আছেন। নিউজিল্যান্ড সফরকে পাখির চোখ করেই চলছে যাবতীয় প্রস্তুতি। কাঁধে অস্ত্রোপচারের পর এরই মধ্যে বোলিং করা শুরু করেছেন তিনি। তবে পুরো শক্তিতে নয়। বাংলাদেশ দলের বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ কাজ করছেন তাঁর সঙ্গে। বলেছেন, ‘আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে তাঁর যত্নটা যেন ঠিকমতো নেওয়া হয়।’

সুস্থ হয়ে উঠছেন বাংলাদেশের ‘কাটার-মাস্টার।’ তাঁর শারীরিক অবস্থার একটা বিবরণ দিয়েছেন ওয়ালশ, ‘এখনো পর্যন্ত যা উন্নতি, তাতে আমি সন্তুষ্ট। কাঁধে যদিও একটু জড়তা রয়ে গেছে, তবে এটি খুব বড় কিছু নয়। প্রতিটি দিনই তার কাঁধের অবস্থা বিশ্লেষণ করা হবে। আগামীকাল আবার তার বোলিং দেখব। তবে আমি মনে করি, সে ভালোভাবেই সুস্থ হয়ে উঠছে। যখন সে পুরো শক্তিতে বল করবে, তখনই সবকিছু বোঝা যাবে। তবে এই মুহূর্তে সে বোলিংটা কেবল শুরু করেছে। শক্তির ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ দিয়ে বোলিং করেছে সে। আগামীকাল খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কাল বল করলে সে পরপর দুই দিন বল করবে। তবে কাল অবশ্যই বোলিংয়ের পরিমাণটা খুব বেশি হবে না। এ মাসের ৯ অথবা ১১ তারিখে আমরা আবার পরীক্ষা করে দেখব, সে শারীরিকভাবে কেমন সুস্থ থাকে।’
ওয়ালশও জানেন দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মোস্তাফিজ। গুরুত্বের বিচারেই বাংলাদেশ দল চাইবে যত দ্রুত সম্ভব তাঁকে ফেরাতে। তবে এ নিয়ে দল, কোচ, ফিজিও কেউই তাড়াহুড়ো করবেন না, ‘আমরা ওকে অবশ্যই খেলাতে চাইব। তবে খেলা নিয়ে কোনো তাড়াহুড়ো নেই। পুরো ফিটনেস ফিরে পাওয়ার পরই ওকে খেলাব আমরা। এই মুহূর্তে যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেটি হলো মোস্তাফিজের পুনর্বাসনটা যেন ঠিকমতো হয়।’

নিউজিল্যান্ড সফরকে নিজের পরীক্ষাই মনে করেন ওয়ালশ, ‘ইংল্যান্ড সিরিজে ফাস্ট বোলারদের তেমন একটা ব্যবহার করা হয়নি। নিউজিল্যান্ড সফর তাই পরীক্ষারই। বাংলাদেশে প্রচুর ফাস্ট বোলিং প্রতিভা আছে, আমি এই প্রতিভাদের নিয়ে কাজ করার জন্য মুখিয়ে আছি।’


সূত্রঃ প্রথম আলো

শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৬

বিপিএল সাময়িক স্থগিত, শুরু ৮ নভেম্বর


৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বিপিএলের উদ্বোধন করেছিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও রাজশাহী কিংসের। দুই দলের ম্যাচে টসও হয়েছিল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। এরপর রংপুর রাইডার্স ও খুলনা টাইটান্সের মধ্যকার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচও বৃষ্টিতে ভেস্তে যায়।
একই অবস্থা শনিবার দ্বিতীয় দিনেও। চিটাগং ভাইকিংস ও বরিশাল বুলসের মধ্যকার দিনের প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার পর নড়চড়ে বসে বিসিবি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। শনিবার সকালেই বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, শনিবার প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে না হলে দ্বিতীয় ম্যাচ থেকে দুদিনের জন্য সকল ম্যাচ স্থগিত করা হবে।
এরপর বিকেলে জরুরী বৈঠকে বসে বিসিবি, বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক, প্রতিনিধি ও ব্রডকাস্টার চ্যানেল নাইনের প্রতিনিধিরা। সবার সম্মতিক্রমে বিপিএল ৮ নভেম্বর থেকে শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর ৪, ৫ ও ৬ নভেম্বরের ম্যাচ নতুন করে আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও রাজশাহী কিংসের উদ্বোধনী ম্যাচটি পুনরায় শুরু হবে কি না, এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। আজ রাত ১০টার মধ্যে কুমিল্লা-রাজশাহীর ম্যাচ নিয়ে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা।
শনিবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক বলেন, ‘আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে যে রিপোর্ট পেয়েছি তাতে দেখা যাচ্ছে বৃষ্টি আরো দুদিন থাকতে পারে। এ কারণে আজকের ও আগামীকালের ম্যাচগুলো স্থগিত করা হয়েছে। সূচি অনুযায়ী আমাদের বিরতি আছে। ১০ ও ১৪ তারিখ ঢাকায় বিরতি আছে। ২০ তারিখ চট্টগ্রামে বিরতি আছে। আমরা ম্যাচগুলো এর মধ্যেই আয়োজন করার চেষ্টা করব।’
আগামী ৮ নভেম্বর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও চিটাগং ভাইকিংসের ম্যাচ দিয়ে বিপিএল মাঠে গড়াবে। সন্ধ্যায় হবে বরিশাল বুলস ও ঢাকা ডায়নামাইটসের ম্যাচ। সূচি অনুযায়ী কুমিল্লার ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল সন্ধ্যা ৭টায়। কিন্তু কুমিল্লা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় শুরুতে তাদের ম্যাচ রাখতে হচ্ছে আয়োজকদের।

শুক্রবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৬

বিপিএল এর চতুর্থ আসরের খেলা দেখুন সরাসরি।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএল দেখুন সরাসরি...
ছবিতে ক্লিক করুন
 BPL




 BPL LIVE

রবিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৬

এখন আমাদের পরের চ্যালেঞ্জটা বিদেশে!


টানা ছয়টি হোম সিরিজ জেতার পর হার। যে সিরিজটিতেও বাংলাদেশ জিততে পারত, ছোটখাটো কিছু ভুলের বড় মাশুল গুনতে হয়েছে বলে হয়নি। টেস্ট সিরিজটা ১-১ ড্র। চট্টগ্রামে ২২ রানে হেরে যাওয়ার আক্ষেপে পুড়তে না হলে ইংল্যান্ডকে তো হোয়াইটওয়াশ করত বাংলাদেশ দল!
এসব সাফল্যই নিজ দেশে। ঘরের মাটিতে। ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অবশ্য কোয়ার্টার ফাইনালে গিয়েছিল, যেটি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ হলো, বিদেশের মাটিতেও নিজেদের প্রমাণ করা। এর জন্য ২০১৭ সাল বেশ ভালো মঞ্চ তৈরি করে রাখছে। আইসিসির ভবিষ্যৎ​ সফরসূচি (এফটিপি) অনুযায়ী, সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ অন্তত চারটি পূর্ণাঙ্গ বিদেশ সফরে যাবে। এ ছাড়া আছে ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিও।
এ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে বাংলাদেশকে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়েছে। ইংল্যান্ড সফর শেষে আপাতত আন্তর্জাতিক সূচির বিরতি। যেটি আবার শুরু হবে ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফরে। তিন ওয়ানডে, তিনটি টি-টোয়েন্টি ও দুটি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ ওই সফরে। জানুয়ারি মাসে সেই সফর শেষ করে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলতে যাবে ভারতে। একমাত্র টেস্টটি হবে হায়দরাবাদে। 
জুনে ইংল্যান্ডে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি, যেটি ২০১৯ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও। পরের বিশ্বকাপ যে ইংল্যান্ডে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রস্তুতি নিতে আয়ারল্যান্ডে একটি সংক্ষিপ্ত ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে পারে বাংলাদেশ। আগস্টে দুই টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলবে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে দল। অক্টোবরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দুই টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডের পাশাপাশি থাকছে দুটি টি-টোয়েন্টি।
ভিনদেশি এই কন্ডিশনগুলো বাংলাদেশের সামর্থ্যের নতুন পরীক্ষাই নেবে। সে কথা মনে করিয়ে দিলেন মুশফিক। আজ ম্যাচ শেষে টেস্ট অধিনায়ক বলেছেন, ‘গত দুই বছর ধরে আমরা দেশের মাটিতে দারুণ খেলছি। এখন আমাদের পরের চ্যালেঞ্জটা বিদেশে। আমাদের ​ভিনদেশি কন্ডিশন ভালোভাবে মানিয়ে নিতে হবে। সবখানে তো আর দেশের চেনা কন্ডিশনের সুবিধা মিলবে না।’
বিদেশে ভালো করলে বাংলাদেশ আরও বেশি টেস্ট ও ওয়ানডে খেলার সুযোগ পাবে নিশ্চয়ই। সেই দেশের দর্শকদের কাছে নিজেদের তুলে ধরতেও পারবে। ২০১৭ সেই রোমাঞ্চ নিয়েই অপেক্ষা করছে—যার শুরুটা অবশ্য হয়ে যাবে এ বছরের শেষেই।

রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৬

বিপিএল চতুর্থ আসরের সূচি!



বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) চতুর্থ আসর মাঠে গড়াবে ৪ঠা নভেম্বর। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও রাজশাহী কিংস। উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে রংপুর রাইডার্স লড়বে খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে। চিটাগাং ভাইকিংস পরদিন তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে বরিশাল বুলসের বিপক্ষে। ওইদিনই ঢাকা টাইটান্সের প্রতিপক্ষ গেলো আসরের চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা। প্রতিবারের মতো এবারও প্রতিদিন হবে দুটি করে ম্যাচ, দুপুর ২টায় ও সন্ধ্যা ৭টায়। তবে জুমার নামাজের জন্য শুক্রবারের ম্যাচগুলো ৩০ মিনিট পিছিয়ে শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। এবারের আসরে দুটি ভেন্যুতে মাঠে গড়াবে বিপিএল। ৪ঠা নভেম্বর থেকে ১৩ই নভেম্বর পর্যন্ত প্রথম রাউন্ডের ১৬টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এরপর দলগুলো চট্টগ্রামে চলে যাবে। সেখানে ১৭ থেকে ২৫শে নভেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ঢাকায় ফিরে আসবে দলগুলো। মিরপুরে হবে কোয়ালিফায়ার, এলিমিনেটর ও ফাইনাল ম্যাচ। ডাবল লীগ পদ্ধতির এ টুর্নামেন্টে মোট ম্যাচ হবে ৪৬টি। ৪২টি লীগ ম্যাচ, একটি এলিমিনেটর, দুটি কোয়ালিফাইয়ার ও ফাইনাল। লীগের শীর্ষ দুই দল খেলবে কোয়ালিফায়ার। আর তিন ও চার নম্বর দল খেলবে এলিমিনেটর। কোয়ালিফায়ারে জয়ী দল সরাসরি ফাইনাল খেলবে আর পরাজিত দল এলিমিনেটরে জয়ী দলের সঙ্গে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হবে। জয়ী দল ফাইনাল খেলবে প্রথম কোয়ালিফায়ারের বিজয়ীর বিপক্ষে। ৬ই ডিসেম্বর হবে এলিমিনেটর। একইদিন সন্ধ্যায় হবে প্রথম  কোয়ালিফায়ার। ৭ই নভেম্বর হবে ২য় কোয়ালিফায়ার। দুই কোয়ালিফায়ারের দুই বিজয়ী দল মুখোমুখি হবে ফাইনালে ৯ই ডিসেম্বর। এবার ফাইনালের জন্য রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে।
বিপিএল চতুর্থ আসরের সূচি
ঢাকা পর্ব-১ (মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম)
তারিখ     দুপুর ২টা     সন্ধ্যা ৭টা
৪-১১-২০১৬      কুমিল্লা- রাজশাহী     রংপুর- খুলনা
৫-১১-২০১৬     চিটাগাং-বরিশাল     কুমিল্লা- ঢাকা
৬-১১-২০১৬      রংপুর -রাজশাহী     বরিশাল-খুলনা
৮-১১-২০১৬     ঢাকা- বরিশাল      চিটাগাং- কুমিল্লা
৯-১১-২০১৬     খুলনা-রাজশাহী     রংপুর -চিটাগাং
১১-১১-২০১৬     কুমিল্লা- বরিশাল     ঢাকা-রাজশাহী
১২-১১-২০১৬     খুলনা- চিটাগাং     রংপুর-ঢাকা
১৩-১১-২০১৬     বরিশাল-রাজশাহী     কুমিল্লা-খুলনা
চট্টগ্রাম পর্ব: (জহুর আহাম্মেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম)
১৭-১১-২০১৬     চিটাগাং-ঢাকা     বরিশাল-রংপুর
১৮-১১-২০১৬     চিটাগাং- রাজশাহী     কুমিল্লা-রংপুর
১৯-১১-২০১৬     ঢাকা- খুলনা     চিটাগাং -বরিশাল
২১-১১-২০১৬     ঢাকা- রাজশাহী      কুমিল্লা - চিটাগাং
২২-১১-২০১৬      খুলনা - রংপুর     বরিশাল - চিটাগাং
ঢাকা: পর্ব ২: (মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম)
২৫-১১-২০১৬     রংপুর - রাজশাহী     বরিশাল - খুলনা
২৬-১১-২০১৬      কুমিল্লা- ঢাকা     খুলনা- রাজশাহী
২৭-১১-২০১৬     বরিশাল - ঢাকা     রংপুর - চিটাগাং
২৯-১১-২০১৬     কুমিল্লা- বরিশাল      খুলনা-চিটাগাং
৩০-১১-২০১৬     রংপুর-ঢাকা     বরিশাল- রাজশাহী
২-১২-২০১৬     রংপুর- বরিশাল     ঢাকা- চিটাগাং
৩-১২-২০১৬     কুমিল্লা- খুলনা     রাজশাহী- চিটাগাং
৪-১২-২০১৬      কুমিল্লা- রংপুর     ঢাকা -খুলনা
৬-১২-২০১৬     এলিমিনেটর     প্রথম কোয়ালিফায়ার
৭-১২-২০১৬     দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার
৯-১২-২০১৬               ফাইনাল

সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

এবারের বিপিএলে আইকন ক্রিকেটার দের তালিকা দেখে নিন



২০১৬ তথা বিপিএলের চতুর্থ আসরের প্লেয়ারস ড্রাফট আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর। এর আগে বিপিএল কর্তৃপক্ষ চলতি আসরের জন্য সাত আইকন খেলোয়াড়ের তালিকা ঠিক করেছেন।

প্রথমে সিদ্ধান্ত নেয়া নেয়া হয় আইকন খেলোয়াড় না রাখার বিষয়ে। পরে ২২ সেপ্টেম্বরের টেকনিক্যাল কমিটির সভায় আইকন শ্রেণি রেখেই খেলোয়াড় তালিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আর আইকনদের প্লেয়ারস ড্রাফটে তোলা হবে না। পছন্দমতো দল বেছে নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়েছে তাদের।

এবারের


বিপিএলে আইকনরা হলেন- মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ, সাব্বির রহমান ও সৌম্য সরকার। গত আসরে আইকন নাসির এ তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।

এদিকে আইকন শ্রেণির সাত ক্রিকেটারের সবার মূল্য সমান নয়। অনুমিতভাবেই সাকিব আল হাসান সবচেয়ে ‘দামি’ (৫৫ লাখ টাকা)। এর পরেই যথাক্রমে আছেন তামিম ইকবাল (৫০ লাখ), মুশফিকুর রহিম (৫০ লাখ), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (৫০ লাখ) ও গত আসরের চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা (৫০ লাখ)। আর সাব্বির রহমান ও সৌম্য সরকার ( যাদের মূল্যমান ৪০ লাখ করে)।

বিপিএল-এর এবারের আসরে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ১১ জন খেলোয়াড় রয়েছেন যাদের মূল্যমান রাখা হয়েছে ২৫ লাখ। আঠারো লাখ টাকার ‘বি’ ক্যাটাগরিতে আছেন ৩৫ জন, ১২ লাখ টাকার ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ৫২ জন ও পাঁচ লাখ টাকার ‘ডি’ ক্যাটাগরির ২৮ জন খেলোয়াড়সহ মোট ১৩৩ জন খেলোয়াড়কে রাখা হয়েছে। ৪ নভেম্বর মাঠে গড়াবে বিপিএল-এর এবারের আসর।

বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

সাতটি দল নিয়ে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের চতুর্থ আসর



এবারের বিপিএলে মোটা অংক পাবেন সাকিব-মাশরাফিরা। আগের আসরেরর চেয়ে বেশি অর্থ পাবেন তারা। আসছে ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হবে দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। তবে এবারের বিপিএলের চতুর্থ আসরে থাকছে কিছু পরিবর্তন।

প্রথম তিন আসরেই ছিলো ‘আইকন’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়। তবে এবারের আসরে কোনো ‘আইকন’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড় থাকছে না। দেশের শীর্ষ ক্রিকেটারদের রাখা হবে ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরিতে আর বাড়ছে তাদের ভিত্তি অর্থের পরিমান।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর হবে বিপিএলের চতুর্থ আসরের নিলাম। আগের বারের মতো এবারো ‘প্লেয়ার বাই চয়েস’ পদ্ধতিতে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা তাদের পছন্দ মতো খেলোয়াড় সংগ্রহ করবে। বিপিএলের তৃতীয় আসরে দেশী আইকন ক্রিকেটারদের থেকে বিদেশী ক্রিকেটাররা অনেক বেশি পারিশ্রমিক পেয়েছেন। যা নিয়ে অনেক বিতর্কের দেখা দেয় তবে এবারের আসরে দেশি ও বিদেশি খেলোয়াড়দের


পারিশ্রমিকের ব্যবধান কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে বিসিবি।

দেশের শীর্ষ খেলোয়াড়দের ‘আইকন’ ক্যাটাগরি থেকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। তাদের জন্য থাকবে ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরি। এ প্রসঙ্গে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আফজালুর রহমান সিনহা বলেন, “এবাবের আসরে আইকন ক্যাটাগরি থাকছে না। ‘এ’ প্লাস ক্যাটাগরি থেকেই মূলত ক্যাটাগরি শুরু হবে।”

বিপিএলের তৃতীয় আসরে বিদেশি খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ দাম ছিল ৭০ হাজার ডলার, সর্বনিম্ন ৩০ হাজার ডলার। অন্যদিকে স্থানীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে ‘আইকন’ শ্রেণিতে থাকা ক্রিকেটাররা পেয়েছেন ৩৫ লাখ টাকা করে। ‘এ’ ক্যাটাগরি ২৮ লাখ টাকা, ‘বি’ ক্যাটাগরি ২২ লাখ, ‘সি’ ক্যাটাগরি ১৫ লাখ করে টাকা করে পেয়েছিলেন। এই আসরে এই ব্যবধান কমানো হবে জানিয়েছেন আফজালুর রহমান সিনহা, “এবার স্থানীয় টপ খেলোয়াড়দের সঙ্গে বিদেশী খেলোয়াড়দের দামের ব্যবধান কমানো হবে।”

তবে আগের আসরের নিজের দলের খেলোয়াড় ধরে রাখার সুযোগ পাচ্ছে এবার ফ্রাঞ্চাইজিগুলো। সর্বোচ্চ শ্রেণি বাদ দিয়ে অন্য শ্রেণি থেকে দুইজন খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে দলগুলো। আগের আসরের পাঁচটি দল এবারও থাকছে, বাদ যাচ্ছে সিলেট। তাই এবারের আসরের সাত দলের মধ্যে পাঁচ দল (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, বরিশাল বুলস, রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ডায়নামাইটস ও চিটাগং ভাইকিংস) দুইজন করে ক্রিকেটার ধরে রাখার সুযোগ পাবে।

তবে এখনো এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয় নি বলে জানিয়েছেন আফজালুর রহমান বলেছেন, “এখনও এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে টেকনিক্যাল কমিটি দুই-এক দিনের ভেতরে এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। দেশি ‘এ’ ক্যাটাগরির দুই জন করে খেলোয়াড় তারা রেখে দিতে পারবে। বিদেশিদের ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।”
 
Copyright © 2014 VIGOROUS MEDIA. Designed by NaYeM | Distributed By Gooyaabi Templates