LATEST UPDATE
Health লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Health লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৬

অসাধারণ ১৯টি স্বাস্থ্য টিপস!



১. ঠোটেঁ কালো ছোপ পড়লে কাঁচা দুধে তুলো ভিজিয়ে ঠোটেঁ মুছবেন। এটি নিয়মিত করলে ঠোটেঁর কালো দাগ উঠে যাবে।

২. টমেটোর রস ও দুধ একসঙ্গ মিশিয়ে মুখে লাগালে রোদে জ্বলা বাব কমে যাবে।

৩. হাড়িঁ-বাসন ধোয়ার পরে হাত খুব রুক্ষ হয়ে যায়। এজন্য বাসন মাজার পরে দুধে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে হাতে লাগান। এতে আপনার হাত মোলায়েম হবে।

৪. কনুইতে কালো ছোপ দূর করতে লেবুর খোসায় টিনি দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন। এতে দাগ চলে গিয়ে কনুই নরম হবে।

৫. মুখের ব্রণ আপনার সুন্দর্য নষ্ট করে। এক্ষেত্রে রসুনের কোয়া ঘষে নিন ব্রণের উপর। ব্রণ তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে।

৬. লিগমেন্টেশন বা কালো দাগ থেকে মু্ক্তি পেতে আলু, লেবু ও শসার রস এক সঙ্গে মিশিয়ে তাতে আধ চা চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে যেখানে দাগ পড়েছে সেখানকার ত্বকে লাগান।

৭. চুল পড়া বন্ধ করতে মাথায় আমলা, শিকাকাই যুক্ত তেল লাগান।

৮. তৈলাক্ত ত্বকে ঘাম জমে মুখ কালো দেখায়। এক্ষেত্রে ওটমিল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখবেন আধা ঘন্টা। আধা ঘন্টা পর ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।

৯. যাদের হাত খুব ঘামে তারা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লাউয়ের খোসা হাতে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।

১০. পায়ের গোড়ালি ফাটলে পেঁয়াজ বেটে প্রলেপ দিন এ জায়গায়।

১১. ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন ১৫ গ্রাম করে মেৌরি চিবিয়ে খান। খুব কম সময়ে রক্ত শুদ্ধ হয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

১২. মুখে কোন র্যাশ বের হলে অড়হর ডাল বাটা পেষ্ট লাগান র্যাশের উপর। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। দাগ থাকবেনা।

১৩. পিঠের কালো ছোপ তুলতে ময়দা ও দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে পিঠে দশ মিনিট ধরে ঘষবেন। এটা নিয়মিত করলে পিঠের ছোপ উঠে যায়।

১৪. মুখের তাৎক্ষনিক লাবণ্য আনতে একটা ভেষজ রুপটান আছে। আধা চা চামুচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। পনের মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা আপনার মুখকে আদ্র রাখবে।

১৫. হাত পায়ের সৈৌন্দয্য অক্ষুন্ন রাখতে হাতে ও পায়ে আপেলের খোসা ঘষে নিন। এতে হাত ও পা অনেক বেশী ফর্সা দেখাবে।

১৬. মুখের বাদামী দাগ উঠাতে পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগান, পরে ধুয়ে ফেলুন।

১৭. নিঃশ্বাসের দুগন্ধ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত দুই কোয়া করে কমলালেবু খান। দুই মাস পর এ সমস্য থাকবেনা।

১৮. সমপরিমান তুলসী পাতার রস ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে দুই বেলা নিয়মিত মুখে লাগান যেকোন দাগ মিলিয়ে যাবে।

১৯. অতিরক্ত শুষ্কতা থেকে মুক্তি পেতে মধু, দুধ ও বেসনের পেষ্ট মুখে লাগান নিয়মিত। এতে ত্বকের বলিরেখা ও দূর হয়ে যাবে।


আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য।

যা খেলে হিমোগ্লোবিন বাড়বে!


রক্তকোষে লৌহসমৃদ্ধ একধরনের প্রোটিন হচ্ছে হিমোগ্লোবিন। এটি শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে সাহায্য করে। সুস্থ জীবনযাপনে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা সঠিক থাকা প্রয়োজন। কিছু খাবার খেয়ে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মান ঠিক রাখা যায়।

ভারতের ফর্টিস হাসপাতালের চিকিৎসক মনোজ কে আহুজার মতে, রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে দুর্বলতা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ঝিম ধরা, ক্ষুধামান্দ্য ও দ্রুত হৃৎস্পন্দনের মতো সমস্যা দেখা যায়। যদি হিমোগ্লোবিনের মাত্রা অনেক কম হয়, তবে রক্তাল্পতা বা এর চেয়েও মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

চিকিৎসক আহুজার মতে, ‘সবার লৌহের দরকার হয়। তবে নারীদের ঋতুচক্রের সময়, গর্ভাবস্থায়, শিশুদের বেড়ে ওঠার সময়, রোগ থেকে সেরে ওঠার মুহূর্তে লৌহের বেশি দরকার হয়। সম্প্রতি এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে প্রাকৃতিক উপায়ে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ানোর উপায় বর্ণনা করা হয়েছে। দেখে নিন কী খেলে হিমোগ্লোবিন বাড়বে।


লৌহযুক্ত খাবার
শরীরে লৌহের ঘাটতি হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ। হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে লোহা গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। লৌহসমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে মুরগির কলিজা, ঝিনুক, ডিম, আপেল, বেদানা, ডালিম, তরমুজ, কুমড়ার বিচি, খেজুর, জলপাই, কিশমিশ ইত্যাদি।


ভিটামিন সি
ভিটামিন সি-এর অভাবে হিমোগ্লোবিন কমে যেতে পারে। তা ছাড়া ভিটামিন সি ছাড়া লোহা পুরোপুরিভাবে শোষণ হয় না। পেঁপে, কমলা, লেবু, স্ট্রবেরি, গোলমরিচ, সবুজ ফুলকপি (ব্রকোলি), আঙুর, টমেটো ইত্যাদিতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে।


ফলিক অ্যাসিড
ফলিক অ্যাসিড একপ্রকার ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। এটি লাল রক্তকণিকা তৈরিতে প্রয়োজনীয় উপাদান। সবুজ পাতাযুক্ত সবজি, কলিজা, ভাত, শিমের বিচি, বাদাম, কলা, সবুজ ফুলকপিতে অনেক ফলিক অ্যাসিড পাওয়া যায়।


বিট
হিমোগ্লোবিন বাড়াতে বিটের রস খাওয়ার পরামর্শ দেন ডাক্তাররা। এতে রয়েছে প্রচুর আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, ফাইবার ও পটাশিয়াম। এর পুষ্টিমান শরীরের লাল রক্তকণিকা বাড়ায়।


আপেল
দিনে একটি করে আপেল খেয়ে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে পারেন। আয়রনের উৎস আপেলে আরও নানা প্রকার পুষ্টি উপাদান রয়েছে। প্রতিদিন খোসাসহ একটি আপেল খান। অথবা সমানুপাতে আপেল ও বিটের রস মেশাতে পারেন।



ডালিম
আয়রন, ক্যালসিয়াম, শর্করা ও আঁশ (ফাইবার) সমৃদ্ধ ডালিম রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে দেহে রক্ত চলাচল সচল রাখে। প্রতিদিন মাঝারি আকৃতির একটি ডালিম খাওয়ার চেষ্টা করুন। অথবা এক গ্লাস ডালিমের জুস খান। 

বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৬

মাখনের চেয়েও বেশি উপকারি ঘি, বলছেন চিকিত্সকরা


হার্টের অসুখের ভয়ে ঘি ছেড়েছেন? ভাবছেন, মোটা হয়ে যাবেন? ঘি খেলে কোলেস্টেরল হওয়ার ভয়কেও দূরে সরিয়ে রাখুন। চিকিত্সকরা বলছেন, ঘি খান নিশ্চিন্তে। মাখনের চেয়েও বেশি উপকারি ঘি। বিভিন্ন রোগ নিরাময়েও ঘি-এর উপকারিতা অসীম।
সেই দুধ থেকেই ঘি। দুধ না খেলে যেমন গায়ে লাগে না গত্তি, ঘি-ও তাই। স্বাদ, গন্ধেও অদ্বিতীয়। ঘি-এ ভাতে বাঙালির ষোলোআনা রসনা তৃপ্তি। কিন্তু সেই ঘি-ই একান্নবর্তী সেনশর্মা পরিবারের হেঁশেলে ঘটিয়ে দিয়েছে বিভাজন। কোলেস্টেরল ধরা পড়ায় ঘি খাওয়া মানা বড়ভাইয়ের। তাই তার মনে ভারী দুঃখ।
সেই দুঃখে সামিল ছোটভাইও। বাড়ির সব সদস্যের পাতে ঘি মাস্ট। ঘি-এর গন্ধে ম ম করে গোটা বাড়িটা। ব্রেকফাস্ট হোক বা লাঞ্চ, টিফিন হোক বা ডিনার, ঘি ছাড়া সেনশর্মা পরিবার কিচ্ছু ভাবতেই পারে না। কিন্তু বড়ভাইয়ের পাতে ঘি পড়ে না। বাবার কোলেস্টেরল ধরা পড়েছে দুবছর আগে। ওজন বাড়ছে মেয়েরও। তাই একটু চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন আইনের ছাত্রীটি।

ঘি-ময় পরিবারটিতে তাই একটু একটু করে ঢুকে পড়েছে অজানা ভয়। এই ঘি-প্রীতি আবার হার্টের অসুখ ডেকে আনবে না তো? সেনশর্মা পরিবারকে আশ্বস্ত করছেন চিকিত্সকরা। কোলেস্টেরল বা হার্টের অসুখের ভয় ঝেড়ে ফেলে নিশ্চিন্তে ঘি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।
১) দুধের চেয়েও ঘি হজমের শক্তি বেশি বাড়িয়ে দেয় বলে দাবি চিকিত্সকদের।
২) জ্বর থেকে সেরে ওঠার পর এনার্জি ফিরে পাওয়া এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে ঘি।
৩) চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ঘি খেতে বলছেন চিকিত্সকরা।
৪) সদ্যোজাতদের দুই থেকে পাঁচ ফোঁটা ঘি খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিত্সকরা।
৫) কেটে গেলে ঘি লাগালে চটজলদি উপকার।
৬) ফাটা ঠোঁট, ফাটা গোড়ালি এবং নতুন মায়েদের স্তনবৃন্তে সমস্যা হলে ঘি-এর মতো ওষুধ নেই।
৭) ঘি খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে, বাড়ে বুদ্ধিও।
৮) ব্রেকফাস্টের তিরিশ মিনিট আগে নাকে দুফোঁটা ঘি দিলে চুল ওঠার সমস্যা, মাথা যন্ত্রণা, কানে শোনার সমস্যা, মাইগ্রেনের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
৯) বমির প্রবণতা কমিয়ে দেয় ঘি।
তবে জানতে হবে ঘি ব্যবহারের নিয়ম। যেমন খুশি ঘি খেলে বিপদ। চিকিত্সকরা বলছেন, ব্রেকফাস্টে শক্ত কোনও খাবারের সঙ্গে আধ চামচ ঘি, তারপর নরম খাবার এবং শেষে দই খেতে হবে। ঘি খাওয়ার পর খেতে হবে কোনও গরম পানীয়। অর্থাত্‍ সকালের চা বা কফির আগে পাউরুটিতে ঘি মাখিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিত্সকরা।


রূপচর্চায় লবঙ্গ তেল




লবঙ্গতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিসেপটিক উপাদান যা স্বাস্থ্যরক্ষায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে সেই আদি যুগ থেকেই। ঠাণ্ডা, কাশি ও দাঁত ব্যথা উপশমে লবঙ্গের জুড়ি নেই। বেশিরভাগ টুথপেস্টেই থাকে উপকারী লবঙ্গ তেল। স্বাস্থ্যরক্ষার পাশাপাশি রূপচর্চাতেও লবঙ্গ তেল খুবই কার্যকরী। এতে থাকা পটাসিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি ত্বককে করে উজ্জ্বল ও সুন্দর। এছাড়া ব্রণ ও ব্রণের দাগও দূর করতে পারে লবঙ্গ তেল।


জেনে নিন রূপচর্চায় লবঙ্গ তেলের ব্যবহার-

লবঙ্গ তেলের সঙ্গে নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েল মিশিয়ে ব্রণ আক্রান্ত ত্বকে ম্যাসাজ করুন। ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাবে ব্রণ ও ব্রণের কালচে দাগ।
বিভিন্ন ধরনের দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করে লবঙ্গ তেল।
লবঙ্গ তেলের সঙ্গে যেকোনও একটি তেল মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করুন। দূর হবে বলিরেখা।
লবঙ্গ তেলমিশ্রিত ক্রিম অথবা লোশন ত্বকে ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করলে দূর হয় ত্বকের ক্লান্তি।
পোকার কামড়ের দাগ দূর করতে লবঙ্গ তেলের সঙ্গে লোশন অথবা তেল মিশিয়ে আক্রান্ত ত্বকে লাগান।
ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর আগে কয়েক ফোঁটা লবঙ্গ তেল মিশিয়ে নিন। ত্বকের জৌলুস বাড়বে।
ত্বকে মেকআপ সহজে বসতে না চাইলে ফাউন্ডেশনের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লবঙ্গ তেল মিশিয়ে নিন।

বুধবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৬

লাল শাক নাকি কচু শাক?



লালশাক

ছোট-বড় সবার খুব প্রিয় লালশাক। লালশাক রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ায়। ফলে যাদের রক্তস্বল্পতা রয়েছে তারা নিয়মিত লালশাক খেলে রক্তস্বল্পতা পূরণ হয়। লালশাক ভিটামিন ‘এ’-তে ভরপুর। লালশাক নিয়মিত খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে এবং অন্ধত্ব ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
লালশাকের আরও উপকারিতা:
ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও লালশাক যথেষ্ট উপকারী। এ ছাড়া এটি শরীরের ওজন হ্রাস করে।
আঁশজাতীয় অংশ খাবার পরিপাকে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
ভিটামিন ‘সি’-এর অভাবজনিত স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে।
রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, যা হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমায়।
এটি মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করে।
দাঁতের মাড়ি ফোলা প্রতিরোধ করে।
শিশুদের অপুষ্টি দূর করে।
শরীরে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম জমে গিয়ে যেসব অসুখ হয় তা প্রতিরোধ হয়।
এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

কচুশাক

কচুশাকে ভিটামিন এ-এর পাশাপাশি রয়েছে ভিটামিন বি এবং সি-ও। তাই মুখ ও ত্বকের রোগ প্রতিরোধেও কচুশাক সমান ভূমিকা রাখে। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, তাই হৃদ্রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমায়। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন।
কচুশাকের আরও উপকারিতা:
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, যা দেহের বৃদ্ধি ও কোষ গঠনে ভূমিকা রাখে। এর বিভিন্ন ভিটামিন কোষের পুনর্গঠনে সহায়তা করে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য আঁশ, যা অন্ত্রের বিভিন্ন রোগ দূরে রাখে, পরিপাকক্রিয়া ত্বরান্বিত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
আয়রন ও ফোলেট রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণ বাড়ায়। ফলে অক্সিজেন সংবহনও পর্যাপ্ত থাকে। এতে উপস্থিত ভিটামিন কে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা প্রতিরোধ করে।
কচুশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। দাঁত ও হাড় গঠনে ও ক্ষয়রোগ প্রতিরোধে এসব উপাদানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাতকানা, ছানিসহ চোখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ও দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করতে কচুশাক অতুলনীয়।

বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

হৃদয় ভালো রাখার ৭ উপায়!




বর্তমানে সারা বিশ্বেই বিরাজ করছে অদ্ভুত এক অস্থিরতা৷ আর এ বাস্তবতার একটা নেতিবাচক প্রভাব কিছুটা হলেও আমাদের মনে এবং শরীর পড়ে৷ তাই মনকে শান্ত রেখে হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখার কিছু উপায় জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশের গবেষকরা৷

নিজেকে শান্ত রাখতে, অন্যকে সাহায্য করুন

আপনি কি ক্লান্ত বা অশান্ত অথবা আপনার কি মন খারাপ? তাহলে আপনার আশেপাশের কাউকে কিছু এগিয়ে দিন, দরজা খুলে দিন অথবা বাজারটা করে দিন৷ দেখবেন এতেই হরমোনগুলো কেমন ছড়িয়ে গিয়ে মন ও শরীরকে শান্ত করেছে৷ এই তথ্যটি খুঁজে বের করেছেন অ্যামেরিকার ‘ইয়েল’ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল নারী গবেষক৷

মেডিটেশন সুস্থ রাখে

কার্ডিওভাস্কুলার বা হার্টের সমস্যা যাঁদের আছে, তাঁদের জন্য যে কোনো ধরনের মেডিটেশনই খুব উপকারী৷ এই যেমন, চিগং বা তাইচি-র মতো চীনের জনপ্রিয় মেডিটেশন উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টরেলের মাত্রা কমিয়ে শরীর ও মনকে সুস্থ রাখে৷ জানা গেছে ‘জার্নাল অফ দ্য হার্ট অ্যাসোসিয়েশন’ নামের একটি ম্যাগাজিন থেকে৷

যা হৃদপিণ্ডকে নাড়া দেয়

দুঃখ আর হতাশাই কেবল হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয় না৷ বিয়ের প্রস্তাব, প্রিয় দলের বিজয় কিংবা ‘সারপ্রাইজ পার্টির’ মতো কোনো ইতিবাচক অভিজ্ঞতাও নার্ভকে সক্রিয় করে তোলে, হৃদপিণ্ডকে নাড়া দেয় প্রচণ্ডভাবে৷ অর্থাৎ অতিরিক্ত সুখ এবং দুঃখ – দু’টোতেই বুকে একই রকম ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, এমনকি হার্ট অ্যাটাকও হতে পারে৷ এ কথা জানিয়েছেন, ‘ইউরোপীয় হার্ট জার্নাল’-এর আন্তর্জাতিক গবেষকদল৷

হার্টে অলিভ অয়েলের প্রভাব

স্প্যানিশ গবেষকদের করা এক সমীক্ষা থেকে জানা গেছে যে, সালাদ এবং সবুজ সবজিতে যথেষ্ট পরিমাণে অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল মিশিয়ে খেলে, তা হৃদপিণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে৷ এই গবেষণাটি করা হয়েছে দীর্ঘ পাঁচবছর ধরে মোট ৬,৭০৫ জন অংশগ্রহণকারীকে নিয়ে৷ তথ্যটি প্রকাশ করেছে ‘সার্কুলেশন’ ম্যাগাজিন৷

মাছের চর্বি না মাখন?

উদ্ভিদের তেল বা মাছের ‘ফ্যাটি অ্যাসিড’ মাংস বা মাখনের ফ্যাটের চেয়ে স্বাস্থ্যকর – এই ধারণা কিন্তু পুরোপুরি সত্য নয়৷ আর সেটাই প্রমাণ করেছেন অ্যামেরিকান গবেষকরা৷ জানা গেছে, উদ্ভিদ বা মাছের তেল কোলেস্টরেলের মাত্রা কিছুটা কমায় বটে, কিন্তু তা হার্টের রোগীদের মৃত্যুর ঝুঁকি কমায় না৷ তথ্যটিই প্রকাশ হয়েছে ‘ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল’-এ৷

হেঁটে মন ভালো করুন

অ্যামেরিকার আইওয়া স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক গবেষণা থেকে জানা যায়, মন খারাপে কষ্ট পাচ্ছেন বা কোনো বিষণ্ণ মানুষ মুক্ত বাতাসে হাঁটলে, তাঁর মন ভালো হয়ে যায়৷ এই গবেষণাটি করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়েই৷ খবরটি জানা গেছে ‘ইমোশন’ ম্যাগাজিন থেকে৷

আরো যা করবেন

মন আর হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন, ধূমপান থেকে বিরত থাকুন, মুক্ত বাতাসে ব্যায়াম করুন আর অবশ্যই হাসিখুশি থাকুন৷ দেখবেন আপনার মন আর শরীর দু’টোই কেমন চাঙ্গা থাকবে!

বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ডিমনেশিয়া কি জানুন, সুস্থ্য থাকুন!




প্রতি ৩ সেকেন্ডে, পৃথিবীতে একজন মানুষ ডিমিনেশিয়া রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ২০৫০ সালের মধ্যে ডিমনেশিয়ায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা তিন গুণ বেড়ে যাবে, যা ২১ শতকের অন্যতম প্রধান স্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হতে পারে। সম্প্রতি এমনই শঙ্কার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা গুলো।

ডিমনেশিয়া শব্দটি এমন একটি অবস্থাকে বুঝায়, যার ফলে মস্তিস্কের বিভিন্ন ধরণের কার্যক্রম যেমন- স্মৃতি, চিন্তা, অন্যকে চিনতে পারা, ভাষা, পরিকল্পনা এবং ব্যক্তিত্বের অবনতি ঘটে। বিভিন্ন প্রকার ডিমনেশিয়ার মধ্যে আছে, ভাস্কুলার, লিউভডি এবং ফ্রন্টো টেম্পেরাল ডিমনেশিয়া।

এই রোগের লক্ষণ গুলো হচ্ছে; স্মৃতি শক্তি কমে যাওয়া, চিন্তা করতে গিয়ে সমস্যায় পড়া, কিছু বলতে গিয়ে শব্দ খুঁজে না পাওয়া, কাছের মানুষ চিনতে না পারা, মেজাজের পরিবর্তন ঘটা।

স্বাস্থ্যসম্মত জীবনাচার, আমাদের পরবর্তী জীবনে ডিমনেশিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে। স্বাভাবিক ভাবে হৃতপিন্ডের কার্যকারিতার জন্য ভাল, মস্তিস্কের জন্য ভাল। যে কারনে সুষম খাদ্যগ্রহণ এবং নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক ব্যায়ামের মাধ্যমে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সুস্থ্য থাকা যাবে।

উল্লেখ, এ বছর বিশ্ব আলঝেইমার্স মাস সেপ্টেম্বর ২০১৬ পালন হচ্ছে। এই রোগের কারনে শতকরা ৬০ থেকে ৭০ ভাগ ক্ষেত্রে ডিমনেশিয়া হয়ে থাকে।ডিমনেশিয়া কি জানুন, সুস্থ্য থাকুন

রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

চর্বি বাদ দিয়ে মাংস খান!


রেড মিট বা লাল মাংসের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে শুনতে শুনতে অনেকেরই মনে হতে পারে, লাল মাংস তথা গরু-খাসির মাংসের বুঝি কোনো ভালো গুণ নেই। আসলে লাল মাংস সম্পর্কে সতর্কবাণীর প্রায় পুরোটাই বয়স্কদের জন্য, যাঁদের রক্তে কোেলস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কিংবা যাঁরা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিতে আছেন। কিন্তু যাঁদের বয়স ৩০-এর নিচে, রক্তে কোেলস্টেরলের মাত্রা ঠিক আছে, বাড়তি মেদ নেই, ওজনও স্বাভাবিক, তাঁদের জন্য লাল মাংসের এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা ঠিক নয়।
কৃশকায় গরুর মাংসকে স্বাস্থ্যসম্মতই বলা চলে। কারণ তাতে কোেলস্টেরল কম। এ ধরনের মাংস দৈনিক ৫০-১০০ গ্রাম গ্রহণে খুব একটা অসুবিধা নেই। গবেষকেরা আরও বেলছেন, গ্রাস ইটার (ঘাস, খড় খেয়ে বড় হওয়া) গরুর মাংসে প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া ফার্মের গরুর তুলনায় চর্বি কম থাকে। তবে হৃদ্রোগ, ওজনাধিক্য, রক্তে চর্বির আধিক্য ও ক্যানসারের ঝুঁকি থাকলে লাল মাংস এড়িয়ে চলা উচিত।
গরুর মাংস বা লাল মাংস হচ্ছে প্রাণিজ প্রোটিন, আয়রন, জিঙ্ক, থায়ামিন, রিবোফ্ল্যাভিন, সেলেনিয়াম ও ভিটামিন বি১২-এর অন্যতম উৎস। এই গরুর মাংসই হতে পারে স্বাস্থ্যকর খাবার, যদি চর্বি বাদ দিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে খাওয়া যায়। কৃশকায় গরুর মাংস কিংবা চর্বি বাদ দেওয়া গরুর মাংসে সম্পৃক্ত চর্বি কম থাকে। তাই ঝুঁকিও কম। কম চর্বিযুক্ত গরুর মাংসের চেয়ে বরং অতিরিক্ত ভাত খাওয়া বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
অনেকের ধারণা, গরুর মাংসে শুধু ক্ষতিকর সম্পৃক্ত চর্বিই থাকে। আসলে তা নয়। লাল মাংসের এসব ঝুঁকির পেছনে মূলত দায়ী মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ। দেখা গেছে, দৈনিক ৫০ গ্রাম প্রক্রিয়াজাত মাংস গ্রহণে হৃদ্রোগের ঝুঁকি ৪২ আর ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণে ব্যবহৃত উপাদানের কারণে মাংসে সোডিয়াম ও নাইট্রেট বেশি থাকে। লবণের কারণে উচ্চ রক্তচাপ হয়, নাইট্রেটের জন্য রক্তনালির দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ইনসুলিন নিঃসরণ কমে গিয়ে ডায়াবেটিসের প্রবণতা বাড়ায়। এর ফলাফল—হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি।
কোনো কিছু যেমন বেশি ভালো নয়, গরুর মাংসও তেমন বেশি খাওয়া ভালো নয়। তবে ঢালাওভাবে সবাই গরুর মাংস এড়িয়ে চলবেন, এটা ঠিক নয়। সাধারণত কম চর্বিযুক্ত গরুর মাংস শিশু-কিশোর, তরুণ-যুবার জন্য পুষ্টিকর খাবার হিসেবে বিবেচিত।



সূত্রঃ প্রথম আলো
 
Copyright © 2014 VIGOROUS MEDIA. Designed by NaYeM | Distributed By Gooyaabi Templates