LATEST UPDATE
LifeStyle লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
LifeStyle লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৬

শীত তাড়াতে রং এবং ঘরের সাঁজ!


চারদিকে সবকিছুই শুষ্ক, রুক্ষ। শীতকালের আবহাওয়া তো এমনই, সেটা পাল্টানোর দরকার নেই। তবে অন্দরে সাজসজ্জার কিছু পরিবর্তন করে বাড়াতে পারেন উজ্জ্বলতা, সেই সঙ্গে ঘরও উষ্ণ হয়ে উঠবে৷ এর জন্য অবশ্য দেয়ালের রং পাল্টে ফেলতে হবে না৷ মজার ব্যাপার হলো, ঘরে উষ্ণ ভাব আনতে হিটারের প্রয়োজন নেই। কয়েকটি রং আর বাতির আলো-আঁধারির খেলাতেই ঘরে উষ্ণ একটা ভাব চলে আসবে। অন্দরসজ্জাবিদেরা এমনটাই জানালেন।

ঘরের টুকিটাকি জিনিসপত্র বদলেই অন্দরের সাজসজ্জায় পরিবর্তন আনা যেতে পারে—বললেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার গুলসান নাসরিন চৌধুরী। লাল, কমলা, হলুদ এই তিনটি রঙের উপস্থিতিতেই ঘরের শীতল ভাবটি বিদায় নেবে। পর্দা, বিছানা ও ডিভানের চাদর, সোফার কভার, কুশন, খাবার ঘরের টেবিল ক্লথ, রানার বদলানো তো খুব কঠিন নয়। সব যে একসঙ্গে পাল্টে ফেলতে হবে, তা-ও নয়। শুধু পর্দা, বিছানার চাদর, সোফার ব্যাগ, টেবিলের রানার, চেয়ারের কভার এসব জায়গাতে উজ্জ্বল এই তিনটি রঙের কাপড় ব্যবহার করা যেতে পারে।

গুলসান নাসরিন চৌধুরীর পরামর্শ—এখনকার আবহাওয়ায় একটু ভারী সিনথেটিক কাপড়ের পর্দাই ভালো। কারণ, শীতকালে মোটা কাপড় সহজে শুকাতে চায় না, তবে সিনথেটিক কাপড় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শুকিয়ে যায়। তা ছাড়া ভারী কাপড় ভেদ করে বাইরের হিম বাতাস এবং ধুলাবালিও ভেতরে ঢুকতে পারে না। শীতকালে জানালায় দুই স্তরের পর্দা ব্যবহার করলে ভালো। ভেতরের দিকে নেটের পর্দা দিয়ে, ওপরে ভারী আরেকটি পর্দা রাখতে পারেন। তাহলে দিনের বেলায় ভারী পর্দাটি সরিয়ে নিলেই শীতের মিষ্টি রোদ ঘরে ঢুকে পড়বে।
অন্দরসজ্জাবিদ সাবিহা কুমু জানিয়েছেন, ক্যানভাস, পাহাড়ি সুতি কাপড়, পাট এবং সিনথেটিক উপাদানের পর্দা এ সময় বেশ উপযোগী।
এবার আসা যাক বসার ঘরের সাজে। সোফার কভার যদি হয় চাপা সাদা তাহলে লাল রঙের হতে পারে সোফার ব্যাগগুলো। আবার সোফার কভার একরঙা হলে কুশন হতে পারে ছাপা নকশার। লাল, হলুদ, কমলা এই রংগুলোর সঙ্গে চাপা সাদার সমন্বয় খুব ভালো মানায়। অবশ্য এই তিনটি রঙের মধ্যে থেকে কোনটি বেছে নেবেন, তা আপনার ঘরের দেয়াল ও আসবারের রঙের ওপর নির্ভর করবে। ঋতুভেদে পুরো বাড়ির রং তো আর বদলে ফেলা যায় না, তবে বিশেষজ্ঞরা এমন কিছু রঙের কথা জানিয়েছেন যা সারা বছরই চোখকে আরাম দেবে। যেমন: নীল, সবুজাভ, বাদামি।
মাঝখানের চেয়ারে কভারের ব্যবহারের চল উঠে গিয়েছিল৷ অন্দরসজ্জায় এখন আবার সেটা ফিরে আসছে বলে জানালেন গুলসান নাসরিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘রং মিলিয়ে টেবিল ক্লথ, চেয়ার কভার, ম্যাট ও রানার ব্যবহার করলে ভালো দেখাবে।’

শোয়ার ঘরের জন্য বেড কভার হিসেবে বেছে নিতে পারেন রানি গোলাপি, লাল, সোনালি, হলুদ বা চকলেট রং। এর সঙ্গে থাকতে পারে কালো বা ছাই রঙের মিশেল। অন্য সময় যে রঙের চাদরগুলো বেশি চোখে লাগত তা এখন অনায়াসে বিছিয়ে নিতে পারেন—জানালেন সাবিহা কুমু। শোয়ার ঘরের পর্দাটা হতে পারে গাঢ় নীল এবং চাপা সাদার সমন্বয়ে। হতে পারে সোনালি রঙের ব্যবহার, এই রঙের সুবিধা হলো গরম বা শীত যেকোনো সময়েই মানিয়ে যায়।


বাড়ির কিছু জায়গায় শীতকালে কার্পেটিং করা যেতে পারে। বসার ঘর, শোয়ার ঘর কিংবা বাড়িরযেসব জায়গায় বেশি সময় কাটানো হয় সেই জায়গাগুলোতে পুরো মেঝেজুড়ে বা কিছু অংশে কার্পেট পাততে পারেন।
সন্ধ্যা নেমে এলে হালকা হলদে বাতি বা ওয়ার্ম লাইট জ্বালিয়েও ঘরটাকে উষ্ণ করে তোলা সম্ভব। ঘরের কোনায় তিন স্তরের ল্যাম্প শেড রাখা যেতে পারে। এটি সিলিং থেকে ঝুলন্ত হতে পারে, আবার টেবিল ল্যাম্পও হতে পারে। এটি নির্ভর করছে আপনার ঘরের আকার এবং অন্য আসবাবের ধরনের ওপর।
সাবিহা কুমু বলেন, কেবল বৈদ্যুতিক বাতি দিয়ে নয়, রং-বেরঙের মোম জ্বালিয়েও ঘরের ভেতরে উষ্ণ একটা ভাব নিয়ে আসতে পারেন। স্বচ্ছ কাচের বোল বা মাটির বড় সরায় পানি ভরে তার ওপর ফুল অথবা ফুলের পাপড়ি আর সঙ্গে কয়েকটি মোম জ্বালিয়ে ভাসিয়ে দিন। ঘরের এক কোণে বা মাঝ বরাবর রেখে দিলে তা দেখতেও নান্দনিক হবে আর ঘরও থাকবে খানিকটা গরম।
আর শীতের এই সময়টায় প্রচুর রঙিন ফুল পাওয়া যায়; তা গুচ্ছ করে সাজিয়ে ফুলদানিতে রাখলেও কিন্তু ঘরের উজ্জ্বলতা বাড়ে, অন্দরে ফিরে আসে প্রাণ। শীতের রুক্ষতা কাটিয়ে ঘরে চলে আসবে বসন্ত।

সূত্রঃ প্রথম আলো

মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ঠোঁট থাকুক কোমল!



সূর্যের তাপ, ধূমপান, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ, হরমোনের অসামঞ্জস্যতা ইত্যাদি কারণে ঠোঁট কালচে হয়ে যেতে পারে। রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ঠোঁট কোমল ও গোলাপি করার কিছু টিপস উল্লেখ করা হয়।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট অবলম্বনে সহজলভ্য ও ঘরোয়া উপাদানে ঠোঁটের যত্ন নেওয়ার কিছু পন্থা এখানে দেওয়া হল।

গোলাপ: আর্দ্রতা এনে ত্বকের সাধারণ সমস্যা উপশমের মাধ্যমে শীতলতা জোগায় গোলাপ। তাছাড়া ঠোঁটে গোলাপি আভাযুক্ত করে এই ফুল। তাই গোলাপ দিয়ে ঘরেই লিপবাম তৈরি করা যায়।

কয়েক ফোঁটা মধুর সঙ্গে এক ফোঁটা গোলাপ জল মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। এটি দিনে তিন বার ব্যবহার করা যাবে। এতে ঠোঁট কোমল থাকবে এবং নিয়মিত ব্যবহারে গোলাপি আভা আসবে।

বিট: প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদানে ভরপুর। তাই ঠোঁটের কালচেভাব দূর করতে এটি বেশ উপকারী।

রাতে ঘুমানোর আগে ঠোঁটে খানিকটা তাজা বিটের রস লাগিয়ে নিন। সকালে ধুয়ে ফেলুন। বিটের লালচে রং ঠোঁটের কালচেভাব দূর করে আলাদা গোলাপিভাব যুক্ত করবে।

বেদানা: শুষ্ক ও মলিন ঠোঁটে পুষ্টি জুগিয়ে আর্দ্রতার মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে বেদানা। পাশাপাশি ঠোঁটে গোলাপি আভা যুক্ত করে।

এক টেবিল-চামচ বেদানার দানা থেঁতলে খানিকটা ক্রিম ও গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এই মিশ্রণ স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। আলতো করে ঘষে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

শসা: ত্বকের যত্নে শসা কতটা উপকারী তা নতুন করে বলার কিছু নেই। চোখের কালচে দাগ বা কালি দূর করতে এটি দারুণ উপকারী। তেমনি ঠোঁটের যত্নেও এটি সমানভাবে ব্যবহার উপযোগী।

এক টুকরা শসা ঠোঁটের উপর হালকা করে ঘষতে হবে। রস পুরোপুরি ত্বক শুষে নেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। প্রতিদিন পাঁচ মিনিট সময় ব্যয় করুন এই কাজে, উপকার পাবেন।

কাঠবাদামের তেল: প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি ঠোঁটের কালচে দাগ দূর করতেও এই তেল বেশ উপকারী।

পাঁচ থেকে ছয় ফোঁটা কাঠবাদামের তেলের সঙ্গে এক টেবিল-চামচ মধু মিশিয়ে যখনই ঠোঁট শুষ্ক মনে হবে ত্বকে লাগিয়ে নিন। কয়েক দিন নিয়ম করে ব্যবহারে নিজেই পার্থক্য লক্ষ্য করতে পারবেন।

জানুন কীভাবে কাঁচের মতো চকচকে নখ পাবেন



ওয়েব ডেস্ক: তেল চকচকে নখই এখন নতুন ফ্যাশন। আপনার নখ যদি চকচক না করে, তাহলে আপনি মোটেই ফ্যাশনেবল নন। চুল, ত্বক, ঠোঁট এবং নখ যত বেশি চকচকে হবে, তত আপনাকে সুন্দর দেখতে লাগবে। কিন্তু চকচকে নখ পাওয়া মোটেই সহজ নয়। নেলপলিশ লাগানোর পর তাতে জল লাগলেই তা থেকে চকচকে ভাব উঠে যেতে থাকে। তাহলে কীভাবে রাখবেন নখ চকচকে? জেনে নিন-

চকচকে নখ পাওয়া প্রক্রিয়া শুরু করার আগে জেনে রাখুন, এর জন্য মেটালিক রঙ যেমন, মেটালিক গ্রে, নীল, সবুজ, পার্পল রং বেছে নিন।

১) প্রথমে নখে বেস কোটিং করুন।

২) বেস কোটিং শুকনো হয়ে গেলে কালো রঙের নেলপলিশ পুরো নখে ভালো করে লাগান।

৩) এবার এই নেলপলিশটিকে অল্প শুকনো হতে দিন। অর্ধের শুকিয়ে এলে নখে মেটালিক রঙের নেলপলিশ ব্যবহার করুন। নীল, সবুজ, পার্পল বিভিন্ন রং নখের বিভিন্ন অংশে ব্যবহার করতে পারেন।

৪) এবার ক্রোম পাউডার ব্যবহার করুন নখের উপর।

৫) নখকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে, বিভিন্ন রং মিশিয়ে নখে ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে রামধনু এফেক্ট আসবে।

৬) নখ শুকিয়ে গেলে আর একবার নেলপলিশ ব্যবহার করুন।

বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য ৮ টিপস!



আপনার চারপাশেই রয়েছে অজস্র প্রাকৃতিক উপাদান যা নামমাত্র খরচে, বিনা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় আপনাকে করে তুলতে পারে আরও বেশি ফর্সা ও উজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী। ভাবছেন কীভাবে? চলুন জেনে নিই।

১। ত্বকের রঙ আরও ফর্সা করার জন্য দই লাগান মুখে। মিনিট কুড়ি রাখুন, এরপর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন এরকম লাগাতে হবে।

২। সারা গায়ের রঙ উজ্জ্বল করতে বেসন, দই আর সামান্য হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। গোসলের সময় সাবানের বদলে এটি ব্যবহার করুন নিয়মিত।

৩। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা মুগের ডাল গুঁড়ো করে সামান্য পানিতে মিশিয়ে প্রত্যেক সপ্তাহে একদিন করে মুখে স্ক্রাব করুন। কারণ ত্বকের ওপরে মরা কোষের পরত জমে মুখের ত্বক কালো দেখায়।

৪। আধা টুকরো পাকা কলা নিন। ভালোভাবে চটকে নিয়ে এতে কয়েক ফোঁটা শসার রস মেশান, মুখে গলায় লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৫। সারা গায়ের ত্বক উজ্জ্বল করতে বেসন ও খাঁটি সরিষার তেল একসাথে মিশিয়ে গোসলের আগে সারা গায়ে মেখে নিন। ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৬। শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের জন্য দারুণ একটি টিপস হল ৫০ গ্রাম আমন্ড গুঁড়ো, ২ চামচ দুধের মাঠা, গোটা একটা লেবুর রস, ২ চামচ চায়না ক্লে তারপর সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে মুখ ও গলায় লাগান। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৭। স্বাভাবিক ত্বকের অধিকারীরা আরও একটি উপায়ে ফর্সা হতে পারেন। ১ চামচ চন্দনবাটা , ১ চামচ পাকা পেঁপের শাঁস একসঙ্গে মিশিয়ে সারা মুখে মেখে নিন। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

৮। যদি আপনার ত্বক তৈলাক্ত হয়ে থাকে তাহলে, ৪ চামচ চন্দন গুঁড়ো, ১ চামচ মুলতানি মাটি, ১ চামচ কমলালেবুর খোসার শুকনো গুঁড়ো, দুধ দিয়ে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

৩ মিনিটেই তৈরি করুন মজাদার রেড ভেলভেট কেক



“কেক” খাবারটি খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুব কমই আছে। বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় একটি কেক হল রেড ভেলভেট। বড় বেকারি শপ ছাড়া এই কেকটি পাওয়া যায় না। তাই খেতে ইচ্ছা করলেও সব সময় খাওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না। পছন্দের এই কেকটি আপনি চাইলে যখন তখন খেতে পারেন। ভাবছেন কীভাবে? খুব সহজে, মাত্র ৩ মিনিটে রেড ভেলভেট কেক ঘরে তৈরি করে নেয়া যায়। আসুন তাহলে মজাদের এই কেকের রেসিপিটি জেনে নেওয়া যাক।

উপকরণ:

৪ টেবিল চামচ ময়দা

১/৮ চা চামচ বেকিং পাউডার

৪ টেবিল চামচ চিনি

২ টেবিল চামচ কোকো পাউডার

৩ টেবিল চামচ দুধ

৩ টেবিল চামচ তেল

১টি ডিম

১/২ চা চামচ রেড ফুড কালার

ক্রিমের জন্য:

৪ টেবিল চামচ মাখন

ক্রিম চিজ

১/২ চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স

১ কাপ চিনির গুঁড়ো

প্রণালী:

১। একটি পাত্রে ময়দা, বেকিং পাউডার, কোকো পাউডার, দুধ, তেল, চিনি এবং ডিম দিয়ে ভাল করে ফেটুন।

২। এরপর এতে লাল ফুড কালার দিয়ে ভাল করে মেশান।

৩। মিশ্রণটি মগে ঢালুন।

৪। এবার মাইক্রোওয়েভে ৭০ পাওয়ারে ২-৩ মিনিট বেক করতে দিন।

৫। আরেকটি পাত্রে মাখন এবং ক্রিম চিজ ভাল করে বিট করুন। এরসাথে ভ্যানিলা এসেন্স এবং চিনির গুঁড়ো দিয়ে দিন।

৬। মগ কেকের উপর এই ক্রিম দিয়ে দিন।

৭। ব্যস তৈরি হয়ে গেল দোকানের মত রেড ভেলভেট মগ কেক।

সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

রান্না করা মাংস খাওয়ার পর বেঁচে গিয়েছে! তাহলে তৈরি করে নিন এই মজাদার মাংস ঝুরি!


একে আবার মাংস ভর্তা কিংবা মাংসের শুটকিও বলা হয়। রেসিপি দিয়েছেন আনার সোহেল।
উপকরণ: মসলা ছাড়া ভুনা মাংস ১ কাপ (থেতলে নেওয়া)। শুকনা মরিচ ৪ টি (সরিষার তেলে ভেজে নিতে হবে)। পেঁয়াজকুচি বড় ১টি। লবণ স্বাদ মতো। ধনেপাতা-কুচি ১ মুঠো। সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ।
পদ্ধতি: কাবাব দিয়েও করা যায় এটা।
প্রথমে মাংস হাত দিয়ে ঝুরি করে নিন। এবার একটি বাটিতে পেঁয়াজ কুচি, শুকনা টালা বা ভাজা মরিচ ভেঙে নিন এবং ধনেপাতা, লবণ দিয়ে ভালো করে মাখান।
সঙ্গে মাংসের ঝুরি মিশিয়ে সরিষার তেল দিয়ে মাখান। ব্যস হয়ে গেল মজাদার মাংসের ভর্তা।
গরম ভাত কিংবা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন।

ঈদ রাঙাতে নানা আয়োজন আর বাহারি ঢঙে সেজে উঠেছে ঢাকার বিনোদন কেন্দ্রগুলো!

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে টানা ছয়দিনের ছুটিতে কর্মজীবীদের একটা বড় অংশ ইতোমধ্যে গ্রামের বাড়িতে চলে গেলেও যেসব নগরবাসী রাজধানীতেই থাকছেন তাদের ঈদ রাঙাতে নানা আয়োজন আর বাহারি ঢঙে সেজে উঠেছে ঢাকার বিনোদন কেন্দ্রগুলো।

ঈদুল আজহায় কোরবানির ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় দিনের প্রায় অর্ধেকের বেশি সময় কেটে গেলেও এরপর ঈদের দিন বিকাল থেকেই এসব বিনোদন কেন্দ্রে সব বয়স আর শ্রেণি পেশার মানুষের ঢল নামবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।
উপচে পড়া ভিড় সামলে নগরবাসীকে ‘নিরাপদ বিনোদন সেবা’ দিতে প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছে বিনোদনকেন্দ্রগুলো। জঙ্গি হামলার আশঙ্কাকে মাথায় রেখে বেশ কয়েকটি স্তরে নিরাপত্তা বলয় তৈরির কথাও জানিয়েছে কেউ কেউ।



ঈদ উপলক্ষে বরাবরের মতো শাহবাগের শিশুপার্ক ও জাতীয় জাদুঘরে এবং জাতীয় চিড়িয়াখানায় শিশু-কিশোরদের ঢল নামবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
শাহবাগ শিশুপার্কের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সহকারী ইঞ্জিনিয়ার মো. নূরুজ্জামান বলেন, ঈদে বরাবরই বাড়তি চাপ থাকে। তবে শিশু-কিশোরদের বিনোদনের বিষয়টি মাথায় রেখে শিশু পার্ক নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।
বাড়তি চাপ সামলাতে কর্মচারীরাও সব সময় তৎপর থাকবে বলে জানান তিনি।

 ঈদ উপলক্ষে সকাল ৮টা থেকেই দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানার ফটক।
ঈদের বাড়তি ভিড় সামলাতে এবং দর্শনার্থীদের ঈদ আনন্দ ‘শান্তিপূর্ণ’ করতে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ ‘বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা’ নিয়েছে বলে জানান কিউরেটর নজরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “নিরাপত্তার ইস্যুটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি আমরা। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট চিহ্নিত করে আমরা সেখানে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাদের পাশাপাশি থাকবে আনসার বাহিনী।
“এবার বাড়তি ভিড়ে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আমরা খুব তৎপর থাকছি,” বলেন চিড়িয়াখানার কিউরেটর নজরুল।

জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ঈদ উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য প্রদর্শিত হবে তিনটি শিশুতোষ সিনেমা।
১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৩টায় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে প্রদর্শিত হবে আফজাল হোসেন পরিচালিত ‘ছোট কাকু’ সিরিজের ‘রাতবিরাতে সাতক্ষীরাতে’।
১৪ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৩টা ও ১৬ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৩টায় আশরাফ শিশিরের ‘গাড়িওয়ালা’ সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে।
মোরশেদুল ইসলামের ‘দুরত্ব’ সিনেমাটি দেখানো হবে ১৪ ও ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টায়।



রাজধানী ছেড়ে খানিক দূরে বিনোদনকেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডম ও নন্দন পার্ক। ঈদ উপলক্ষে তরুণ প্রজন্মের বিনোদন পিয়াসীদের কথা মাথায় রেখে এই দুই কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি।
ফ্যান্টাসি কিংডমের গণযোগাযোগ কর্মকর্তা মাহফুজ আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, পার্কের কনকর্ড, ওয়াটার কিংডম কনকর্ড, হেরিটেজ পার্ক কনকর্ডের নিয়মিত রাইডের সবগুলোই খোলা থাকবে ঈদ উপলক্ষে।
 তিনি বলেন, ‘ফেস্টিভ মুডে’ সাজানো ফ্যান্টাসি কিংডমের নিয়মিত আয়োজনগুলোর পাশাপাশি থাকছে ডিজে শো, অ্যাক্রোবেটিক শো ও ড্যান্স শো। তবে ঈদ উপলক্ষে কোনো ‘স্পেশাল প্যাকেজ’ বা ‘ছাড়’ থাকছে না।
সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা অবধি খোলা থাকবে ফ্যান্টাসি কিংডম। দর্শকের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে নন্দন পার্ক খোলা থাকবে ঈদের দিন দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে রাত ৮টা অবধি এবং পরের দিন থেকে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা অবধি।
নন্দন পার্কের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা জুবায়েদ আল হাফিজ জানান, এবার ঈদ উপলক্ষে পার্কের সবগুলো রাইডই খোলা থাকবে। খোলা থাকবে ওয়াটার ওয়ার্ল্ডও।
যমুনা ফিউচার পার্কে ঈদুল আযহা উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ‘ঈদ ফিয়েস্তা’।




যমুনা ফিউচার পার্ক কর্তৃপক্ষ আয়োজন করেছে ‘যত শপিং তত উপহার’ ক্যাম্পেইন। পার্কের সেন্ট্রাল কোর্টে ফ্যাশন শোর পাশাপাশি বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত থাকছে ডি জে শো।
ইস্ট কোর্টে বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত আয়োজিত মিউজিক্যাল শোতে পারফর্ম করবেন মিলা, হাসান, পথিক নবী, কণা, ন্যান্সি, শাওন, লেমিসসহ দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা।
ঈদের দিন বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা অবধি থাকছে ফায়ার ড্যান্স শো, দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা অবধি বাচ্চাদের জন্য কিডস শো, ম্যাজিক শোর পাশাপাশি ফিউচার পার্কে থাকবে ফায়ার ওয়ার্কস শো।
যমুনা ফিউচার পার্কের মার্কেটিং, সেলস অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আলমগীর আলম বলেন, “ঈদের আনন্দকে দ্বিগুণ করতে এবার আয়োজনের কমতি নেই আমাদের। নিরাপত্তার বিষয়টিও বিবেচনা করে আমরা সিকিউরিটি ফোর্সদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে বলেছি।”

চলচ্চিত্রমোদী দর্শকের জন্য স্টার সিনেপ্লেক্স ১২ অগাস্ট মুক্তি দিচ্ছে হলিউডের সিনেমা ‘ব্যাড মমস’। জন লুকাস ও স্কট মুরের যৌথ পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন মিলা কুনিস, ক্রিস্টেন বেল, ক্যাথরিন হ্যানসহ আরও অনেকে।
প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে রাজধানীর অন্যতম প্রেক্ষাগৃহ যমুনা ব্লকবাস্টারস সিনেমাস, বলাকা সিনেওয়ার্ল্ড, মধুমিতা ও শ্যামলী সিনেপ্লেক্স।
ঈদুল আযহা উপলক্ষে নির্মিত ঢাকাই সিনেমা ‘শুটার’ প্রদর্শন করবে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী প্রেক্ষাগৃহ মধুমিতা। সিনেমাটিতে শাকিব খান জুটি বেঁধেছেন নবাগত নায়িকা শবনম বুবলির সঙ্গে।

শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ঈদে ঘুরে আসুন তৌকীর আহমেদ ও বিপাশা হায়াতের স্বপ্নের নক্ষত্রবাড়িতে!


এবার ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন থাকছে তারকা দম্পতি তৌকীর আহমেদ ও বিপাশা হায়াতের স্বপ্নের নক্ষত্রবাড়িতে। কর্মব্যস্ত নাগরিক জীবনে হাঁপিয়ে ওঠে অনেকেই খোঁজেন প্রশান্তির ছোঁয়া। একেবারে নিরিবিলি, মনোরম ও স্নিগ্ধ পরিবেশে ঈদের ছুটিতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে দু-দণ্ড প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে ঘুরে আসতে পারেন  নক্ষত্রবাড়ি।
নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট এন্ড কনফারেন্স সেন্টার এর সহকারি বিক্রয় –বিপণন ও জনসংযোগ কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আল সুমন বলেন, ঈদে অতিথিদের স্বাগত জানাতে নক্ষত্রবাড়ি প্রস্তুত।
সুমন বলেন, আধুনিক স্থাপত্যশিল্প আর নয়নাভিরাম প্রকৃতির মাঝে অতিথিদের সময়কে উপভোগ্য করে তুলতে চমৎকার সব ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। রয়েছে রেস্তোরাঁ, ওয়াটার বাংলো, সুইমিং পুল, জুস বার ,বিলিয়ার্ড ও  বোটিং এর ব্যবস্থা।
এছাড়া অতিথিদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে থাকবে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ভাড়া: পানির ওপর কটেজগুলো ২৪ ঘণ্টার ভাড়া ১০ হাজার ৭৫২ টাকা। বিল্ডিং কটেজের ভাড়া কাপলবেড ৮ হাজার ২২২ টাকা এবং টু-ইন বেড ৬ হাজার ৯৫৮ টাকা। দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশ মূল্য ৫০০ টাকা। এছাডা সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত থাকতে চাইলে ব্যয় করতে হবে মাত্র ২ হাজার পাঁচশত টাকা। যেখানে সকালের নাস্তা , দুপুরের বুফে লাঞ্চ ও বিকেলের নাস্তা থাকছে।
যোগাযোগ: ০১৫৫১ ২২২২১১, ০১৭৭২২২৪২৮১-৮৪।
 
 
Copyright © 2014 VIGOROUS MEDIA. Designed by NaYeM | Distributed By Gooyaabi Templates