LATEST UPDATE
News লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
News লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৬

বিশ্বে প্রতি সাত সেকেন্ডে এক কন্যাশিশুর বিয়ে! বাংলাদেশের অবস্থান ১১১


 মেয়েদের বেড়ে ওঠার, বিকশিত হওয়ার সুযোগ বিচার করে সেইভ দ্য চিলড্রেন বিশ্বের ১৪৪ দেশের যে সারণী প্রকাশ করেছে, তাতে বাংলাদেশের অবস্থান ১১১ নাম্বারে।
এই তালিকায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান ছাড়া সবচেয়ে বাজে অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ।
সেইভ দ্য চিলড্রেন মেয়ে শিশুদের সুস্থ-স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে বাল্যবিয়েকে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাদের প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বে প্রতি সাত সেকেন্ড একটি মেয়ের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে বয়স ১৫ পূর্ণ করার আগেই।
সোমবার প্রকাশিত এই 'গার্লস অপরচুনিটি ইনডেক্স' অনুযায়ী, কন্যা শিশুদের জন্য বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে কঠিন দেশ নাইজার। আর মেয়েদের জন্য সবচেয়ে বেশি সুযোগ তৈরি করতে পেরেছে সুইডেন।
সেইভ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে, জাতিসংঘ ও বিশ্ব ব্যাংকের সংগ্রহ করা গত এক বছরের তথ্য উপাত্ত ব্যবহার করে তারা এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে। কোন দেশের কী অবস্থা তা বুঝতে ব্যবহার করা হয়েছে পাঁচটি সূচক।
এই পাঁচ সূচক হলো- বাল্যবিয়ে, কিশোরী বয়সে মাতৃত্ব, প্রসূতিমৃত্যুর হার, পার্লামেন্টে নারীর প্রতিনিধিত্ব এবং নিম্ন মাধ্যমিকে ছাত্রীদের ঝরে পড়ার হার।
সেইভ দ্য চিলড্রেনের সিইও ক্যারোলিন মাইলস জানান, বাল্যবিয়ের মধ্য দিয়ে একটি মেয়ের জীবনে অনেকগুলো ক্ষতির সূচনা হয়। জোর করে বিয়ে দেয়া মানে, তার স্কুলজীবনের ইতি। অনেক ক্ষেত্রে সে পারিবারিক সহিংসতা, নির্যাতন এমনকি ধর্ষণেরও শিকার হয়। শরীর ও মন তৈরি হওয়ার আগেই তাকে সন্তান ধারণ করতে হয়। তার এবং তার সন্তানের স্বাস্থে?্যর জন?্য এর ফল হয় মারাত্মক।
তিনি বলেন, 'কিছুদিন আগেই আমি বাংলাদেশে গিয়েছিলাম। সেখানে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই এক তৃতীয়াংশ মেয়ের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। অনেক দেশেই এটাকে সামাজিক সংস্কৃতির অংশ হিসেবে দেখা হয়, সরকারি নীতির অংশ হিসেবে নয়; এটা আমাকে দারুণ পীড়িত করে।'
গার্লস অপরচুনিটি ইনডেক্স
শীর্ষে যারা: ১. সুইডেন, ২. ফিনল?্যান্ড, ৩. নরওয়ে, ৪. নেদারল?্যান্ডস, ৫. বেলজিয়াম, ৬. ডেনমার্ক, ৭. সস্নোভেনিয়া, ৮. পর্তুগাল, ৯. সুইজারল?্যান্ড, ১০. ইটালি।
তলানিতে যারা: ১৩৫. আইভরি কোস্ট, ১৩৬. নাইজেরিয়া, ১৩৭. গিনি, ১৩৮. মালাওয়ি, ১৩৯. সিয়েরা লিয়ন, ১৪০. সোমালিয়া, ১৪১. মালি, ১৪২. সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, ১৪৩. শাদ, ১৪৪. নাইজার।
সূচকে সবচেয়ে ভালো অবস্থায় থাকা দেশগুলোর প্রায় সবই ইউরোপীয় রাষ্ট্র। আর সবার পেছনে পড়ে থাকা দেশগুলো সাব সাহারান আফ্রিকার। সূচকে যুক্তরাজে?্যর অবস্থান ১৫ ও যুক্তরাষ্ট্র ৩২ নাম্বারে।
সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধে?্য মেয়ে শিশুদের পরিস্থিতি সবচেয়ে ভালো মালদ্বীপে। সূচকে দেশটি রয়েছে ৫০তম অবস্থানে। এছাড়া শ্রীলংকা তালিকার ৬০, ভুটান ৮০, নেপাল ৮৫, পাকিস্তান ৮৮, ভারত ৯০ এবং আফগানিস্তান ১২১তম অবস্থানে রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নাইজারে বাল?্যবিয়ের হার ৭৬ শতাংশ। আর প্রতি পাঁচজন কিশোরীর মধে?্য গড়ে একজন ওই বয়সেই মা হয়।
ব্র্যাকের এক গবেষণার তথ?্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বাল্যবিয়ের হার ৬৫ শতাংশ, যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ এবং পৃথিবীতে চতুর্থ। বাংলাদেশে প্রতি তিনটি বিয়ের দুটিতেই কনের বয়স থাকে ১৮ বছরের নিচে। বাল্যবিয়ের ৮০ শতাংশই ঘটে দরিদ্র পরিবারে।
মেয়েদের বিয়ের নূ্যনতম বয়স ১৮ বছর থেকে কমানো যায় কিনা- তা নিয়ে ২০১৩ সালে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে আলোচনা হলে বিভিন্ন মহল থেকে এর বিরোধিতা করা হয়।
তারপরও গতবছর মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি আইনের খসড়া তৈরি করে, যাতে 'বিশেষ পরিস্থিতিতে' মেয়েদের বিয়ের নূ্যনতম বয়স ১৬ বছর করার প্রস্তাব করা হয়।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি সে সময় 'বিশেষ পরিস্থিতির' ব্যাখ্যায় বলেন, 'মেয়ে প্রেমঘটিত কারণে ছেলের সঙ্গে পালিয়ে গেলে বা মেয়ে ছেলের বাড়িতে চলে যাওয়ার পর নিজের বাড়িতে ফিরে আসতে অস্বীকৃতি জানালে বা বিয়ের আগে গর্ভবতী হলে- এরকম পরিস্থিতিতে ১৬ বছর করা যায় কিনা, তা সরকার চিন্তা-ভাবনা করছে।'
এ নিয়ে সিদ্ধান্তে আসার আগে চলতি বছর এপ্রিলে মাতৃমৃত্যু রোধ ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় ক্ষমতাসীন দলের দুই সংসদ সদস্যও বিয়ের বয়স কমানোর প্রস্তাবে তাদের আপত্তির কথা তুলে ধরে বলেন, কোনো ধরনের শর্ত রেখেও মেয়েদের বিয়ের নূ্যনতম বয়স ১৮ এর নিচে আনা উচিত হবে না।
  সূত্রঃ যায় যায় দিন

রবিবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৬

বি.এ.ডি.সি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯৯১-২০১৬ পূনর্মিলনি

বি.এ.ডি.সি উচ্চ বিদ্যালয় (মিরপুর-১) প্রথম বারের মত পুনর্মিলনি আয়োজন করতে যাচ্ছে। পুনর্মিলনির দিন ২৫শে ডিসেম্বর ২০১৬।
১৯৯১ সাল থেকে ২০১৬ এর ব্যাচ এর সকল ছাত্র-ছাত্রীদের অতি শিঘ্রই ফরম পূরনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে অনুরোধ করা যাচ্ছে।


মোহাম্মদ সাইফ হামজা সৃজন
যুগ্ন আহবায়ক, বিএডিসি উচ্চ বিদ্যালয় মহা পূণর্মিলনী-২০১৬ আয়োজক কমিটি
মোবাইলঃ ০১৭২৮০৪৩৯৫৪



আরো জানতে>>>

বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

এবার পিতৃহীন কন্যা শিশুরা পাবে সরকারি ভাতা




মাতৃ-পিতৃহীন কন্যা শিশুদের আর্থিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখে তাদের স্বাবলম্বী হওয়া পর্যন্ত সরকারী ভাতা প্রদান করবে সরকার।

বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে দশম জাতীয় সংসদের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ২৭তম বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে মাতৃ-পিতৃহীন কন্যা শিশুদের আর্থিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখে তাদের স্বাবলম্বী হওয়া পর্যন্ত কোন কর্মসূচি বা প্রকল্পের আওতায় নির্ধারিত হারে সরকারী ভাতা প্রদান করা যায় কিনা তা যাচাই করা হচ্ছে বলে জাননো হয়।

কমিটি মহিলা ও শিশুদের জন্য গৃহীত প্রকল্পগুলো পর্যায়ক্রমে সমগ্র বাংলাদেশে বিশেষ করে দূরবর্তী/সীমান্তবর্তী যে সব জেলা ও উপজেলাগুলো আছে সে সব এলাকায় সম্প্রসারণে জন্য সুপারিশ করে।

বৈঠকে বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর সমস্যাবলী ও কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়াও বাংলাদেশ শিশু একাডেমী অবহিত করে যে, শিশু উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় ৬৪টি জেলা অফিস ও ৬টি উপজেলা অফিসের মাধ্যমে প্রতিবছর ৪২টি কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয় এবং এ কর্মসূচির মাধ্যমে বিগত ৩ বছর ৪০ লক্ষ শিশু অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে।

কমিটির সভাপতি বেগম রেবেকা মমিন-এর সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ ও নাসরিন জাহান রত্না বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

শোলাকিয়ায় এবার নিরাপত্তায় থাকছে বিজিবি! নেওয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ঈদুল ফিতরের দিন জঙ্গি হামলার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদগাহ কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ার নিরাপত্তায় এবার পুলিশ ও র‌্যাবের পাশাপাশি বিজিবিও মোতায়েন করা হয়েছে।


মুসল্লির নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্নে জামাত নিশ্চিত করার লক্ষে প্রথমবারের মতো বিজিবি মোতায়েন করা হল বলে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন খান জানান।
এবার ঈদুল আজহার জামাত শুরু হবে সকাল ৯টায়। শোলাকিয়ার জামাতে ইমামতি করবেন মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।
গত ৭ জুলাই ঈদুল ফিতরের দিন সকালে শোলাকিয়ার ঈদ জামাতের আড়াইশ মিটারের মধ্যে এক পুলিশ চেকপোস্টে কয়েকজন হামলাকারী বোমা বিস্ফোরণ ঘটালে দুই পুলিশ নিহত হন।
এরপর গোলাগুলি শুরু হলে এক হামলাকারী নিহত হন; পরে পুলিশ ও হামলাকারীদের গোলাগুলিতে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়।
এসপি জানান, গত ঈদুল ফিতরের দিনে সন্ত্রাসী হামলার পর এবারের জামাতকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ রাখাকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।
“তাই শোলাকিয়া মাঠের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে এবারেই প্রথমবারের মতো নামানো হচ্ছে তিন প্লাটুন বিজিবি।”
এছাড়া সহস্রাধিক পুলিশ মাঠ ও এর আশ-পাশে বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করবে। তাছাড়া র‌্যাব ও এপিবিএন সদস্যরাও বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে দায়িত্ব পালন করবে বলে জানান তিনি।
র‌্যাব-১৪ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর নাজমুল আরেফিন জানান, ঈদগাহ মাঠ ঘিরে রাখাসহ বিভিন্ন প্রবেশ পথে র‌্যাব দায়িত্ব পালন করবে এবং মাঠের আশ-পাশে বিভিন্ন উঁচু ভবনের ছাদে অবস্থান নিয়েও নজরদারি করবে।
“মাঠে পাহারার পাশাপাশি বিস্ফোরকের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে নিয়মিতভাবে সুইপিং করা হচ্ছে। এছাড়া আশ-পাশের বাড়ি-ঘর তল্লাশিসহ লোকজনের চলাফেরার উপরও নজরদারি করা হচ্ছে।”
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাতলা জায়নামাজ ছাড়া সব ধরনের ব্যাগ বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও শোলাকিয়া ঈদগাহ কমিটির সভাপতি মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস বলেন, গত ঈদে অপ্রত্যাশিত জঙ্গি হামলার বিষয়টি মাথায় রেখেই এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সম্ভব সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
এর ফলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বিঘ্নে ঈদের জামাত সম্পন্নের আশা করছেন তিনি।

রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

সৌদি আরবে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ-উল আজহা!


বিপুল উৎসাহ, উদ্দীপনা আর যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্বীর্যের মধ্য দিয়ে সৌদি আরবে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ-উল আজহা।
সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) ফজরের পর মুসলমানরা দলবেঁধে রওনা হন মসজিদে ঈদের জামাত আদায়ের উদ্দেশ্যে।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে জাতীয় মসজিদ ধিরায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৫টা ৫৫ মিনিটে।
রীতি অনুযায়ী নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলির মাধ্যমে কুশল বিনিময় করেন।
ঈদের নামাজ আদায়ের পর দোয়া, খুতবায় বিশ্ব মুসলিম উম্মার সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
এদিকে ঈদ ঘিরে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নেওয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এছাড়াও মক্কার হারাম শরীফ, মদীনার মসজিদে নববীসহ বেশ কয়েকটি স্থানে বড় বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

আজ পবিত্র হজ, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখর হবে আরাফার ময়দান!

‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক। ইন্নাল হামদা ওয়ান নিয়মাতা লাকা ওয়াল মুলক। লা শারিকা লাক্’- লাখো কণ্ঠের এই ধ্বনিতে আজ মুখরিত হয়ে উঠবে আরাফার ময়দান। বিঘোষিত হবে আল্লাহতায়ালার একত্ব ও মহত্ত্বের কথা। কাফনের কাপড়ের মতো সাদা দু’টুকরো ইহরামের কাপড় পড়ে আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি ও সান্নিধ্য লাভের জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়বে সৌদি আরবে অবস্থানরত হজপালনকারীরা। আল্লাহতায়ালা এবং বান্দার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের অনন্য আবহে বিরাজ করবে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্বের এক অনুপম দৃশ্য।
হজের সব আনুষ্ঠানিকতা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সৌদি সরকার। সৌদি আরবের গ্র্যান্ড ইমাম হাজিদের উদ্দেশে খুতবা প্রদান করবেন। রেওয়াজ অনুযায়ী জোহরের নামাজের আগেই হজের খুতবা প্রদান করা হবে। বাংলাদেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল হজের খুতবা সরাসরি সম্প্রচার করবে। হজের খুতবা শোনা হজের অন্যতম বিধান।
১৯৮১ সাল থেকে দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবুদল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল শায়খ হজের খুতবা দিয়ে আসছিলেন। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি পদত্যাগ করেছেন। এখনও ঠিক হয়নি কে হজের খুতবা প্রদান করবেন।
গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম মুফতি সালিহ বিন হুমাইদ গ্র্যান্ড মুফতি আবদুল আজিজের স্থালাভিষিক্ত হতে পারেন। অনেকে অবশ্য ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স মিনিস্টার শায়খ সালিহ আল আশ শায়খ ও দুই পবিত্র মসজিদের প্রেসিডেন্সি চেয়ারম্যান গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম শায়খ আবদুর রহমান আস সুদাইসের নামও বলছেন।
আরাফার ময়দানে অবস্থান প্রসঙ্গে হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবদুর রহমান বিন ইয়ামার আদ-দায়লি (রা.) হতে বর্ণিত আছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আরাফাই তো হজ।’ ইমাম শাওকানি (রহ.) এ কথার ব্যাখ্যায় বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আরাফাতে অবস্থানের জন্য নির্দিষ্ট দিনে উক্ত ময়দানে উপস্থিত থাকার সৌভাগ্য অর্জন করল তার হজ হয়ে গেল।’


এএফপিসহ বিভিন্ন বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, নির্বিঘ্নে হজ সম্পন্ন করতে সৌদি কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। মক্কা ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশসহ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। অস্ত্রসজ্জিত যান নিয়ে রাস্তায় টহল দিচ্ছে পুলিশ। আকাশে চক্কর দিচ্ছে সামরিক হেলিকপ্টার। ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হওয়াসহ যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মোকাবেলায় নিয়োজিত রাখা হয়েছে হাজার হাজার কর্মী। প্রস্তুত রয়েছে হাসপাতালগুলো।
আরাফার ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে দুপুরে হজের খুতবা দেওয়া হবে। এখানে খুতবার পর এক আজানে দুই ইকামতে জোহর ও আসরের কসরের (দুই রাকাত করে) নামাজ আদায় করবেন হজযাত্রীরা।
এরপর হাজিরা আরাফাত থেকে মুজদালিফায় যাবেন। সেখানে গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ একত্রে আদায় করবেন। মুজদালিফাতেও খোলা আকাশের নিচে রাত যাপন করবেন। সেখান থেকে জামারায় শয়তানকে মারার জন্য পাথর (কংকর) সংগ্রহ করে নেবেন। ১০ জিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে মুজদালিফা থেকে হাজিরা আবার মিনায় ফিরবেন।
মিনায় হাজিরা পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন, শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ ও ইহরাম ছাড়ার কাজগুলো সম্পন্ন করবেন। হজের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে হাজিরা মিনায় গিয়ে ১০ জিলহজে কোরবানি করবেন এবং মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটাবেন। এরপর মক্কায় পবিত্র কাবাঘর তাওয়াফ করবেন। এই তাওয়াফের নাম তওয়াফে জিয়ারাহ। এর আগে সৌদি আরব গিয়েই হজযাত্রীরা প্রথমে একবার অবশ্যই পবিত্র কাবা ঘর তওয়াফ করেন।
বিদায়ী তওয়াফ সেরে আবার মিনায় ফিরে ১১ ও ১২ জিলহজ সেখানে অবস্থান করে প্রতিদিন তিন শয়তানকে পাথর মারবেন। এভাবে সম্পন্ন হবে হজের পুরো আনুষ্ঠানিকতা।
ইসলাম ধর্মের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি হচ্ছে হজ পালন। জীবনে অন্তত একবার হজ পালন করতে হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।

সেরা উদ্ভাবকের তালিকায় বাংলাদেশি তরুণ!


বিশ্বখ্যাত কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) জার্নাল টেকনোলজি রিভিউ ঘোষিত ২০১৬ সালে ৩৫ বছরের কম বয়সী সেরা ৩৫ জন উদ্ভাবকের সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন বাঙালি তরুণ এহসান হক। এর আগে এই সম্মাননা যাঁরা পেয়েছেন তাঁদের মধ্যে আছেন গুগলের দুই প্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিন ও ল্যারি পেজ, ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গ, আইম্যাক ও আইপ্যাডের ডিজাইনার জোনাথন আইভ, লিনাক্সের জনক লিনাস টরভাস, ইয়াহুর সহপ্রতিষ্ঠাতা জেরি ইয়াং, টুইটারের জ্যাক ডরসে প্রমুখ। বলা যায় এমআইটির এই তালিকার অনেকেই পরবর্তী সময়ে বিশ্বকে বদলে দেওয়ায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।
বাঙালি এহসান হকের কাজ হলো মানুষের কথা ও শারীরিক ভাষার গাণিতিক মডেল বের করে সেটাকে কাজে লাগানো। এর মাধ্যমে তৈরি হবে এমন যন্ত্র, যা অটিজম বা ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্তদের আলাপচারিতায়, চাকরিপ্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতিতে, এমনকি বিতার্কিক বা বক্তাদের তাঁদের বক্তৃতার ভুলগুলো সংশোধন করতে সহায়তা করবে। এরই মধ্যে বানানো হয়েছে একটি বিশেষ চশমা, যা বক্তৃতা দেওয়ার সময় বক্তাকে আরও সাবলীল হতে সাহায্য করে।
মানুষে মানুষে কথোপকথন বা আলাপচারিতা অনেকটা দ্বৈত নাচের মতো। আমরা একে অন্যের কথাবার্তা, আকার-ইঙ্গিত, ভাবভঙ্গি বুঝে কথার পিঠে কথা বলে আলাপচারিতাকে এগিয়ে নিয়ে যাই। যদিও আলাপচারিতার এই ‘মুদ্রা’ বা কৌশল কোথাও লেখা নেই, কেউ জানে না, কিন্তু সবাই (মানুষ) বোঝে।
আর এহসানের কাজ হলো আলাপচারিতার এই কৌশলগুলোকে কম্পিউটারের কাছে বোধগম্য করে তোলা। তাতে লাভ?
‘লাভ তো অনেক কিছু।’ টেলিফোনে প্রথম আলোকে এহসান বলেন, ‘যেমন ধরুন যাদের অটিজম বা এসপারগার সিনড্রম আছে, তাদের অনেকেই মানুষের সঙ্গে সহজভাবে কথা বলতে পারে না, বুঝতে পারে না অন্যের আবেগ | কথা বলা শুরু করলে কখন থামবে বুঝতে পারে না, তাদের কথায় অন্য কেউ বিরক্ত হচ্ছে নাকি আনন্দিত হচ্ছে, সেটাও বুঝতে পারে না। কারণ আলাপচারিতার শারীরিক ভাষাটা তাদের কাছে বোধগম্য নয়। এখন যদি এমন হতো যে সেই মানুষটির সঙ্গে আছে এমন যন্ত্র, যা বলে দেবে শ্রোতার মনোভাব। মানে শ্রোতার হাসি আসলেই আনন্দের না কাষ্ঠ হাসি। তাহলে এ ধরনের মানুষের যোগাযোগ সক্ষমতা অনেক বেড়ে যেত।’
এহসানের বানানো মাক (MACH-My Automated Conversation coacH) ও লিসা (LISSA-Live Interactive Social Skills Assistant) প্রোগ্রাম তাৎক্ষণিকভাবে বলে দিতে পারে একজন মানুষ কথার মধ্যে কতবার ‘এ্যা, আহহহ’ ইত্যাদি বলেছে। কথা বলার সময় তার শারীরিক অঙ্গভঙ্গি স্বাভাবিক না আরোপিত। তার শব্দ প্রক্ষেপণ কী যথাযথ?
এমআইটি মিডিয়া ল্যাবে কাজ করার সময় এহসান প্রথমে বানান মাক, যা এমআইটির শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকারে দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে। পরে সেটিকে বিকশিত করে ভিন্নভাবে সক্ষম কিংবা অটিস্টিক ব্যক্তিদের সহায়তা করার জন্য তৈরি করেছেন লিসা।
মানুষের মুখাবয়ব পর্যালোচনা করে মানুষের অভিব্যক্তি নির্ণয় করার কাজটি কেমন করে হয়, সেটি ব্যাখ্যা করে এহসান বললেন, ‘মূল কথাটি সোজা, উদাহরণের মাধ্যমে শিক্ষা। যেমন মানুষের মুখটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বলের মতো গোলাকার। কিন্তু তারপরও একটা অস্পষ্ট ছবিতে একজন মানুষের মুখ আর ফুটবল পাশাপাশি রাখলে আমরা খুব সহজেই বলে দিতে পারি কোনটা ফুটবল এবং কোনটা মানুষের মুখ। মানুষের পক্ষে এই কাজটা খুব সহজেই করে ফেলা সম্ভব, কারণ আমরা ছোটবেলা থেকে মানুষের মুখ দেখে অভ্যস্ত। ঠিক তেমনিভাবে মেশিনকে অনেকগুলো মানুষের মুখের ছবি উদাহরণ হিসেবে দেওয়া হলে আধুনিক গাণিতিক পরিভাষা ব্যবহার করে মেশিনের পক্ষেও মানুষের চেহারা শনাক্ত করা সম্ভব। তবে কাজটি মোটেই সোজা নয়।’
সহজ নয় বলেই তো কাজটি করার জন্য এমআইটির টিআর৩৫-এ নির্বাচিত হয়েছেন এহসান হক। ব্যবসায়ী বাবা এনামুল হক ও মা প্রয়াত সৈয়দা লুৎফে সাবার তিন সন্তানের একজন এহসান হক! পড়াশোনা ঢাকার উদয়ন স্কুল এবং পরে ঢাকা কলেজে। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক। ইউনিভার্সিটি অব মেমফিস থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর | ২০০৮ সাল থেকে এমআইটির বিখ্যাত মিডিয়া ল্যাবে কাজ করেন—মানুষের মুখাবয়ব ও কণ্ঠ বিশ্লেষণ করে যন্ত্রকে মানুষের আবেগ শনাক্ত করতে সাহায্য করা নিয়ে। ২০০৯ সালে ওয়াল্ট ডিজনির গবেষণাগারে প্রথম স্বয়ংক্রিয় রোবট—যা দেখতে, শুনতে এবং নিজের সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম—তৈরিতে সাহায্য করেছেন। ২০১০ সালে আইবিএম ওয়াটসন গবেষণাগারে তৈরি করেন বুদ্ধিমান বিজ্ঞাপন যন্ত্র, যা পথে চলতে থাকা মানুষের গতিবিধি, লিঙ্গ, বয়স, পরনের কাপড়ের রং ও ধরন বুঝে মানানসই বিজ্ঞাপন প্রচার করে! এরপর ২০১৩ সালে তৈরি করেন ‘মুড মিটার’, যা মানুষের চেহারা দেখে বলে দেয় রাগ না খুশি। ২০১৩ সালে এমআইটি থেকে পিএইচডি করার পর যোগ দেন ইউনিভার্সিটি অব রসেস্টারে। এখন সেখানে কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করছেন।
স্ত্রী নাফিসা আলম এবং দুই ছেলে ওয়ালি (৫) ও আরিককে (৫ মাস) নিয়ে এহসানের সংসার।
নিজের কাজের বিষয়ে এহসান বলেন, ‘যারা অন্যরকম তাদের আমরা সঠিকভাবে বুঝতে পারি না দেখে আমরা ওদের বিকলাঙ্গ বা প্রতিবন্ধী বলে ডাকি। চেষ্টা করি ওদেরকে আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী “স্বাভাবিকে” পরিবর্তন করতে। আমার ধারণা পরিবর্তন দরকার আমাদের, আমাদের মনোভাবের। দরকার নতুন পাঠ্যক্রম, নতুন প্রযুক্তির, যাতে বিশেষভাবে সক্ষম জনগোষ্ঠী আমাদের সকলের মতো সম্মানজনক ও পরিণত জীবনের নিশ্চয়তা পায়।’


সূত্রঃ প্রথম আলো

তিন সড়ক-মহাসড়কে তীব্র যানজট!


ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এবং কালিয়াকৈর-নবীনগর সড়কে আজ রোববারও তীব্র যানজট দেখা গেছে। যানজটের কারণে যাত্রীরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাজীপুরের ভোগড়া থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার যানজট দেখা গেছে। একই সময় ভোগড়া বাইপাস থেকে বোর্ডবাজার পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজট ছিল। কালিয়াকৈর-নবীনগর সড়কে প্রায় সাত কিলোমিটার এলাকায় যানজট দেখা যায়।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে আজ ভোরের দিকে যানজট কিছুটা কম ছিল। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কের বাঐখোলা এলাকায় একটি বাস ও প্রাইভেটকারের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যানজট বাড়ে। সকাল আটটার দিকে এই মহাসড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহনের চাপ বেড়ে যানজট পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মির্জাপুর এলাকায় টাঙ্গাইলগামী যানবাহন থমকে থাকতে দেখা গেছে।
রংপুরগামী কাভার্ডভ্যানচালক মো. রানা বলেন, চন্দ্রা থেকে মির্জাপুর ২০ মিনিটের পথ। কিন্তু এটুকু আসতে তাঁর দেড় ঘণ্টা লেগেছে। মির্জাপুরে এসে দীর্ঘ সময় ধরে তাঁকে বসে থাকতে হয়েছে।
কোনাবাড়ী হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হোসেন সরকার বলেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যানজট নিরসনে তাঁরা কাজ করে যাচ্ছেন।
নাওজোড় হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সালাম বলেন, সকাল থেকেই ভোগড়া বাইপাস থেকে বোর্ডবাজার পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বলেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সকাল আটটার পর হঠাৎ যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। এ কারণে যানজট তীব্র হয়েছে। যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করছে।

সূত্রঃ প্রথম আলো
 
Copyright © 2014 VIGOROUS MEDIA. Designed by NaYeM | Distributed By Gooyaabi Templates