LATEST UPDATE
Mixed লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Mixed লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৬

জানুন ব্রেক-আপ ছেলেদের উপর কতটা প্রভাব ফেলে




আমাদের একটা চিরাচরিত ধারণা আছে যে, সম্পর্ক ভাঙার প্রভাব বুঝি মেয়েদের উপরেই সবথেকে বেশি পড়ে। তারাই বুঝি বেশি দুঃখ পায়। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। একইরকম প্রভাব পড়ে ছেলেদের উপরেও। সম্পর্ক ভাঙার যন্ত্রণা যতটা একটা মেয়ে পায়, ঠিক ততটাই পায় ছেলেরাও।

একটা সম্পর্ক ভাঙার প্রভাব ছেলেদের মধ্যে ঠিক কতটা পড়ে, তা আমরা শরত্‌চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'দেবদাস' গল্পেই দেখেছি। শুধু তাই নয়, সমীক্ষাও এমনই প্রমাণ দিচ্ছে। ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রবিন সিমন এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে, একটা সম্পর্ক থেকে মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা অনেক বেশি লাভবান হয়। তাই যখন সম্পর্ক ভেঙে যায়, তখন সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ তারাই হয়।

সম্পর্ক ভাঙার ফলে কী কী প্রভাব পড়ে ছেলেদের উপর?

১) সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, ছেলেরা সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক বেশি হিসেবি হয়। তারা ভালো এবং খারাপ দুটো দিকই বিচার করে। তাই যখন সম্পর্ক ভেঙে যায়, আর মেয়েটি ছেলেটিকে ছেড়ে এগিয়ে যায়, তখন সেটা তাদের কাছে পরাজয়ের মতো মনে হয়। তাদের অহংয়ে আঘাত লাগে।


২) বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, মেয়েরা তাদের আবেগ অনুভূতির কথা অন্যের সঙ্গে শেয়ার করতে পারে। কিন্তু ছেলেরা পরিবার কিংবা বন্ধুদের কাছে সবসময় তাদের আবেগ শেয়ার করতে পারে না। প্রচলিত আছে যে, হৃদয় নাকি মেয়েদেরই বেশি ভাঙে। কিন্তু দেখা গিয়েছে, ছেলেরা অনেক বেশি আঘাত পায় মেয়েদের তুলনায়। তার কিছু কিছু লক্ষণ হল, ঠিক মতো না খাওয়া, অতিরিক্ত রেগে যাওয়া, অতিরিক্ত কাজ করা, না ঘুমনো, নেশায় আসক্ত হয়ে পড়া ইত্যাদি।

একবার সম্পর্ক ভাঙার যন্ত্রনা ভোগ করার পর ছেলেরা আর মন থেকে সম্পর্ক তৈরি করে না। তখন সে মাথা দিয়ে সম্পর্ক তৈরি করে।

বুধবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৬

বিশ্বে প্রতি সাত সেকেন্ডে এক কন্যাশিশুর বিয়ে! বাংলাদেশের অবস্থান ১১১


 মেয়েদের বেড়ে ওঠার, বিকশিত হওয়ার সুযোগ বিচার করে সেইভ দ্য চিলড্রেন বিশ্বের ১৪৪ দেশের যে সারণী প্রকাশ করেছে, তাতে বাংলাদেশের অবস্থান ১১১ নাম্বারে।
এই তালিকায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান ছাড়া সবচেয়ে বাজে অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ।
সেইভ দ্য চিলড্রেন মেয়ে শিশুদের সুস্থ-স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে বাল্যবিয়েকে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাদের প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বে প্রতি সাত সেকেন্ড একটি মেয়ের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে বয়স ১৫ পূর্ণ করার আগেই।
সোমবার প্রকাশিত এই 'গার্লস অপরচুনিটি ইনডেক্স' অনুযায়ী, কন্যা শিশুদের জন্য বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে কঠিন দেশ নাইজার। আর মেয়েদের জন্য সবচেয়ে বেশি সুযোগ তৈরি করতে পেরেছে সুইডেন।
সেইভ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে, জাতিসংঘ ও বিশ্ব ব্যাংকের সংগ্রহ করা গত এক বছরের তথ্য উপাত্ত ব্যবহার করে তারা এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে। কোন দেশের কী অবস্থা তা বুঝতে ব্যবহার করা হয়েছে পাঁচটি সূচক।
এই পাঁচ সূচক হলো- বাল্যবিয়ে, কিশোরী বয়সে মাতৃত্ব, প্রসূতিমৃত্যুর হার, পার্লামেন্টে নারীর প্রতিনিধিত্ব এবং নিম্ন মাধ্যমিকে ছাত্রীদের ঝরে পড়ার হার।
সেইভ দ্য চিলড্রেনের সিইও ক্যারোলিন মাইলস জানান, বাল্যবিয়ের মধ্য দিয়ে একটি মেয়ের জীবনে অনেকগুলো ক্ষতির সূচনা হয়। জোর করে বিয়ে দেয়া মানে, তার স্কুলজীবনের ইতি। অনেক ক্ষেত্রে সে পারিবারিক সহিংসতা, নির্যাতন এমনকি ধর্ষণেরও শিকার হয়। শরীর ও মন তৈরি হওয়ার আগেই তাকে সন্তান ধারণ করতে হয়। তার এবং তার সন্তানের স্বাস্থে?্যর জন?্য এর ফল হয় মারাত্মক।
তিনি বলেন, 'কিছুদিন আগেই আমি বাংলাদেশে গিয়েছিলাম। সেখানে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই এক তৃতীয়াংশ মেয়ের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। অনেক দেশেই এটাকে সামাজিক সংস্কৃতির অংশ হিসেবে দেখা হয়, সরকারি নীতির অংশ হিসেবে নয়; এটা আমাকে দারুণ পীড়িত করে।'
গার্লস অপরচুনিটি ইনডেক্স
শীর্ষে যারা: ১. সুইডেন, ২. ফিনল?্যান্ড, ৩. নরওয়ে, ৪. নেদারল?্যান্ডস, ৫. বেলজিয়াম, ৬. ডেনমার্ক, ৭. সস্নোভেনিয়া, ৮. পর্তুগাল, ৯. সুইজারল?্যান্ড, ১০. ইটালি।
তলানিতে যারা: ১৩৫. আইভরি কোস্ট, ১৩৬. নাইজেরিয়া, ১৩৭. গিনি, ১৩৮. মালাওয়ি, ১৩৯. সিয়েরা লিয়ন, ১৪০. সোমালিয়া, ১৪১. মালি, ১৪২. সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, ১৪৩. শাদ, ১৪৪. নাইজার।
সূচকে সবচেয়ে ভালো অবস্থায় থাকা দেশগুলোর প্রায় সবই ইউরোপীয় রাষ্ট্র। আর সবার পেছনে পড়ে থাকা দেশগুলো সাব সাহারান আফ্রিকার। সূচকে যুক্তরাজে?্যর অবস্থান ১৫ ও যুক্তরাষ্ট্র ৩২ নাম্বারে।
সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধে?্য মেয়ে শিশুদের পরিস্থিতি সবচেয়ে ভালো মালদ্বীপে। সূচকে দেশটি রয়েছে ৫০তম অবস্থানে। এছাড়া শ্রীলংকা তালিকার ৬০, ভুটান ৮০, নেপাল ৮৫, পাকিস্তান ৮৮, ভারত ৯০ এবং আফগানিস্তান ১২১তম অবস্থানে রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নাইজারে বাল?্যবিয়ের হার ৭৬ শতাংশ। আর প্রতি পাঁচজন কিশোরীর মধে?্য গড়ে একজন ওই বয়সেই মা হয়।
ব্র্যাকের এক গবেষণার তথ?্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বাল্যবিয়ের হার ৬৫ শতাংশ, যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ এবং পৃথিবীতে চতুর্থ। বাংলাদেশে প্রতি তিনটি বিয়ের দুটিতেই কনের বয়স থাকে ১৮ বছরের নিচে। বাল্যবিয়ের ৮০ শতাংশই ঘটে দরিদ্র পরিবারে।
মেয়েদের বিয়ের নূ্যনতম বয়স ১৮ বছর থেকে কমানো যায় কিনা- তা নিয়ে ২০১৩ সালে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে আলোচনা হলে বিভিন্ন মহল থেকে এর বিরোধিতা করা হয়।
তারপরও গতবছর মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি আইনের খসড়া তৈরি করে, যাতে 'বিশেষ পরিস্থিতিতে' মেয়েদের বিয়ের নূ্যনতম বয়স ১৬ বছর করার প্রস্তাব করা হয়।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি সে সময় 'বিশেষ পরিস্থিতির' ব্যাখ্যায় বলেন, 'মেয়ে প্রেমঘটিত কারণে ছেলের সঙ্গে পালিয়ে গেলে বা মেয়ে ছেলের বাড়িতে চলে যাওয়ার পর নিজের বাড়িতে ফিরে আসতে অস্বীকৃতি জানালে বা বিয়ের আগে গর্ভবতী হলে- এরকম পরিস্থিতিতে ১৬ বছর করা যায় কিনা, তা সরকার চিন্তা-ভাবনা করছে।'
এ নিয়ে সিদ্ধান্তে আসার আগে চলতি বছর এপ্রিলে মাতৃমৃত্যু রোধ ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় ক্ষমতাসীন দলের দুই সংসদ সদস্যও বিয়ের বয়স কমানোর প্রস্তাবে তাদের আপত্তির কথা তুলে ধরে বলেন, কোনো ধরনের শর্ত রেখেও মেয়েদের বিয়ের নূ্যনতম বয়স ১৮ এর নিচে আনা উচিত হবে না।
  সূত্রঃ যায় যায় দিন

রবিবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৬

বি.এ.ডি.সি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯৯১-২০১৬ পূনর্মিলনি

বি.এ.ডি.সি উচ্চ বিদ্যালয় (মিরপুর-১) প্রথম বারের মত পুনর্মিলনি আয়োজন করতে যাচ্ছে। পুনর্মিলনির দিন ২৫শে ডিসেম্বর ২০১৬।
১৯৯১ সাল থেকে ২০১৬ এর ব্যাচ এর সকল ছাত্র-ছাত্রীদের অতি শিঘ্রই ফরম পূরনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে অনুরোধ করা যাচ্ছে।


মোহাম্মদ সাইফ হামজা সৃজন
যুগ্ন আহবায়ক, বিএডিসি উচ্চ বিদ্যালয় মহা পূণর্মিলনী-২০১৬ আয়োজক কমিটি
মোবাইলঃ ০১৭২৮০৪৩৯৫৪



আরো জানতে>>>

রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

কফির সাথে কি ফ্রী দিচ্ছে জেনেভার ফ্যালাত্তিও ক্যাফে??




সুইজারল্যান্ডের চকলেট বা ছুড়ি অনেক আগেই নজর কেড়েছে সমগ্র বিশ্বের। এবার সেই তালিকায় সম্ভবত যোগ হতে যাচ্ছে কফির নামও।
তবে ভালো কফি উৎপাদন করে নয়, কফির সঙ্গে দেওয়া ফ্রি জিনিসটির জন্যই সারা বিশ্বের মানুষের নজর কাড়বে দেশটি। কারণ সেখানের একটি ক্যাফেতে কফি খেলে বিনামূল্যে যৌনসঙ্গী সরবরাহের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
জেনেভায় ফ্যালাত্তিও ক্যাফে থেকে কেনা কফিতে চুমুক দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার কাছে যৌনতার পসরা নিয়ে হাজির হবে সুন্দরী রমণীরা।
ক্রেতার মনোরঞ্জনের জন্য নিজের শরীরের মাধ্যমে তারা সবকিছুই করতে রাজি। এজন্য তাদের দিতে হবে না আলাদা কোনো চার্জ।
এই কাজে আইনগত কোনো ঝামেলাও নেই। কারণ যৌনতাকে ওই দেশের সংবিধানে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষ এই ক্যাফের কফিতে চুমুক দিতে হলে আপনাকে খরচ করতে হবে ৪০ পাউন্ড।
 
Copyright © 2014 VIGOROUS MEDIA. Designed by NaYeM | Distributed By Gooyaabi Templates